কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার : মাহদী আমিন
কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার : মাহদী আমিন
প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
মাদকের করাল গ্রাস থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে হবে : সংস্কৃতিমন্ত্রী
মাদকের করাল গ্রাস থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে হবে : সংস্কৃতিমন্ত্রী
বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্প অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত : জার্মান রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্প অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত : জার্মান রাষ্ট্রদূত
উচ্চশিক্ষায় উৎকর্ষ অর্জনে কাজ করছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী
উচ্চশিক্ষায় উৎকর্ষ অর্জনে কাজ করছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী
প্রতিবন্ধীদেরকে বাইরে রেখে সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়: সমাজ কল্যাণমন্ত্রী 
প্রতিবন্ধীদেরকে বাইরে রেখে সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়: সমাজ কল্যাণমন্ত্রী 
অটিজম আক্রান্ত শিশুদের সু-চিকিৎসায় বহুমুখী উদ্যোগ সরকারের : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী 
আসন্ন বাজেটে তামাক পণ্যে কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধির দাবি
আসন্ন বাজেটে তামাক পণ্যে কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধির দাবি
ঢাকা, ১৩ মে, ২০২৬ (বাসস) : জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে তামাকপণ্যের ওপর কার্যকর কর আরোপ ও মূল্য বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আজ বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দি রুরাল পূয়র (ডর্প) আয়োজিত ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কার্যকরভাবে সব তামাকপণ্যের কর ও মূল্য বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা’ বিষয়ক জাতীয় সেমিনারে এ দাবি জানানো হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, তামাকপণ্য সহজলভ্য হওয়ায় তরুণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে গতানুগতিকভাবে তামাকপণ্যের দাম বাড়ালেই হবে না, বরং তা মূল্যস্ফীতি ও মানুষের আয় বৃদ্ধির চেয়েও বেশি হারে বৃদ্ধি করতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রথম সচিব (ভ্যাট, মনিটরিং ও আইটি) নাহিদ নওশাদ মুকুল বলেন, তামাক পণ্যের বর্তমান কর কাঠামোর কারণে সরকার বছরে অতিরিক্ত প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের সুযোগ হারাচ্ছে। এই বিশাল অর্থ দিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।  তিনি বলেন, কার্যকর তামাক কর বাস্তবায়ন করা গেলে ধূমপান কমবে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে এবং একই সঙ্গে সরকারের রাজস্বও বাড়বে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাফিউন নাহিন শিমুল। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে বর্তমানে নিম্ন, মধ্যম, উচ্চ ও অতি উচ্চÑ এই চার স্তরের সিগারেট বিদ্যমান। এর মধ্যে বাজারে বিক্রিত সিগারেটের প্রায় ৯০ শতাংশই নিম্ন ও মধ্যম স্তরের, যা সহজলভ্য হওয়ায় যুবসমাজ ও নিম্ন আয়ের মানুষকে দ্রুত আসক্ত করে তুলছে।  তিনি বলেন, আসন্ন অর্থবছরের বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপের মাধ্যমে দাম বৃদ্ধি করে নিম্ন ও মধ্যম স্তরকে একত্র করে প্রতি ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটের সর্বনিম্ন দাম ১০০ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা ও অতি উচ্চ স্তরে ২০০ টাকা নির্ধারণ এবং সকল স্তরে ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করতে হবে।  তিনি আরও বলেন, তামাকপণ্যে এই কর ও মূল্য প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা গেলে ৩ লাখ ৭২ হাজারের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি তরুণ জনগোষ্ঠীর অকালমৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে। জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল-এর মহাপরিচালক মো. আখতারউজ-জামান বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি (৩৫.৩ শতাংশ) এবং তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২ তিনি বলেন, তামাক খাতকে শুধু রাজস্ব আয়ের চশমা দিয়ে না দেখে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর করনীতি বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন ডর্প-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এএইচএম নোমান এবং সমাপনী বক্তব্য দেন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমিন। সঞ্চালনা করেন উপ-নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ যোবায়ের হাসান। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিআইসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ডর্প তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রতিনিধি জেবা আফরোজা প্রমুখ।
গণতন্ত্রের সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করতে হবে : মঈন খান
গণতন্ত্রের সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করতে হবে : মঈন খান
কোরবানির বর্জ্য ৮ ঘণ্টায় অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ডিএসসিসি : প্রশাসক
কোরবানির বর্জ্য ৮ ঘণ্টায় অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ডিএসসিসি : প্রশাসক
ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের বিচারে সামরিক ট্রাইব্যুনাল বাতিলের আহ্বান জাতিসংঘের
ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের বিচারে সামরিক ট্রাইব্যুনাল বাতিলের আহ্বান জাতিসংঘের
ঢাকা, ১৩ মে, ২০২৬ (বাসস) : হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের বিচারের জন্য নবগঠিত বিশেষ সামরিক ট্রাইব্যুনাল বাতিল করতে বুধবার ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান। সোমবার গভীর রাতে ইসরাইলের পার্লামেন্ট এমন একটি আইন পাস করে, যার মাধ্যমে এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। আদালতটি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষমতাও রাখবে। বিশেষ এই আদালতে হামাস নেতৃত্বাধীন হামলার সময় বা পরে আটক ব্যক্তিদের বিচার করা হবে। একই সঙ্গে গাজায় জিম্মিদের আটকে রাখা বা নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্তদেরও এ আদালতে বিচার করা হবে। ইসরাইলি গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪০০ সন্দেহভাজনের এ আদালতে বিচার হতে পারে। জেনেভা থেকে এএফপি জানায়, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই ভয়াবহ হামলাগুলোর পূর্ণ জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করে না— এমন বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা অর্জন করা সম্ভব নয়।’ তিনি বলেন, ‘এই আইন অবশ্যই বাতিল করতে হবে।’ তার ভাষায়, ‘এই আইন অনিবার্যভাবে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে একপেশে বিচার ও বৈষম্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে। এটি কারও স্বার্থে নয় এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনেরও পরিপন্থী।’ এএফপির সরকারি তথ্যভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, হামাসের ওই হামলায় ইসরাইলি পক্ষে ১ হাজার ২২১ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক। এটি ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী দিন হিসেবে বিবেচিত। যোদ্ধারা ২৫১ জনকে জিম্মিও করে নিয়ে যায়, যাদের মধ্যে ৪৪ জন তখনই নিহত ছিলেন। এর জবাবে ইসরাইলের সামরিক অভিযানে গাজা উপত্যকা ব্যাপকভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং হামাস-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ৭২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ এই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।
জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: পুলিশের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: পুলিশের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী
মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধকে তামাদি হতে দেবে না সরকার : তথ্যমন্ত্রী
জাতিসংঘ ফোরামে বাংলাদেশ: নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান 
জাতিসংঘ ফোরামে বাংলাদেশ: নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান 
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
কানাডায় ওষুধ রপ্তানি শুরু করল নেভিয়ান লাইফ সায়েন্স
কানাডায় ওষুধ রপ্তানি শুরু করল নেভিয়ান লাইফ সায়েন্স
ঢাকা, ১৩ মে,২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ থেকে কানাডায় ওষুধ রপ্তানির ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে নেভিয়ান লাইফ সায়েন্স পিএলসি (সাবেক নোভার্টিস বাংলাদেশ লিমিটেড)। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বহুজাতিক জেনেরিক ওষুধ কোম্পানি স্যান্ডোজের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থার আওতায় এই রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।  প্রথম দফায় স্যান্ডোজ এজি, সুইজারল্যান্ডের ক্রয়াদেশ অনুযায়ী নেভিয়ানের টঙ্গী কারখানায় উৎপাদিত একাধিক ওষুধ আমদানি করছে কানাডীয় কোম্পানি স্যান্ডোজ। একই চুক্তির আওতায় ভবিষ্যতে ইউরোপসহ উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার কয়েকটি দেশে রপ্তানির পরিকল্পনাও রয়েছে। এ উপলক্ষে আজ টঙ্গীতে নেভিয়ানের উৎপাদন কারখানায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসাইন সরকার এবং রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ নাসের শাহরিয়ার জাহেদী। ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্যান্ডোজ কানাডার সাপ্লাই প্ল্যানিং বিশেষজ্ঞ স্যাম্পসন ল্যাম। প্রধান অতিথি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন নেভিয়ানের এই অর্জনের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের বৈচিত্র্য বৃদ্ধিতে ওষুধ শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। স্যান্ডোজের মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নেভিয়ানের অংশীদারিত্বকে তিনি একটি রোল মডেল হিসেবে উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে নেভিয়ানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুসাওয়াত শামস জায়েদী বলেন, নতুন নামে যাত্রা শুরুর সময় নোভার্টিসের গুণগত মান বজায় রাখার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, কানাডার মতো কঠোর নিয়ন্ত্রিত বাজারে রপ্তানির মাধ্যমে তা বাস্তবায়িত হলো।  তিনি বলেন, বহুদেশীয় অংশীদারিত্বে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন ও রপ্তানিতে নেভিয়ান একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সিবা-গেইগি ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে, যা পরবর্তীতে স্যান্ডোজের সঙ্গে একীভূত হয়ে ১৯৯৬ সালে নোভার্টিস বাংলাদেশ নামে আত্মপ্রকাশ করে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত কোম্পানিটির সিংহভাগ শেয়ার ২০২৫ সালে অধিগ্রহণ করে রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস। পরবর্তীতে কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে নেভিয়ান লাইফ সায়েন্স পিএলসি রাখা হয়। নতুন নামে যাত্রা শুরুর সময়ই নেভিয়ান জানায়, নাম পরিবর্তন হলেও তারা নোভার্টিসের ওষুধ একই ব্র্যান্ড, একই উপাদান ও একই গুণগত মানে উৎপাদন, বিপণন ও রপ্তানিতে স্যান্ডোজের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকবে। টঙ্গীর ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন জিএমপি সনদপ্রাপ্ত কারখানা থেকে কানাডায় প্রথম রপ্তানির মাধ্যমে এই যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হলো।
বাংলাদেশ-ফিলিপাইন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বিপিসিসিআই’র
বাংলাদেশ-ফিলিপাইন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বিপিসিসিআই’র
বিনিয়োগ বাড়াতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের জরিমানা সুদের হার কমালো বাংলাদেশ ব্যাংক
বিনিয়োগ বাড়াতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের জরিমানা সুদের হার কমালো বাংলাদেশ ব্যাংক
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
চট্টগ্রামে ৫৪টি খালের ১২৮ কিলোমিটার খনন করা হবে : জেলা প্রশাসক
মাদকের করাল গ্রাস থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে হবে : সংস্কৃতিমন্ত্রী
৬ কোটি টাকার শিক্ষা অবকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন চসিক মেয়র 
আসন্ন বাজেটে তামাক পণ্যে কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধির দাবি
গণতন্ত্রের সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করতে হবে : মঈন খান
ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের বিচারে সামরিক ট্রাইব্যুনাল বাতিলের আহ্বান জাতিসংঘের
কানাডায় ওষুধ রপ্তানি শুরু করল নেভিয়ান লাইফ সায়েন্স
বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্প অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত : জার্মান রাষ্ট্রদূত
কোরবানির বর্জ্য ৮ ঘণ্টায় অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ডিএসসিসি : প্রশাসক
প্রতিবন্ধীদেরকে বাইরে রেখে সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়: সমাজ কল্যাণমন্ত্রী 
১০
চট্টগ্রামে ৫৪টি খালের ১২৮ কিলোমিটার খনন করা হবে : জেলা প্রশাসক
চট্টগ্রামে ৫৪টি খালের ১২৮ কিলোমিটার খনন করা হবে : জেলা প্রশাসক
চট্টগ্রাম, ১৩ মে, ২০২৬ (বাসস) : চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, কৃষির চাহিদা অনুযায়ী সারা দেশে খাল খনন শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে বামনশাহী খাল খননের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া এখানকার ৫৪টি খালের ১২৮ কিলোমিটার খনন করা হবে। ইতোমধ্যে ৬২ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে।  তিনি বলেন, ইট প্রস্তুতের জন্য মাটির উপরিভাগ কাটা হয়ে থাকে। এ বছর আমাদের প্রস্তাব হচ্ছে খননকৃত খালের মাটি যেন ইটভাটায় ব্যবহার করা হয়। তাহলে এসব মাটির যেমন কার্যকর ব্যবহার হবে, তেমনি কৃষিজমির টপসয়েল রক্ষা পাবে।  আজ বুধবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত ‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রমের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও কৃষি ঋণ মওকুফ, বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, নারীর জন্য গাড়ির সুফল’ বিষয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  জেলা প্রশাসক বলেন, হাটহাজারী উপজেলায় দ্রতই ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া অল্প কিছুদিনের মধ্যে চট্টগ্রামে কৃষক কার্ডের কার্যক্রমও শুরু হবে।  চট্টগ্রামের ডিসি পার্কে ২০ হাজার গাছের চারা লাগানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে। পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, খননকৃত খালের মাটি যেন আবার সেই খালে না পড়ে, সে বিষয়টি তদারকি করা হবে। তাছাড়া সিএস বা আরএস জরিপ দেখে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত যেসব খাল বিলুপ্ত হয়ে গেছে, সেগুলোও খনন করা হবে।  আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খননের জন্য খাল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রথমে কৃষির গুরুত্ব দেখা হবে। যেসব খালের দ্বারা কৃষিতে সেচ ব্যবস্থা এবং মৎস্য চাষ সহজ হবে, সেগুলোই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খনন করা হবে। তবে পর্যায়ক্রমে সব খালই খনন করা হবে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রচার, চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা দূর করতে যত্রতত্র ময়লা ও আবর্জনা পলিথিন না ফেলা-প্রভৃতি বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টিতে জেলা প্রশাসক গণমাধ্যমের সর্বাত্নক সহযোগিতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানে জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) আয়েশা সিদ্দীকা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড প্রচারে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ও জেলা তথ্য অফিস চট্টগ্রামের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন।  এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শরীফ উদ্দিন, মো. কামরুজ্জামান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদুল করিম কচিসহ সমাজসেবা অধিদপ্তর, কৃষি অধিদপ্তর ও বন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা  উপস্থিত ছিলেন। 
৬ কোটি টাকার শিক্ষা অবকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন চসিক মেয়র 
৬ কোটি টাকার শিক্ষা অবকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন চসিক মেয়র 
ফেনীতে ঈদুল আযহার প্রস্তুতি সভা
ফেনীতে ঈদুল আযহার প্রস্তুতি সভা
ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব পালিত
ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব পালিত
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা: ইউজিসি চেয়ারম্যান
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা: ইউজিসি চেয়ারম্যান
শিক্ষাই বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষাই বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে শিক্ষকদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা 
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে শিক্ষকদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা 
ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত: বাংলাফ্যাক্ট
ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত: বাংলাফ্যাক্ট
পুরানো ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট
পুরানো ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট
কলম্বিয়ার ভিডিও দিয়ে পল্লবী থানা আক্রমণের গুজব শনাক্ত ফ্যাক্টওয়াচের
কলম্বিয়ার ভিডিও দিয়ে পল্লবী থানা আক্রমণের গুজব শনাক্ত ফ্যাক্টওয়াচের
আরএসএফ-এর গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক র‌্যাঙ্কিংয়ে অবনতির দায় বিএনপি সরকারের নয় : বাংলাফ্যাক্ট
আরএসএফ-এর গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক র‌্যাঙ্কিংয়ে অবনতির দায় বিএনপি সরকারের নয় : বাংলাফ্যাক্ট
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ড দলে তিন নতুন মুখ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ড দলে তিন নতুন মুখ
নোয়াখালীতে শুরু হলো সুপার কাপ ফুটবল
নোয়াখালীতে শুরু হলো সুপার কাপ ফুটবল
তিন ম্যাচেই হ্যাটট্রিক; দেশের জার্সিতে বিশ্বজয়ের লক্ষ্য লালপুরের বিস্ময়বালিকা আলেয়ার
তিন ম্যাচেই হ্যাটট্রিক; দেশের জার্সিতে বিশ্বজয়ের লক্ষ্য লালপুরের বিস্ময়বালিকা আলেয়ার
ক্রীড়া উৎসব-২০২৬ অ্যাথলেটিক্সে ১০০ মিটারে চ্যাম্পিয়ন বাতেন বিপ্লব
ক্রীড়া উৎসব-২০২৬ অ্যাথলেটিক্সে ১০০ মিটারে চ্যাম্পিয়ন বাতেন বিপ্লব
ফেনীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু
ফেনীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু
বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বয়স্ক কোচের রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন ডিক এ্যাডভোকাট
বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বয়স্ক কোচের রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন ডিক এ্যাডভোকাট
মেসি এখনও এমএলএসের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড়
মেসি এখনও এমএলএসের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড়

নামাজের ওয়াক্ত শুরু

তারিখ : ১৪ মে, ২০২৬
শিল্পকলায় স্মরণ করা হয় ৫ গুণীজনকে
শিল্পকলায় স্মরণ করা হয় ৫ গুণীজনকে
শিল্পকলায় মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন : স্মরণ করা হয় ৪ গুণীজনকে
শিল্পকলায় মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন : স্মরণ করা হয় ৪ গুণীজনকে
শেষ হলো রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠান
শেষ হলো রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠান
শিল্পকলায় ১০ দিনব্যাপী ৪৫ গুণীজন স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান শুরু
শিল্পকলায় ১০ দিনব্যাপী ৪৫ গুণীজন স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান শুরু
শিশুর নিউমোনিয়া চিকিৎসায় ডে-কেয়ার কার্যকর
শিশুর নিউমোনিয়া চিকিৎসায় ডে-কেয়ার কার্যকর
অতিরিক্ত স্ক্রিন আসক্তি ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনে তরুণদের ডায়াবেটিস ঝুঁকি বাড়ছে : চিকিৎসকদের সতর্কতা
উন্নত প্রজন্ম গড়তে শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন
লালকুঠির সংস্কার শেষ পর্যায়ে, শিগগিরই উদ্বোধন 
লালকুঠির সংস্কার শেষ পর্যায়ে, শিগগিরই উদ্বোধন 
পর্যটন খাতে গতি আনতে উদ্ভাবনী উদ্যোগের আহ্বান
ইকো-ট্যুরিজমের প্রসারে বাংলাদেশ ও কানাডার কাজের সুযোগ রয়েছে : পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ২ লাখের বেশি পশু
চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ২ লাখের বেশি পশু
কুমিল্লায় কোরবানির পশু চাহিদার চেয়ে বেশি, প্রস্তুত ২ লাখ ৫৯ হাজার পশু
ধানের ভালো ফলনেও হতাশ লালমনিরহাটের কৃষকরা