প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ১০ সদস্যের যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ১০ সদস্যের যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
জাতীয়তাবাদী চারু ও কারুশিল্পী দলের ‘সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
জাতীয়তাবাদী চারু ও কারুশিল্পী দলের ‘সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের প্রত্যয় অর্থমন্ত্রীর
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের প্রত্যয় অর্থমন্ত্রীর
আগারগাঁওয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী 
আগারগাঁওয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী 
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান 
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান 
রেলখাতে বেসরকারি বিনিয়োগে সেবার মান বাড়তে পারে: প্রতিমন্ত্রী
কর্মজীবী নারীদের শিক্ষাবঞ্চিত শিশু
কর্মজীবী নারীদের শিক্ষাবঞ্চিত শিশু
ঢাকা, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : চা বাগানের জন্য বিখ্যাত সিলেট অঞ্চল। এর মধ্যে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলেই বিশাল বিশাল চা বাগান চোখে পড়ে। কৌতূহলবশত  ঢুকে পড়ি চা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলতে। এদের অধিকাংশই নারী। এক নারী শ্রমিকের সঙ্গে আলাপকালে একটা বিষয় অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করলাম-নারী শ্রমিকদের ছোটো ছোটো শিশুরা চা বাগানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ মাটিতে বসে খেলা করছে। কেউ বা ছুটোছুটি করছে।   কয়েকটি ছোট বাচ্চাকে দেখা গেল, মায়ের সঙ্গে বাগান থেকে চা পাতা তোলার চেষ্টা করছে। এভাবেই হয়ত ওরা একদিন মনের অজান্তেই চা বাগানের শ্রমিকে পরিণত হবে। অথচ ওদের সবারই স্কুলে যাওয়ার বয়স হয়েছে। একজন নারী শ্রমিকের কাছে জানতে চাইলাম, বাচ্চারা স্কুলে যায় কিনা? জবাবে তিনি বলেন, গরিব মানুষ, বাচ্চাদের লেখাপড়া করানোর মতো সামর্থ্য আমাদের নেই। এ ছাড়া স্কুলে আনা-নেওয়া করাটা বিরাট একটা ঝামেলার কাজ। আমরা কীভাবে কাজ বাদ দিয়ে ওদের আনা-নেওয়া করি? সরকারের পক্ষ থেকে শিশুদের শিক্ষার জন্য নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথাটা তাদের অজানাই বলতে হবে।   প্রসঙ্গক্রমে তিনি আরও বলেন, আমরাও এক সময় মায়ের সঙ্গে এভাবে চা বাগানে আসতাম এবং তারপর এখানে শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করি। তার কথা থেকে এটা পরিষ্কার যে, মূলত দারিদ্র্য এবং অজ্ঞতার কারণেই চা শ্রমিকরা তাদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাচ্ছে না।   শুধু চা বাগানে নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে চাতালে নারী শ্রমিকের সাথে তাদের শিশুরা অলস সময় পার করছে। অথচ স্কুল যাওয়ার বয়স হলেও তারা স্কুলে যাচ্ছে না।   শ্রীমঙ্গল থেকে ঢাকা ফেরার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাছে এসে গাড়ি বেশ কিছু সময়ের জন্য যাত্রাবিরতি করে। কাছেই একটি চাতালে গিয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করি। সেখানে দেখলাম, ছোট ছোট শিশুরা মায়েদের সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করছে। এরাও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। সিলেট বা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে চিত্র প্রত্যক্ষ করলাম, এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সারা বাংলাদেশেই নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী নারীদের সন্তানরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে এরা তেমন কোনো খবর রাখেন না। এ ছাড়া, মূলত দারিদ্র্য এবং অজ্ঞতার কারণে এরা বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহী হচ্ছে না।   এছাড়া তাদের মধ্যে এক ধরনের ধারণা প্রচলিত আছে যে, একটা ছেলে বা মেয়ে শিক্ষিত হলে তাকে দিয়ে সাধারণ কোনো কাজ করানো যাবে না। এ ছাড়া, শিক্ষার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হবে। তার চেয়ে বরং ছোটোবেলায় তাদের কাজে লাগিয়ে দেওয়া হলে, তারা সংসারের জন্য বাড়তি আয় করতে পারবে। তারা এটা বুঝতে চান না যে, একটি ছেলে বা মেয়ে শিক্ষিত হলে পুরো পরিবারের চেহারাই পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।   শিক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে মূল্যবান বিনিয়োগ। কোনো জাতিই শিক্ষা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করতে পারে না। বর্তমানে কর্মসংস্থানের জন্য অনেকেই ঘরের বাইরে আসছেন। কিন্তু তাদের অনেকেই এখনো শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করতে পারেন না। এভাবে আগামী প্রজন্মের একটি বিরাট অংশ শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য যে কোনো বিচারেই অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শিক্ষার আলো বঞ্চিত এসব শিশু আগামীতে নিরক্ষর নাগরিক হিসেবে বেড়ে ওঠবে।   বর্তমান সরকার সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। কিন্তু সবার অলক্ষ্যে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী নারীদের সন্তানরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এটা চলতে থাকলে কোনোভাবেই সার্বজনীন শিক্ষা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তাই সমস্যাটি নিয়ে আমাদের জাতীয় পর্যায়ে ভাবতে হবে। বর্তমানে প্রায় এক কোটি নারী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। এদের একটি বড় অংশ দরিদ্র পরিবার থেকে এসেছেন। শ্রমজীবী নারীদের এক বিরাট অংশই তৈরি পোশাক শিল্পে নিয়োজিত। এছাড়া অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমেও অনেকেই নিয়োজিত রয়েছেন। কিন্তু তাদের অধিকাংশেরই বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর সামর্থ্য এবং ইচ্ছে নেই।   তারা বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে চান না এ কারণে যে, মনে করা হয় বাচ্চাদের স্কুলে পাঠিয়ে পরিবারের ব্যয় বাড়ানোর চেয়ে অল্প বয়সে তাদের কাজে লাগিয়ে দিতে পারলে বেশি লাভ হবে। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা এসব বঞ্চিত শিশুদের শিক্ষামুখী করতে পারবে না।   এ জন্য বিকল্প চিন্তা-ভাবনা করা যেতে পারে। এই বিকল্প উদ্যোগটি আসতে পারে সংশ্লিষ্ট কর্ম দাতা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেই। যেসব প্রতিষ্ঠানে নারী শ্রমিক কাজ করেন, সেখানে বাধ্যতামূলকভাবে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক কারখানা মালিকই হয়ত ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনকে বাড়তি ব্যয় বলে মনে করেন। কিন্তু আসলে এটা কোনো বাড়তি ব্যয় নয়, বরং এক ধরনের বিনিয়োগ। কারণ যে নারী অনিরাপদ অবস্থায় তার শিশুকে বাড়িতে রেখে আসেন, তার পক্ষে কর্মক্ষেত্রে পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে কাজ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। অথচ তার বাচ্চাটিকে যদি কারখানার ডে-কেয়ার সেন্টারে রাখার ব্যবস্থা করা যায়, তবে তিনি পূর্ণ মনোযোগ সহকারে কাজ করতে পারবেন। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেরই সিএসআর ফান্ড থাকে। এই ফান্ড থেকে অর্থ ব্যয় করে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয়ভাবেও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা যেতে পারে।   দিনদিনই আমাদের দেশের নারীরা কর্মসংস্থানের জন্য বর্হিমুখী হচ্ছেন। কিন্তু তাদের সন্তানদের লেখাপড়ার বিষয়টি কোনোভাবেই নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এভাবে লোক চক্ষুর আড়ালে আগামী প্রজন্মের একটি অংশ অশিক্ষিত হয়ে বেড়ে উঠছে। অথচ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন অনুপাতে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করে শ্রমজীবী নারীদের সন্তানদের লালন-পালন এবং শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হলে আগামী প্রজন্ম শিক্ষিত এবং কর্মমুখী হয়ে গড়ে ওঠতে পারে।   এসব শিশুদের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা দেওয়া হলে এরা দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। যেসব এলাকায় একাধিক শিল্পকারখানা আছে সেখানে যৌথ উদ্যোগে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা যেতে পারে। প্রতিটি শিল্পকারখানা সেখানে সম-অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যয় নির্বাহ করবে। এ জন্য প্রয়োজনে দেশের বেসরকারি সংস্থসমূহের সহায়তা গ্রহণ করা যেতে পারে।   আগামীতে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমরা বাংলাদেশকে মাঝারি আয়ের দেশে পরিণত করতে চাইলে পুরো জাতিকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে শ্রমজীবী মায়েদের সন্তান যদি শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত থাকে, তাহলে শতভাগ শিক্ষিত জাতির যে আকাঙ্ক্ষা আমরা হৃদয়ে ধারণ করছি, তা কোনোভাবেই অর্জিত হবে না। তাই বিষয়টি নিয়ে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ প্রজন্মের একটি অংশকে শিক্ষাবঞ্চিত রেখে কোনোভাবেই পরিপূর্ণ শিক্ষিত জাতি উপহার দেওয়া সম্ভব নয়। আগামীতে আমাদের দেশে শ্রমজীবী নারীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। তাই বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে এখনই এ ব্যাপারে ইতিবাচক সিন্ধান্ত নিতে হবে।
ঢাবি ক্যাম্পাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান
ঢাবি ক্যাম্পাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান
লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন
লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন
ইসরাইলি হামলায় লেবাননে অর্ধ লক্ষাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
ইসরাইলি হামলায় লেবাননে অর্ধ লক্ষাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
ঢাকা, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : হিজবুল্লাহর সঙ্গে সর্বশেষ যুদ্ধে ইসরাইলি হামলায় লেবাননে অর্ধ লক্ষাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হয়েছে। বুধবার প্রকাশিত সরকারি এক  হিসাবে এ তথ্য জানা গেছে। বৈরুত থেকে এএফপি জানায়, ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর সায়েন্টিফিক রিসার্চ (সিএনআরএস)-এর প্রধান শাদি আবদাল্লাহ বলেন, ৪৫ দিনে ১৭ হাজার ৭৫৬টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং ৩২ হাজার ৬৬৮টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ২ মার্চ দেশটিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে যুক্ত করার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় লেবাননে ২ হাজার ৪০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লক্ষাধিক মানুষ। আবদাল্লাহ বলেন, যুদ্ধবিরতির প্রথম তিন দিনে ৪২৮টি ঘরবাড়ি ধ্বংস ও ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সিএনআরএসের হিসাবে দেখা গেছে। লেবাননের এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, বৃহস্পতিবার ইসরাইলের সঙ্গে পরবর্তী বৈঠকে লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ জানাবে। এর আগে ২০২৩ সালে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে এক বছরের বেশি সময় ধরে সংঘর্ষ চলে। ২০২৪ সালের শেষ দিকে তা দুই মাসের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়। নভেম্বরের যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে তা থামানোর চেষ্টা করা হয়। তবে আগের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও ইসরাইল লেবাননে হামলা চালিয়ে যায় এবং সীমান্তের পাঁচটি স্থানে সেনা অবস্থান বজায় রাখে। লেবাননের পরিবেশমন্ত্রী তামারা জেইন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত এই আগ্রাসন বাস্তবে থামেনি, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ রেখে গেছে। এ সময়ে ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হয়েছে। জেইন বলেন, ইসরাইলি হামলায় আবাসিক এলাকা, বেসামরিক অবকাঠামো এবং উপাসনালয়ও রেহাই পায়নি। এতে কৃষিজমি ও বনাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের মাঝে পাটের তৈরি ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করবে সরকার
শিক্ষার্থীদের মাঝে পাটের তৈরি ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করবে সরকার
‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপে কমছে ভোগান্তি
‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপে কমছে ভোগান্তি
দেশে ‘পরিবেশ পুলিশ’ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ
দেশে ‘পরিবেশ পুলিশ’ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ
বিকল্প শ্রম বাজারের সন্ধানে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
বিকল্প শ্রম বাজারের সন্ধানে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানিগুলোকে সুশাসন কাঠামোর আওতায় আনার কাজ চলছে: বিএসইসি চেয়ারম্যান
পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানিগুলোকে সুশাসন কাঠামোর আওতায় আনার কাজ চলছে: বিএসইসি চেয়ারম্যান
ঢাকা, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস): বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেছেন, পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানিগুলোকে সুশাসন কাঠামোর আওতায় আনার কাজ চলছে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সব নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যাতে পুঁজিবাজারকে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই ভিত্তিতে উন্নত করা যায়। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ বিএসইসির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে কমিশন সচেষ্ট রয়েছে। এজন্য তিনি পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর উদ্যোগে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আজ বৃহস্পতিবার বিএসইসি’র মাল্টিপারপাস হলে ‘আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থের ব্যবহার, ঋণ পরিশোধ অথবা ইস্যুয়ার কোম্পানির বিনিয়োগ সংক্রান্ত আলোচনা সভা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) থেকে সংগৃহীত অর্থের ব্যবহার, ঋণ পরিশোধ ও বিনিয়োগ নীতিমালা এবং পুঁজিবাজারের সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় কমিশনের কমিশনারবৃন্দসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।  সভায় বিএসইসি চেয়ারম্যান নতুন পাবলিক ইস্যু রুলস অনুযায়ী আইপিও আবেদন, তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়া এবং আইপিও তহবিল ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।  সভায় অংশীজনরা বলেন, বৈশ্বিক বাস্তবতার আলোকে আইপিও তহবিল ব্যবহারে আরও নমনীয়তা প্রয়োজন।  তারা আইপিও তহবিলের ব্যবহার, বিশেষ করে ঋণ পরিশোধ ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা, এর বাস্তব প্রয়োগ এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এছাড়া স্বল্পমেয়াদি আমানতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পুঁজিবাজারভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন বাড়ানো প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তারা। অংশীজনরা আইপিও তহবিল থেকে ঋণ পরিশোধে আরও নমনীয় নীতি গ্রহণের প্রস্তাব দেন। একইসঙ্গে পুনঃতফসিলকৃত এবং নিয়মিত ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রেও এ তহবিল ব্যবহারের সুযোগ সম্প্রসারণের দাবি জানান।  অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইপিও তহবিল ব্যবহার করে ঋণ পরিশোধে তুলনামূলক কম বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই বৈশ্বিক মানদণ্ড বিবেচনায় এ ক্ষেত্রে সুযোগ সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী বলেন, আইপিও তহবিল সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না এবং তা প্রকল্পের জন্য সত্যিকার অর্থে লাভজনক কি নাÑ তা গভীরভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তিনি উচ্চাভিলাষী প্রকল্পে শুধু সুনামের ভিত্তিতে তহবিল ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)-এর চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক অর্থনীতিতে টিকে থাকতে শক্তিশালী পুঁজিবাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নের ওপর জোর দেন। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুর আরেফিন বলেন, উৎপাদন বা সম্প্রসারণমূলক ঋণ আইপিও তহবিল দিয়ে পরিশোধের মাধ্যমে আর্থিক পুনর্গঠন (ক্যাপিটাল রিস্ট্রাকচারিং) করার সুযোগ থাকা উচিত। তবে এ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত ও নিরীক্ষিত ব্যবস্থা বজায় রাখা প্রয়োজন। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি)-এর প্রেসিডেন্ট রিয়াদ মাহমুদ বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে ভালো কোম্পানিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই কঠোর নীতির পাশাপাশি বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নমনীয়তা প্রয়োজন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই)-এর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, কোম্পানির জন্য উপকারী হলে আইপিও তহবিল দিয়ে ঋণ পরিশোধের সুযোগ থাকা উচিত, তবে তা যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) প্রেসিডেন্ট কামরান তানভিরুর রহমান বলেন, দেশে স্বল্পমেয়াদি আমানত দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন করা হচ্ছে, যা টেকসই নয়। তাই পুঁজিবাজার থেকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন বাড়াতে নীতিগত সমন্বয় জরুরি। সভায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ), বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) এবং অন্যান্য পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতারাও অংশ নেন।
তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য খাতেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী ইতালি 
তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য খাতেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী ইতালি 
পান রপ্তানিতে প্রত্যয়ন শর্ত বাতিল : বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা জারি
পান রপ্তানিতে প্রত্যয়ন শর্ত বাতিল : বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা জারি
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
কর্মজীবী নারীদের শিক্ষাবঞ্চিত শিশু
ঢাবি ক্যাম্পাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান
সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিল সংক্রান্ত আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
জাতীয়তাবাদী চারু ও কারুশিল্পী দলের ‘সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন
পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানিগুলোকে সুশাসন কাঠামোর আওতায় আনার কাজ চলছে: বিএসইসি চেয়ারম্যান
ছাত্র রাজনীতি নিয়ে সংসদে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন : এ্যানি
বিশ্বকাপে ইয়ামালের খেলার প্রত্যাশা করছে বার্সেলোনা
অমিতের সেঞ্চুরিতে ৭৪ রানে এগিয়ে ইস্ট জোন
চবিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
১০
কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ২৪,৮০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২
কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ২৪,৮০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২
ঢাকা, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজারের রামু উপজেলার মরিচ্যা এলাকায় যৌথ চেকপোস্টের মাধ্যমে ২৪ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবাসহ দুই জনকে আটক করেছে।   গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) যৌথ চেকপোস্টের মাধ্যমে ঢাকাগামী একটি কাভার্ড ভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে ইয়াবাসহ দুই জনকে আটক করা হয়।  রামু ব্যাটালিয়নের (৩০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গাড়ির চালক মো. রাসেল ফরাজি (৪০) এবং অন্য আরোহী মেহেদী হাসান টিপুর (২২) গতিবিধি ও কথাবার্তা অসংগতিপূর্ণ হওয়ায় গাড়িটি তল্লাশি করা হয়।  তল্লাশি করে কাভার্ড ভ্যানের চালকের সিটের নিচে বিশেষভাবে লুকায়িত অবস্থায় ২৪ হাজার ৮০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৭৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আটককৃত রাসেল ফরাজী বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বরপাশা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে এবং মেহেদী হাসান টিপু কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার খাড়াখাল গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।  তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে  চাল বিতরণ
রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে  চাল বিতরণ
চট্টগ্রামে পুলিশের অভিযানে ১৫ মামলার আসামি গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পুলিশের অভিযানে ১৫ মামলার আসামি গ্রেফতার
চবিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
চবিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে : মন্ত্রী
দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নে সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে : মন্ত্রী
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২,৮৪২ সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু : শিক্ষামন্ত্রী
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২,৮৪২ সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু : শিক্ষামন্ত্রী
ঢাবি ফার্মেসী অনুষদে আধুনিক লাইব্রেরি, ন্যানোটেকনোলজি ও সেল কালচার ল্যাব উদ্বোধন
ঢাবি ফার্মেসী অনুষদে আধুনিক লাইব্রেরি, ন্যানোটেকনোলজি ও সেল কালচার ল্যাব উদ্বোধন
এআই ছবি ছড়িয়ে বাংলাদেশী হজযাত্রীদের দুর্ঘটনায় মৃত্যুর গুজব শনাক্ত: ফ্যাক্টওয়াচ
এআই ছবি ছড়িয়ে বাংলাদেশী হজযাত্রীদের দুর্ঘটনায় মৃত্যুর গুজব শনাক্ত: ফ্যাক্টওয়াচ
খাল খননের বিষয়ে ডা. জাহেদ উর রহমানের বক্তব্য বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন : বাংলাফ্যাক্ট
খাল খননের বিষয়ে ডা. জাহেদ উর রহমানের বক্তব্য বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন : বাংলাফ্যাক্ট
ভুয়া নিয়োগপত্রে প্রতারণার চেষ্টা, সতর্ক করল ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ভুয়া নিয়োগপত্রে প্রতারণার চেষ্টা, সতর্ক করল ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার’ শীর্ষক সংবাদটি সঠিক নয় : বিপিসি
‘দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার’ শীর্ষক সংবাদটি সঠিক নয় : বিপিসি
অমিতের সেঞ্চুরিতে ৭৪ রানে এগিয়ে ইস্ট জোন
অমিতের সেঞ্চুরিতে ৭৪ রানে এগিয়ে ইস্ট জোন
শান্ত-মুস্তাফিজ নৈপুন্যে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
শান্ত-মুস্তাফিজ নৈপুন্যে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
বিশ্বকাপে ইয়ামালের খেলার প্রত্যাশা করছে বার্সেলোনা
বিশ্বকাপে ইয়ামালের খেলার প্রত্যাশা করছে বার্সেলোনা
চট্টগ্রামে দেড়শ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি ম্যাচ
চট্টগ্রামে দেড়শ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি ম্যাচ
মুশফিক-নাইমের ১৩ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙলেন শান্ত-লিটন
মুশফিক-নাইমের ১৩ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙলেন শান্ত-লিটন
নারী দলের পর পুরুষ দলেরও দাপুটে পারফরম্যান্স
নারী দলের পর পুরুষ দলেরও দাপুটে পারফরম্যান্স
১০ উইকেটের বড় জয়ে বিসিএল শুরু নর্থ জোনের
১০ উইকেটের বড় জয়ে বিসিএল শুরু নর্থ জোনের

নামাজের ওয়াক্ত শুরু

তারিখ : ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্রনাথ ও ময়মনসিংহে কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি
কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্রনাথ ও ময়মনসিংহে কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি
কবি রেজাউদ্দিন স্টালিনের লেখা কবিতা নিয়ে বিশেষ আবৃত্তি অনুষ্ঠিত
কবি রেজাউদ্দিন স্টালিনের লেখা কবিতা নিয়ে বিশেষ আবৃত্তি অনুষ্ঠিত
টিভি চ্যানেলে উপেক্ষিত শৈশব: দেশীয় বিনোদনের অভাবে ঝুঁকছে ভিনদেশি সংস্কৃতিতে
টিভি চ্যানেলে উপেক্ষিত শৈশব: দেশীয় বিনোদনের অভাবে ঝুঁকছে ভিনদেশি সংস্কৃতিতে
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
দেশে অসংক্রামক রোগে মৃত্যু ৭১ শতাংশ, দায়ী চিনি-লবণ-ট্রান্সফ্যাট
দেশে অসংক্রামক রোগে মৃত্যু ৭১ শতাংশ, দায়ী চিনি-লবণ-ট্রান্সফ্যাট
ডেঙ্গুতে আরও ৩১ জন হাসপাতালে ভর্তি
প্রোস্টেট সমস্যায় হারবাল ওষুধের সেবন নিয়ে চিকিৎসকদের সতর্কতা
ইকো-ট্যুরিজমের প্রসারে বাংলাদেশ ও কানাডার কাজের সুযোগ রয়েছে : পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
ইকো-ট্যুরিজমের প্রসারে বাংলাদেশ ও কানাডার কাজের সুযোগ রয়েছে : পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
পর্যটন খাতের অগ্রগতিতে নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
নাটোরের উত্তরা গণভবনে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে পারিজাত
নড়াইলে বোরোর ব্যাপক ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
নড়াইলে বোরোর ব্যাপক ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
কোরবানির গরু প্রস্তুত করতে ব্যস্ত বীরগঞ্জের খামারিরা 
ঠাকুরগাঁওয়ে বিসিকের উদ্যোগে মিষ্টি কুমড়ার মাঠে মৌচাষ