শিরোনাম

শরীয়তপুর, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : পদ্মা মেঘনা বিধৌত শরীয়তপুরের চরাঞ্চলে মূলত পলি যুক্ত ও দোআঁশ মাটি বিদ্যমান। এ মাটি পেঁয়াজ চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় জেলার জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ চারাঞ্চলীয় জমিতে পেঁয়াজের ব্যাপক চাষ হয়েছে।
এ বছর পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে বলে শরীয়তপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রটি জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ হাজার ৩৫২ হেক্টর জমিতে। চাষ হয়েছে ৪ হাজার ৬৫২ হেক্টরে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩০০ হেক্টর বেশি।
ইতোমধ্যে মুড়ি কাঁটা পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে। ফলে, পেঁয়াজের দামও কমতে শুরু করেছে। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ পঞ্চাশ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
জানা গেছে, জেলায় মোট পেঁয়াজের চাহিদা ২৯ হাজার ৭৭২ টন। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬১ হাজার ৫১ টন। যা চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ।
এদিকে পেঁয়াজের ভালো ফলনে চাষীরা খুশি থাকলেও ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন।
নাওডোবার পেঁয়াজ চাষী তবারক আলী জানিয়েছেন, ঋণ করে পেঁয়াজ চাষ করেছি। ন্যায্য দাম না পেলে পথে বসতে হবে। তিনি ন্যায্য দাম নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন জানান, আবহাওয়া ভালো থাকায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হবে। ইতোমধ্যেই পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।