দেশের মানুষ তাদের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের মানুষ তাদের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছে: প্রধানমন্ত্রী
জিয়াবাড়িতে তারেক রহমানকে পেয়ে আবেগ আপ্লুত স্বজনরা 
জিয়াবাড়িতে তারেক রহমানকে পেয়ে আবেগ আপ্লুত স্বজনরা 
বগুড়া প্রেসক্লাব ভবন ও মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বগুড়া প্রেসক্লাব ভবন ও মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাগবাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাগবাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মাদকাসক্তি মোকাবিলা এবং চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য করতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার
মাদক ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে : আইজিপি
মাদক ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে : আইজিপি
ঢাকা, ২০ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, মাদক ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি আজ সোমবার সিআইডি সদর দপ্তর, ঢাকায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভার (জানুয়ারি-মার্চ ২০২৬) সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। আইজিপি বলেন, নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তিকে আরও শক্তিশালী ও জনবান্ধব করতে। তিনি বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। একটি সফল জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা নতুন করে আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে এবং জনগণের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আইজিপি বলেন, সিআইডি দেশের অপরাধ তদন্ত ব্যবস্থায় এপেক্স সংস্থা হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।  সিআইডির সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, আইনগত ক্ষমতা ও দায়িত্ববোধ দেশের বিচার ও আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করে তুলছে। তিনি সকল সদস্যকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক কর্মকর্তা-সদস্যকে নিজ কর্মক্ষেত্রকে দায়িত্ব ও সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে নিজের সক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে। সিআইডির তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা অত্যন্ত উচ্চ। তাই তদন্তের গতি, গুণগত মান ও সময়মতো নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে আরও পেশাদার ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ কর্তৃক মামলার অগ্রগতি তদারকির পাশাপাশি তদন্তকারী কর্মকর্তারাও দায়িত্ববোধ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। পুলিশ বাহিনীর নৈতিকতা ও সততা প্রশ্নবিদ্ধ হলে পুরো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা অনিয়ম থেকে সম্পূর্ণ বিরত থেকে পেশাদার আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। আইজিপি অপরাধের মূল কারণ বিশ্লেষণ করে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে রেসপন্স টিম সর্বদা প্রস্তুত রাখতে হবে। পুলিশকে জনগণের আস্থা ও সম্মানের জায়গায় আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সিআইডির প্রচেষ্টাকে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি প্রধান অতিথিকে স্বাগত জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, গত দুই দিনের ক্রাইম কনফারেন্সে জেলা পর্যায়, বিশেষায়িত ইউনিট ও সদর দপ্তরের সকল ইউনিট তাদের কার্যক্রম, অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে। আলোচনা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশের ভিত্তিতে একটি বাস্তবসম্মত ফলো-আপ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যা আগামী তিন মাসে বাস্তবায়ন করা হবে। সিআইডি প্রধান আরও বলেন, পুলিশ বাহিনী সাম্প্রতিক চ্যালেঞ্জিং সময় সফলভাবে অতিক্রম করেছে, সফল জাতীয় নির্বাচন সম্পাদন তার একটি প্রমাণ। অতীতের চ্যালেঞ্জিং সময়কে পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। ক্রাইম সিন ব্যবস্থাপনায় কুইক রেসপন্স টিম গঠন, বিজ্ঞানভিত্তিক তদন্ত পদ্ধতি অনুসরণ করার নির্দেশনাও দেন তিনি। অনুষ্ঠানের শেষে সিআইডির বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাদের কৃতিত্বপূর্ণ ও সাহসী কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার প্রদান করা হয়। সভায় সদর দপ্তরের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জেলা ইউনিটসমূহের কর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করেন।
সকল নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে ডিএনসিসি: প্রশাসক
সকল নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে ডিএনসিসি: প্রশাসক
আহত চিকিৎসক আহমেদ হোসেনকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আহত চিকিৎসক আহমেদ হোসেনকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের
পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের
ঢাকা, ২০ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস): মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েকদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় আলোচনায় অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা বর্তমানে নেই বলে জানিয়েছে ইরান, দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার আলোচকদের পাকিস্তানে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার পর তেহরান এই অবস্থান জানায়। ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ অবরোধ একটি বড় অচলাবস্থার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন রোববার একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা একটি ইরানি জাহাজে গুলি চালিয়ে সেটি আটক করে। তেহরান জানিয়েছে, তারা এর জবাব দেবে। তাসনিম বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, ইরানের জাহাজ আটক হওয়ার পর দেশটি মার্কিন সামরিক জাহাজগুলোর দিকে ড্রোন পাঠিয়েছে। রোববার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি ইরানি সূত্রের বরাতে জানায়, ‘ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার পরবর্তী দফায় অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা বর্তমানে নেই।’ এর আগে ফার্স ও তাসনিম বার্তা সংস্থা অজ্ঞাত সূত্রের বরাতে জানায়, ‘সামগ্রিক পরিবেশ খুব ইতিবাচক বলা যায় না’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহারকে আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানায়, অবরোধ এবং ওয়াশিংটনের ‘অযৌক্তিক ও অবাস্তব দাবির’ কারণে ‘এই পরিস্থিতিতে ফলপ্রসূ আলোচনার কোনো স্পষ্ট সম্ভাবনা নেই।’ ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল- এই তিন পক্ষ বর্তমানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের আকস্মিক হামলার মাধ্যমে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, তা সাময়িকভাবে থামাতে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়। এ পর্যন্ত মাত্র এক দফা ২১ ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয়, যা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। তবে এরপর নতুন করে আলোচনা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছিল। ট্রাম্প রোববার এক বার্তায় বলেন, ‘আমরা একটি খুবই ন্যায্য ও যুক্তিসংগত চুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছি, আশা করি তারা তা গ্রহণ করবে।’ একই সঙ্গে তিনি চুক্তি না হলে ইরানের অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও পুনর্ব্যক্ত করেন। ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলা  যুদ্ধের শুরুতেই হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় ট্রাম্পের ওপর চাপ তৈরি হয়, কারণ এটি বিশ্বে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। প্রণালিটি খুলে দিতে ব্যর্থ হয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ আরোপ করে, যাতে তেহরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করা যায়। রোববার ট্রাম্প জানান, ‘তৌস্কা’ নামের একটি ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করলে মার্কিন নৌবাহিনী সেটিকে থামাতে গুলি চালায় এবং জাহাজটি আটক করে। তিনি বলেন, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে গুলি করে সেটিকে থামানো হয় এবং বর্তমানে মার্কিন মেরিন সদস্যরা জাহাজটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জাহাজটি পূর্বের অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পরে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ডের এক মুখপাত্র সতর্ক করে বলেন, ‘এই সশস্ত্র জলদস্যুতা ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে শিগগিরই যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।’ তাসনিম বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, ‘তৌস্কা’ জাহাজে হামলা ও জব্দ করার পর ইরান মার্কিন সামরিক জাহাজগুলোর দিকে ড্রোন পাঠিয়েছে। লেবাননে ইসরাইল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতির পর শুক্রবার ইরান সাময়িকভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দিলেও যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ বজায় রাখায় পরদিনই তা আবার বন্ধ করে দেয়। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সতর্ক করে জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা ‘শত্রুর সঙ্গে সহযোগিতা’ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, এই অবরোধ যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন এবং ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে অবৈধ সামষ্টিক শাস্তি। শনিবার স্বল্প সময়ের জন্য প্রণালি খোলা থাকায় কিছু তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করলেও রোববার সকালে তা প্রায় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এর আগের দিন বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের গুলি ও হুমকির তিনটি ঘটনা প্রণালির ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি স্পষ্ট করে তোলে। নিরাপত্তা জোরদার পাকিস্তানে সম্ভাব্য আলোচনাকে কেন্দ্র করে রোববার ইসলামাবাদে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। শহরের বিভিন্ন সড়ক বন্ধ ও যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, পাশের শহর রাওয়ালপিন্ডিতেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তার আলোচক দল সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামাবাদ পৌঁছবে। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স; সঙ্গে থাকবেন মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। আলোচনার একটি প্রধান ইস্যু হলো ইরানের প্রায় অস্ত্রমানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত। ট্রাম্প শুক্রবার দাবি করেন, ইরান প্রায় ৪৪০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মজুত ‘কোথাও স্থানান্তর করা হবে না’ এবং যুক্তরাষ্ট্রকে তা হস্তান্তরের বিষয়টি আলোচনায় কখনোই ওঠেনি।
‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপে কমছে ভোগান্তি
‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপে কমছে ভোগান্তি
দেশে ‘পরিবেশ পুলিশ’ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ
দেশে ‘পরিবেশ পুলিশ’ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ
বিকল্প শ্রম বাজারের সন্ধানে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
বিকল্প শ্রম বাজারের সন্ধানে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ
জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ
বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন যুগের সূচনা করবে বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ 
বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন যুগের সূচনা করবে বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ 
ঢাকা, ২০ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষর একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইলফলক। এটি বাংলাদেশকে ধাপে ধাপে এলডিসি পর্যায়ের বিশেষ সুবিধার ওপর নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে নিয়মভিত্তিক ও প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রবেশের পথ তৈরি করছে। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশের (আইসিসিবি)’র সর্বশেষ ত্রৈমাসিক বুলেটিনের সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, এই চুক্তি শুধু একটি সাধারণ বাণিজ্য চুক্তি নয়, এটি একটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, যা এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে তুলতে সহায়তা করবে। এই চুক্তির মাধ্যমে জাপান বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত (ডিউটি-ফ্রি) প্রবেশাধিকার দিয়েছে। এতে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্য অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাকও রয়েছে। এটি বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশটি এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের পথে রয়েছে। সাধারণত এলডিসি থেকে বের হলে বিভিন্ন দেশে রপ্তানির ওপর শুল্ক আরোপ হয়। কিন্তু এই চুক্তির মাধ্যমে জাপানের মতো বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে বাংলাদেশ আগের মতোই সহজ শর্তে পণ্য রপ্তানি করতে পারবে। ফলে এলডিসি উত্তরণের পর রপ্তানিতে শুল্ক বেড়ে যাওয়ার যে বড় ঝুঁকিটি ছিল, বাংলাদেশ অনেকটাই তা কমাতে পেরেছে। শুল্ক সুবিধার বাইরে, এই ইপিএ চুক্তিটি অনেক বিস্তৃত ও আধুনিক। এতে শুধু পণ্য বাণিজ্য নয়, সেবা খাত, বিনিয়োগ, কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজ করা, মেধাস্বত্ব (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) এবং ডিজিটাল বাণিজ্য- এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাপান বাংলাদেশের জন্য ১২০টি সেবা খাত খুলে দিয়েছে, আর বাংলাদেশ জাপানের জন্য ৯৭টি খাত উন্মুক্ত করেছে। এর ফলে বাংলাদেশের দক্ষ কর্মীরা, বিশেষ করে আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কেয়ারগিভিং খাতে জাপানে কাজের নতুন সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে এই চুক্তি বাংলাদেশে বিশেষ করে উচ্চমূল্যের উৎপাদন খাত ও প্রযুক্তি খাতে জাপানের বিনিয়োগ বাড়াতে উৎসাহ দেবে। এতে নতুন প্রযুক্তি আসবে এবং দেশের শিল্প খাত আরও উন্নত হবে। এই ইপিএ চুক্তির আরেকটি বড় গুরুত্ব হলো- এটি বহু বছর ধরে বাংলাদেশের রপ্তানির তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরশীলতা বদলে দিতে পারে। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ এখন ইলেকট্রনিক্স, গাড়ির যন্ত্রাংশ (অটোমোটিভ কম্পোনেন্ট) এবং প্রক্রিয়াজাত পণ্যের মতো উচ্চমূল্যের খাতে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। এছাড়া, এই চুক্তির মাধ্যমে অশুল্ক বাধা কমবে এবং নিয়মকানুন আরও স্বচ্ছ হবে। এতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে এবং দেশটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতের দিকে তাকালে, বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ চুক্তিটি একটি শক্ত উদাহরণ তৈরি করেছে। এর ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আসিয়ান দেশগুলো এবং যুক্তরাজ্যের মতো বড় অর্থনীতির সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্ত হবে। সরকারের নীতিনির্ধারক এবং বেসরকারি খাত- দু’পক্ষই এই চুক্তিকে ভবিষ্যতের অন্যান্য ইপিএ ও ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ)-এর জন্য একটি মডেল হিসেবে দেখছে। এদিকে এই সময়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিটিও সামনে এসেছে। তবে এটি জাপানের ইপিএ’র মতো বিস্তৃত নয়, বরং কিছু শর্তযুক্ত এবং সীমিত। এই চুক্তিতে কিছু নির্দিষ্ট সুবিধা রয়েছে, যেমন-যুক্তরাষ্ট্রের তুলা বা কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার। কিন্তু এই শর্তের কারণে বাংলাদেশ ইচ্ছেমতো অন্য দেশ থেকে কাঁচামাল নিতে পারবে না। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যেতে পারে। জাপানের ইপিএ’র মতো এখানে সেবা খাত, বিনিয়োগ বা নিয়মকানুনে সহযোগিতার বিস্তৃত সুযোগ নেই। এছাড়া, সব ধরনের পণ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদে শুল্ক সুবিধার নিশ্চয়তাও দেয় না। আরেকটি বিষয় হলো, এই চুক্তি সরবরাহ ব্যবস্থা (সাপ্লাই চেইন) ও ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের সঙ্গে যুক্ত থাকায় কিছু ভূ-রাজনৈতিক চাপও তৈরি হতে পারে। তাই কিছু সুযোগ থাকলেও এই চুক্তির সীমাবদ্ধতাগুলো দেখায় যে দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশের আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য চুক্তি প্রয়োজন। সবকিছু মিলিয়ে এই উন্নয়নগুলো দেখায় যে, বাংলাদেশের বাণিজ্য কৌশলে একটি বড় পরিবর্তন আসছে। আগে যেখানে বিভিন্ন বিশেষ সুবিধার ওপর নির্ভরতা ছিল, এখন সেখানে অংশীদারিত্বভিত্তিক এবং নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক বাণিজ্যের দিকে এগোচ্ছে দেশ। তবে এই সুযোগগুলো পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে দেশের ভেতরেই প্রস্তুতি নিতে হবে। যেমন, পণ্যের মান নিশ্চিত করার ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা, পরিবহন ও বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করা, দক্ষ জনবল তৈরি করা এবং সঠিক ও সমন্বিত নীতিমালা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। এসব ঠিকভাবে করতে পারলে বাংলাদেশ এই সুযোগগুলোকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি বাড়াতে এবং শিল্পখাতে বড় পরিবর্তন আনতে পারবে। বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ শুধু একটি মাইলফলক নয়, এটি একটি বার্তা। এই চুক্তি দেখায় যে বাংলাদেশ এখন এলডিসি পরিচয়ের বাইরে গিয়ে একটি শক্তিশালী ও নিয়মভিত্তিক বাণিজ্য দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে প্রস্তুত। সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এই চুক্তির মাধ্যমে শিল্পখাতে উন্নয়ন, রপ্তানির বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি হবে। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হলো- এই বড় সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখা এবং একই ধরনের চুক্তি অন্যান্য উন্নত দেশের সঙ্গে করা।
ডিএসইতে সূচকের পতন, লেনদেন ৮২৪ কোটি টাকা ছাড়ালো
ডিএসইতে সূচকের পতন, লেনদেন ৮২৪ কোটি টাকা ছাড়ালো
চট্টগ্রাম বন্দরে দুই জাহাজের জ্বালানি খালাস, জলসীমায় আরও তিন জাহাজ
চট্টগ্রাম বন্দরে দুই জাহাজের জ্বালানি খালাস, জলসীমায় আরও তিন জাহাজ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
চট্টগ্রামে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫৩ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধ জব্দ
মাদক ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে : আইজিপি
তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৬০ জন গ্রেফতার
তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৬০ জন গ্রেফতার
বগুড়া প্রেসক্লাব ভবন ও মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জিয়াবাড়িতে তারেক রহমানকে পেয়ে আবেগ আপ্লুত স্বজনরা 
একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গ্রন্থাগারের ভূমিকা অনস্বীকার্য : সংস্কৃতি মন্ত্রী
উন্নয়নের নামে গত ১৭ বছর প্রতারণা হয়েছে
ভারত থেকে ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাম্পিং শুরু
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী আহমেদ আযম খান
১০
কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণের উপর তিনমাসের নিষেধাজ্ঞা 
কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণের উপর তিনমাসের নিষেধাজ্ঞা 
রাঙ্গামাটি, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (বাসস): জেলায় কাপ্তাই হ্রদে মাছের নিরাপদ বংশবৃদ্ধি, প্রজনন, ও স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে জেলার কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণের ওপর তিনমাসের নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা প্রশাসন। আজ সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসন আয়োজিত কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ ও বাজারজাতকরণে উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ সংক্রান্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৪ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত তিনমাস পর্যন্ত  সব ধরনের মৎস্য আহরণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।  রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের  ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক  কর্মকর্তা ইশতিয়াক হায়দার, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী নৌ পুলিশ সুপার আবু মো. দিলওয়ার হাসান ইনাম, রাঙ্গামাটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দীন চৌধুরী, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমানসহ জেলে ও মৎস্যজীবী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ‎‎সভায় কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি প্রচারের জন্য সড়ক ও নৌপথে মাইকিং করে সকলকে অবগত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পাশাপাশি অবৈধ মাছ আহরণ রোধে কাপ্তাই হ্রদে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় । এ বিষয়ে রাঙ্গামাটি ‎জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানান, চলতি  মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, বংশবৃদ্ধি ও বিকাশের স্বার্থে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে কাপ্তাই হ্রদের ওপর নির্ভরশীল কার্ডধারী জেলেদের ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে সরকারীভাবে খাদ্যশষ্য বিতরণ করা হবে।  
চাঁদপুরে অনিয়মের দায়ে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা 
চাঁদপুরে অনিয়মের দায়ে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা 
সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ 
সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ 
জবি দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পে সংশোধিত নকশা ও ডকুমেন্ট হস্তান্তর সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত
জবি দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পে সংশোধিত নকশা ও ডকুমেন্ট হস্তান্তর সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত
জবিতে অপারেশন সার্চলাইট ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
জবিতে অপারেশন সার্চলাইট ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
ইউজিসি’র প্রকল্পসমূহের বাহুল্য খরচ কমাতে হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান
ইউজিসি’র প্রকল্পসমূহের বাহুল্য খরচ কমাতে হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান
চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসিতে এবার অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৬৮ শিক্ষার্থী
চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসিতে এবার অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৬৮ শিক্ষার্থী
‘দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার’ শীর্ষক সংবাদটি সঠিক নয় : বিপিসি
‘দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার’ শীর্ষক সংবাদটি সঠিক নয় : বিপিসি
অবসর প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিবের মন্তব্যকে বিকৃত করে অপপ্রচার শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট
অবসর প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিবের মন্তব্যকে বিকৃত করে অপপ্রচার শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট
ভিন্ন ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে ছাত্রনেতা আবিদকে নিয়ে অপপ্রচার শনাক্ত: রিউমার স্ক্যানার
ভিন্ন ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে ছাত্রনেতা আবিদকে নিয়ে অপপ্রচার শনাক্ত: রিউমার স্ক্যানার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ছবিযুক্ত ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে অপপ্রচার শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ছবিযুক্ত ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে অপপ্রচার শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট
জুনের শুরুতে বিসিবি নির্বাচনের পরিকল্পনা তামিমের
জুনের শুরুতে বিসিবি নির্বাচনের পরিকল্পনা তামিমের
তানজিমকে ফিরিয়ে তৃতীয় ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তানজিমকে ফিরিয়ে তৃতীয় ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
সঠিক লাইন-লেন্থে বল করে সফল রানা
সঠিক লাইন-লেন্থে বল করে সফল রানা
রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ
রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ
শ্রীলংকাকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল
শ্রীলংকাকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল
রুবেলকে বিদায়ী সম্মাননা জানাল বিসিবি
রুবেলকে বিদায়ী সম্মাননা জানাল বিসিবি
রুবেল-আফতাবের পর রানা
রুবেল-আফতাবের পর রানা

নামাজের ওয়াক্ত শুরু

তারিখ : ২১ এপ্রিল, ২০২৬
কবি রেজাউদ্দিন স্টালিনের লেখা কবিতা নিয়ে বিশেষ আবৃত্তি অনুষ্ঠিত
কবি রেজাউদ্দিন স্টালিনের লেখা কবিতা নিয়ে বিশেষ আবৃত্তি অনুষ্ঠিত
টিভি চ্যানেলে উপেক্ষিত শৈশব: দেশীয় বিনোদনের অভাবে ঝুঁকছে ভিনদেশি সংস্কৃতিতে
টিভি চ্যানেলে উপেক্ষিত শৈশব: দেশীয় বিনোদনের অভাবে ঝুঁকছে ভিনদেশি সংস্কৃতিতে
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা : সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১৪ মে
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা : সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১৪ মে
মানবদেহে হরমোনের সঠিক ভারসাম্য রক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন চিকিৎসকরা
মানবদেহে হরমোনের সঠিক ভারসাম্য রক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন চিকিৎসকরা
হামের টিকাদান কর্মসূচিতে ১৫ লাখ সিরিঞ্জ দিচ্ছে ব্র্যাক
টিকাদানের মাধ্যমেই হামকে প্রতিরোধ করা সম্ভব: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
পর্যটন খাতের অগ্রগতিতে নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
পর্যটন খাতের অগ্রগতিতে নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
নাটোরের উত্তরা গণভবনে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে পারিজাত
দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী ৫টি দিঘী কালের সাক্ষী
সংরক্ষিত ধানের ক্ষতি কমাতে র্স্মাট আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন 
সংরক্ষিত ধানের ক্ষতি কমাতে র্স্মাট আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন 
মুন্সীগঞ্জে বিনামূল্যে আউশ ধান বীজ ও সার বিতরণ
কৃষকের ঝুঁকি কমাতে বিকল্প ফসল ব্যবস্থার পরামর্শ সার্ক কৃষি কেন্দ্রের