দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা
দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা
বিদায় ২০২৫, স্বাগতম ২০২৬
বিদায় ২০২৫, স্বাগতম ২০২৬
ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ কার্যকর, ই-সিগারেটসহ সব উদীয়মান তামাকপণ্য নিষিদ্ধ
ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ কার্যকর, ই-সিগারেটসহ সব উদীয়মান তামাকপণ্য নিষিদ্ধ
পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে : তারেক রহমান
পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে : তারেক রহমান
সারাদেশে স্কুলগুলোর জন্য ২৪ কোটি বই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে : এনসিটিবি
সারাদেশে স্কুলগুলোর জন্য ২৪ কোটি বই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে : এনসিটিবি
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শোককে শক্তিতে পরিণত করতে চাই : সালাহউদ্দিন
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শোককে শক্তিতে পরিণত করতে চাই : সালাহউদ্দিন
বছরের প্রথম দিনে নতুন পাঠ্যবই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা
বছরের প্রথম দিনে নতুন পাঠ্যবই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা
পহেলা জানুয়ারি সারাদেশের স্কুল শিক্ষার্থীদের বই দেওয়া হবে : এনসিটিবি চেয়ারম্যান
অর্থনীতিতে অবদানকারী টাঙ্গাইলের বিখ্যাত ‘করটিয়া’ হাট
অর্থনীতিতে অবদানকারী টাঙ্গাইলের বিখ্যাত ‘করটিয়া’ হাট
মহিউদ্দিন সুমন টাঙ্গাইল, ১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : জাতীয় অর্থনীতিতে অন্যতম অবদানকারী ও ব্যবসা বাণিজ্যের ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি টাঙ্গাইলের বিখ্যাত ‘করটিয়ার হাট’। করটিয়া হাট শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্র নয়, এটি জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক। জমিদারি আমল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এই হাট অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সেই সঙ্গে এ হাট টাঙ্গাইল জেলার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো হাট এই করটিয়া। এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাইকারি কাপড়ের হাট এবং টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি বিক্রয়ের প্রধান কেন্দ্র। যেখানে তাঁতশিল্পের ঐতিহ্য সুলভ মূল্যে শাড়ি ও বিভিন্ন পোশাকের ব্যবসা-বাণিজ্য ও ব্যবসায়ীদের মিলনমেলা ঘটে। যা স্থানীয় অর্থনীতি ও দেশীয় বস্ত্রশিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রতি সপ্তাহে এই হাটে প্রায় ৩০ কোটি টাকা বাণিজ্য হয়ে থাকে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। জেলা শহর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ করটিয়া হাট। তুলনামূলকভাবে কম দাম এবং বিখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ির প্রাপ্যতা থাকার কারণে এই স্থানটি ধীরে ধীরে সারাদেশে এবং স্থানীয়দের পাশাপাশি শাড়ি ব্যবসায়ীদের দ্বারা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। টাঙ্গাইলের দক্ষ কারিগররা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বিভিন্ন ধরনের বিখ্যাত পোশাক প্রস্তুত করে আসছে। টাঙ্গাইলের দক্ষ কারিগররা যখন অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তখন তাদের পোশাকগুলি দেশের অভ্যন্তরে এবং বিদেশের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন করটিয়া হাটের বিক্রেতারা। ইতিহাস বলছে, করটিয়া হাটের ইতিহাস টাঙ্গাইল শাড়ির ইতিহাসের সাথে জড়িত। এ হাটের প্রতিষ্ঠার সময় আনুমানিক ১৮০০ সালের দিকে। করটিয়া হাটের ইতিহাস করটিয়ার জমিদারদের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় মূলত করটিয়া জমিদারদের শাসনামলে, যখন এই অঞ্চলে কৃষি ও তাঁতশিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল। জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ও তার পূর্বপুরুষরা এই হাটের গুরুত্ব বুঝতে পেরে এটিকে আরও সু-সংগঠিত করেন। প্রথমদিকে এটি ছিল স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত শস্য, গবাদিপশু ও তাঁতশিল্পের কাপড় কেনাবেচার একটি ছোট বাজার। পরবর্তীতে করটিয়া জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতায় হাটটি ধীরে ধীরে বৃহৎ আকার ধারণ করে এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসতে শুরু করে। ১৯শ ও ২০শ শতকে এটি বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। ব্রিটিশ আমলে করটিয়া হাট ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র, যেখানে ঢাকার ব্যবসায়ীরাও কেনাবেচা করতে আসতেন। জমিদারদের উদ্যোগে হাটে সু-শৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে ওঠে, যেখানে আলাদা আলাদা জায়গায় শস্য, কাপড়, গবাদিপশু ও অন্যান্য পণ্য বেচাকেনা হতো। পাকিস্তান আমলে এটি আরও প্রসারিত হয় এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এখানে বড় পরিসরে ব্যবসা শুরু করেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে করটিয়া হাট টাঙ্গাইল জেলার অন্যতম বৃহৎ বাজার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। বর্তমানে করটিয়া হাট শুধু একটি বাজার নয়, এটি টাঙ্গাইলের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়। স্থানীয় তাঁতশিল্পের পণ্য যেমন টাঙ্গাইলের শাড়ি, দেশীয় হস্তশিল্প ও কৃষিপণ্য এই হাটে ব্যাপকভাবে বিক্রি হয়। এটি দেশের প্রধান পাইকারি বাজার গুলোর মধ্যে অন্যতম। টাঙ্গাইল শাড়ির চাহিদা এবং দেশ ও বিদেশ থেকে ক্রেতাদের আগমন দেখে টাঙ্গাইলের বিখ্যাত করটিয়ার জমিদার পরিবার অষ্টাদশ শতাব্দীতে হাটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। পান্নি পরিবারের সদস্য ওয়াজেদ আলী খান পান্নি ওরফে চাঁদ মিয়া করটিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় একটি হাঁট তৈরি করেছিলেন। সেই সময়ে করটিয়া ছিল একটি নদী বন্দর। কয়েক সপ্তাহ ধরে সেখানে হাট বসত। শাড়ি ছাড়াও গবাদিপশু, হস্তনির্মিত জিনিসপত্র এবং আরও অনেককিছু বিক্রি হতো। হাঁটটি প্রতিষ্ঠার পরে পাট এবং প্রাণি সম্পদের জন্য এটি বিখ্যাত হয়ে ওঠে। পরে এটি টাঙ্গাইল শাড়ির জন্য জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তৎকালীন জনপ্রিয় পরিবহন ব্যবস্থা ছিল নৌপথ। এই হাট ‘মাহমুদগঞ্জ কাপড়ের হাট’ নামেও পরিচিত ছিল। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করটিয়া হাট প্রায় ৪৫ একর জমিতে অবস্থিত। হাজার হাজার ব্যবসায়ী এখানে এসে ব্যবসা করছেন। শাড়ি ছাড়াও হাটটি শাল ও চাদরের জন্যও বিখ্যাত। এ ছাড়া জেলার কারিগরদের দ্বারা তৈরি শাল এখান থেকে ভারত, মায়ানমার সহ শীত প্রধান দেশগুলিতে রপ্তানি করা হয়। সাধারণত করটিয়া হাট সপ্তাহে দু’দিন বসে, মঙ্গলবার বিকেলে শুরু হয় এবং বৃহস্পতিবার বিকেলে শেষ হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকাররা এখান থেকে শাড়ি কিনে এনে দেশের সুপার শপে খুচরা মূল্যে বিক্রি করেন। টাঙ্গাইল শাড়ির পাশাপাশি মুদ্রিত শাড়িও এখানে পাওয়া যায়। এ হাটে বিক্রি করা শাড়ি গুলো টাঙ্গাইলের পাথরাইল, কালিহাতীর বল্লা, রামপুর, এনায়েতপুর, নরসিংদীর বাবুরহাট, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি, ঢাকার ইসলামপুরে পাওয়া যায়। এই হাটটির বিভিন্ন নকশাযুক্ত এবং রঙিন শাড়ি শহরের মেগা শপিং মলেও এখন পাওয়া। প্রবাদ বাক্যে আছে "চমচম, কাঁসারবাসন ও শাড়ি, এই তিনে টাঙ্গাইলে বাড়ি।" শুধু কথিত নয় বাস্তবেও তাই। মোট কথা দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীদের মিলনমেলা এই করটিয়া হাট। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, করটিয়া হাট সপ্তাহে দুইদিন মঙ্গলবার ও বুধবার বসে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে বুধবার বিকেল পর্যন্ত চলে পাইকারি বেচাকেনা। বৃহস্পতিবার চলে খুচরা বেচাকেনা। এদিন খুচরা কাপড়ের সঙ্গে চলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর বেচাকেনা। পাইকারি ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্ধেক দামে শাড়ি কাপড় কেনা যায়। কিন্তু খুচরা বিক্রয়ের সময় শাড়ি কাপড়ের দামটা তখন বেড়ে যায়। দেশের বিভিন্ন জেলার তৈরিকৃত প্রিন্টের বিভিন্ন প্রকার শাড়ি, থ্রিপিস পাওয়া যায়। এ ছাড়াও হাটে থান কাপড়, শার্ট, প্যান্ট পিস, পাঞ্জাবির কাপড়, ছাপা কাপড়, গামছা, ওড়না, তোয়ালে ও লুঙ্গির বেচাকেনা চোখে পড়ার মতো। বর্তমান শীত মৌসুমের ছেলে মেয়েদের সকল প্রকার শীতের কাপড় ও কম্বল সুলভ মূল্যে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করা হয় এ হাটে।  হাট ঘুরে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা পাইকারি দামে কাপড় বিক্রি করছেন। ক্রেতারাও পছন্দ মতো কাপড় কিনছেন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজার হাজার ক্রেতা আসেন তাদের পছন্দ মতো কেনাকাটা করছেন। ব্যবসায়ীরা জানান, মঙ্গলবার ভোর থেকেই হাজারো ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ঢল নামে এই হাটে। দেশের নানা প্রান্তের তৈরি কাপড় নায্য দামে বিক্রি হয় বলেই এই হাটটির এত সুনাম। বৃহৎ কাপড়ের হাটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে লাখো মানুষের জীবন ও জীবিকা। ব্যবসায়ীরা আরো জানান, এই হাটে দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা আসেন পাইকারি কাপড় কিনতে।আগের মতো তেমন বেচাকেনা নাই। ১০-১৫ বছর আগে এই হাটে ক্রেতাদের সমাগম আরো বেশি হতো বেচাকেনাও ভালো হতো। সুতার দাম বৃদ্ধি ও শ্রমিকদের মুজুরি বৃদ্ধিরকারণে অনেক তাঁত শিল্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কাপড়ের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই ঈদ মৌসুম এই হাটের সরগরম বাড়ে। এছাড়া অন্য সময় গুলোতে ক্রেতা বিক্রেতা একটু কম থাকে । বিশিষ্ট শাড়ি ব্যবসায়ী সামিউল ইসলাম জানান, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী করটিয়া হাটটি মূলত টাঙ্গাইল শাড়ি সহ দেশি-বিদেশি শাড়ি ক্রয় বিক্রয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এর পাশাপাশি বস্ত্র খাতে সকল পণ্য এ হাটে পাওয়া যায়। সারা দেশের ব্যবসায়ীরা এই হাটে এসে বেচাকেনা করেন। প্রতি সপ্তাহে এই হাটে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যবসা বাণিজ্য হয়। অপরদিকে এই হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো। যার কারণে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই নিরাপদে ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারেন। শাড়ির ব্যবসায়ী মিনহাজ মিয়া জানান, আমি ২৫ বছর ধরে এ হাটে টাঙ্গাইল শাড়ি বিক্রি করে আসছি। দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দেশের বাইরে থেকেও পাইকাররা আসে শাড়ি কিনতে। এখানে কাপড়ের দাম তুলনামূলকভাবে কম। এ জন্য মানুষ এ হাটে শাড়িসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এই হাটে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও কেনাকাটা করতে আসেন। দেশীয় থ্রি পিস তৈরির শোরুম ষড়্‌ঋতু এর ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম জানান, আমরা দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত করটিয়া হাটে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। আমরা মূলত দেশি থ্রিপিস বিক্রি করে থাকি। এই হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো। ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করতে আমাদের কোন সমস্যা হয় না। করটিয়া হাট পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মো. জিন্না মিয়া জানান, প্রায় ২০০ বছর পুরানো টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী এই করটিয়া হাট। এই হাট টি একটি কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে। এই হাটের ঐতিহ্য হলো সারা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এই হাটে এসে তাদের ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করে থাকেন। এই হাটে গামছা, লুঙ্গি, টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি, দেশে তৈরি থ্রি পিস, ইন্ডিয়ান শাড়ি, পাকিস্তান ও ইন্ডিয়ান থ্রি পিস, কম্বল, ছেলে-মেয়েদের শীতের কাপড় সহ বস্ত্রখাতে সকল পণ্য এই হাটে পাওয়া যায়। এই হাটে সপ্তাহে ৩০ কোটির টাকার  ব্যবসা-বাণিজ্য হয়ে থাকে। এ হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো। এখানে ছিনতাই ডাকাতির ঘটনার কোন নজির নেই। নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত পাহারাদার রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় হাটটি পরিচালিত হয়ে আসছে। হাটের উন্নয়নের জন্য আমরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। আমরা হাট পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে হাটটি কে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
পর্যটকদের পদচারণায় মুখর পাহাড়ি কন্যা রাঙামাটি
পর্যটকদের পদচারণায় মুখর পাহাড়ি কন্যা রাঙামাটি
স্ত্রীসহ ডিএমপি’র সাবেক যুগ্ম-কমিশনার বিপ্লব কুমারের ২৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
স্ত্রীসহ ডিএমপি’র সাবেক যুগ্ম-কমিশনার বিপ্লব কুমারের ২৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
গণতন্ত্র উত্তরণে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অনিবার্য
গণতন্ত্র উত্তরণে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অনিবার্য
গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া  
গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া  
খালেদা জিয়া : তাঁর তুলনা তিনি নিজেই
খালেদা জিয়া : তাঁর তুলনা তিনি নিজেই
মুক্তিযোদ্ধা খালেদা জিয়া
মুক্তিযোদ্ধা খালেদা জিয়া
সকল প্রকার জ্বালানি তেলের দাম কমল
সকল প্রকার জ্বালানি তেলের দাম কমল
ঢাকা, ১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : দেশের সকল সকল প্রকার জ্বালানি তেলের দাম ২ টাকা করে কমালো সরকার। আজ (বৃহস্পতিবার) বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস/বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এ লক্ষ্যে সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে জানুয়ারি মাসের জন্য তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিতকরণের নিমিত্ত ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০৪.০০ টাকা হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১০২.০০ টাকা, অকটেন ১২৪.০০ টাকা হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১২২.০০ টাকা, পেট্রোলের মূল্য ১২০.০০ টাকা হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১১৮.০০ টাকা এবং কেরোসিনের মূল্য ১১৬.০০ হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১১৪.০০ টাকায় পুনর্নির্ধারণ/সমন্বয় করা হয়েছে। এটি ১ জানুয়ারী (বৃহস্পতিবার) থেকে কার্যকর হবে।
বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় উৎস হতে পারে খনিজ সম্পদ
বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় উৎস হতে পারে খনিজ সম্পদ
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩.১৯ বিলিয়ন ডলার
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩.১৯ বিলিয়ন ডলার
জাতীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত পর্ব শুরু
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ কার্যকর, ই-সিগারেটসহ সব উদীয়মান তামাকপণ্য নিষিদ্ধ
নিউইয়র্কের মেয়রের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বামপন্থী মামদানি
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শোককে শক্তিতে পরিণত করতে চাই : সালাহউদ্দিন
নাটোরে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই
নতুন বছরের বই পেলো মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের শিক্ষার্থীরা
সারাদেশে স্কুলগুলোর জন্য ২৪ কোটি বই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে : এনসিটিবি
খাগড়াছড়িতে নতুন বই দিয়ে শুরু বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান কার্যক্রম
বছরের প্রথম দিনে নতুন পাঠ্যবই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা
সুইস স্কি রিসোর্ট ক্রঁ-মঁতানায় বিস্ফোরণে বিপূল সংখ্যক হতাহত
নববর্ষের আগে নীরব সিডনি, আতশবাজিতে ২০২৬-কে বরণ
১০
নাটোরে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই
নাটোরে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই
  \ ফারাজী আহম্মদ রফিক বাবন \ নাটোর, ১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : নতুন শিক্ষাবর্ষ ২০২৬-এর প্রথম দিনেই আজ বৃহস্পতিবার জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেয়ে হচ্ছে। নতুন বছরে জেলার প্রায় এক হাজার ৭০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌনে চার লাখ শিক্ষার্থীর হাতে যাবে ৩৯ লাখ বই। ইতোমধ্যে জেলায় প্রাথমিকের শতভাগসহ প্রাপ্ত ২৭ লাখ বই প্রদান করা হচ্ছে। নতুন শিক্ষাবর্ষে নাটোর জেলার চাহিদা অনুযায়ী প্রাথমিকের সকল পাঠ্যবই পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত প্রাথমিকের বই উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রম গত সপ্তাহেই শেষ হয়। আজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে এসব নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে অনানুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকের বিভিন্ন পর্যায়ে নাটোর জেলার এক হাজার ২২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক লাখ ৭৭ হাজার ৩৬০ জন। এসব শিক্ষার্থীর অনুকূলে মোট আট লাখ ৪১ হাজার ৫৯০ কপি বই বিদ্যালয় পর্যায়ে প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া জেলায় ৯৯২টি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ বছর থেকে পাঁচ বছরের অধিক বয়সী ৩১ হাজার ৯৪০ জন শিক্ষার্থীর জন্যে ৫৮ হাজার ৫০৪ সেট বই ও খাতা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে প্রদান করা হয়েছে। চার বছর থেকে চার বছরের অধিক বয়সী শিক্ষার্থীর জন্যে নির্বাচিত ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফ্লাস কার্ড, সংখ্যা চার্ট, ফিলিপ চার্ট এবং ১০ সেট করে বই প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবদুল হান্নান বাসসকে জানান, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সকল বই এবং প্রাক-প্রাথমিকের দুইটি শ্রেণীর বই, খাতা ও সকল শিক্ষা সহায়ক উপকরণ উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে বিদ্যালয় পর্যায়ে আগেই প্রদান করা হয়। আজ বিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের হাতে এসব বই হস্তান্তর করা হচ্ছে। অন্যদিকে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে জেলার ৪৭০টি স্কুল ও মাদ্রাসায় দুই লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর হাতে আজ ১৯ লাখ ৭১ হাজার বই পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে আজ থেকে। এরমধ্যে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর এবতেদায়ী, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর দাখিল, ষষ্ট থেকে নবম শ্রেণীর ভোকেশনাল ছাড়াও ষষ্ট থেকে নবম শ্রেণীর সাধারণ বই রয়েছে। জেলার মোট পাঠ্য বইয়ের চাহিদা ৩১ লাখ তিন হাজার। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে জেলার জন্যে সাধারণ বিভাগে ষষ্ঠ শ্রেণীর সকল বই পাওয়া গেছে, তবে সপ্তম শ্রেণীর কোন বই পাওয়া যায়নি। অষ্টম ও নবম শ্রেণীর অধিকাংশ বই পাওয়া গেছে। ভোকেশনাল পর্যায়ে ষষ্ট থেকে নবম শ্রেণীর সকল বই পাওয়া গেছে। এবতেদায়ী পর্যায়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর দুই-তৃতীয়াংশ বই পাওয়া গেছে।  তবে দাখিল পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত কোন বই এখনো পাওয়া যায়নি, শুধুমাত্র নবম শ্রেণীর আংশিক বই পাওয়া গেছে। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. রোস্তম আলী হেলালী বাসসকে জানান, মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রাপ্ত প্রায় ৬৪ শতাংশ বই আজ থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে হস্তান্তর করা হচ্ছে। অবশিষ্ট বই প্রাপ্তির সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছনোর ব্যবস্থাা করা হবে।
খাগড়াছড়িতে নতুন বই দিয়ে শুরু বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান কার্যক্রম
খাগড়াছড়িতে নতুন বই দিয়ে শুরু বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান কার্যক্রম
রাঙ্গামাটিতে বই বিতরণ উৎসব
রাঙ্গামাটিতে বই বিতরণ উৎসব
শিশুরাও ভিটামিন ডি স্বল্পতায় ভোগে
শিশুরাও ভিটামিন ডি স্বল্পতায় ভোগে
ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২০ জন
ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২০ জন
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১১১ জন হাসপাতালে ভর্তি 
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১১১ জন হাসপাতালে ভর্তি 
বিএমইউতে গবেষকদের গবেষণার অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত
বিএমইউতে গবেষকদের গবেষণার অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত
নতুন প্রধান বিচারপতিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সংবর্ধনা ৪ জানুয়ারি
নতুন প্রধান বিচারপতিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সংবর্ধনা ৪ জানুয়ারি
ঢাকা, ১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে আগামী ৪ জানুয়ারি সংবর্ধনা দেবে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  এতে আরও বলা হয়, নব-নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির জন্য সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে আগামী ৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় আপিল বিভাগের ১ নং এজলাস কক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সদয় সম্মতি জ্ঞাপন ও অনুমতি দিয়েছেন। দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে গত ২৮ ডিসেম্বর শপথ গ্রহণ করেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। ১৯৮৫ সালে তিনি জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। এর দু’বছর পর তিনি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হন। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। জুবায়ের রহমান চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি নেওয়ার পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরও একটি মাস্টার্স করেন।
শিল্পকলায় আগামীকাল মঞ্চায়িত হবে যাত্রাপালা ‘প্রেমের সমাধি তীরে’
শিল্পকলায় আগামীকাল মঞ্চায়িত হবে যাত্রাপালা ‘প্রেমের সমাধি তীরে’
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ১১১তম জন্মবার্ষিকীতে শিল্পকলার শ্রদ্ধাঞ্জলি
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ১১১তম জন্মবার্ষিকীতে শিল্পকলার শ্রদ্ধাঞ্জলি
ব্রিজিত বারদো: সব ছেড়ে প্রাণীদের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা পর্দার দেবী
ব্রিজিত বারদো: সব ছেড়ে প্রাণীদের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা পর্দার দেবী
শিল্পকলায় আগামীকাল মঞ্চায়িত হবে যাত্রাপালা ‘মেঘে ঢাকা তারা’ এবং ‘হাসি হাটে কান্না’
শিল্পকলায় আগামীকাল মঞ্চায়িত হবে যাত্রাপালা ‘মেঘে ঢাকা তারা’ এবং ‘হাসি হাটে কান্না’
বছরের প্রথম দিনে নতুন পাঠ্যবই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা
বছরের প্রথম দিনে নতুন পাঠ্যবই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা
নতুন বই পেয়ে খুশি কিশোরগঞ্জের প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা
নতুন বই পেয়ে খুশি কিশোরগঞ্জের প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা
চবিতে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত
চবিতে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশগ্রহণের সুবিধার্থে ঢাবি প্রশাসনের বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থা
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশগ্রহণের সুবিধার্থে ঢাবি প্রশাসনের বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থা
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার : ঢাবি সাদা দল
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার : ঢাবি সাদা দল
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাবিতে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরামের কালো ব্যাজ ধারণ
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাবিতে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরামের কালো ব্যাজ ধারণ
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বেরোবি উপাচার্যের শোক
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বেরোবি উপাচার্যের শোক

নামাজের ওয়াক্ত শুরু

তারিখ : ০১ জানুয়ারি, ২০২৬
বিপিএল সূচিতে পরিবর্তন, চট্টগ্রামে হচ্ছেনা কোন ম্যাচ
বিপিএল সূচিতে পরিবর্তন, চট্টগ্রামে হচ্ছেনা কোন ম্যাচ
টি২০ বিশ্বকাপ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের জন্য আফগানিস্তান দল ঘোষণা
টি২০ বিশ্বকাপ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের জন্য আফগানিস্তান দল ঘোষণা
টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে কাজ করবেন মালিঙ্গা
টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে কাজ করবেন মালিঙ্গা
বিগ ব্যাশ থেকে ছিটকে গেলেন শাহিন আফ্রিদি
বিগ ব্যাশ থেকে ছিটকে গেলেন শাহিন আফ্রিদি
দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা
দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা
সারাদেশে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে
২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ভাঙল তাপমাত্রার রেকর্ড
পর্যটকদের পদচারণায় মুখর পাহাড়ি কন্যা রাঙামাটি
পর্যটকদের পদচারণায় মুখর পাহাড়ি কন্যা রাঙামাটি
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তারকামানের হোটেলগুলো বাতিল করেছে থার্টি ফার্স্ট নাইটের আয়োজন
রূপকথায় ভরা নীলসাগর
শেরপুরে কৃষক সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন
শেরপুরে কৃষক সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন
চলতি মৌসুমে বগুড়ায় ব্যাপক পরিসরে আলু চাষ
দিনাজপুরে রঙিন ফুলকপি’র প্রদর্শনী