পোশাক শিল্পখাত থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বিজিএমই’র সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল
ঢাকা, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোশাক শিল্পখাত থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সম্মানে আজ এক সংবর্ধনা সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আর্মি গলফ ক্লাবের গলফ গার্ডেনে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এমপি এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ’র অফিস বেয়ারারগণ, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যগণ, সাধারণ সদস্যবৃন্দ, দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সংসদ সদস্যদের উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, পোশাক শিল্প পরিবারের সদস্যদের এই বিজয় সমগ্র খাতের বিজয়।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সংসদ সদস্যরা যখন মহান সংসদে নিজ নিজ এলাকার সমস্যা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলবেন, তখন এর সাথে সাথে তারা শিল্প নিয়েও কথা বলবেন। পোশাকখাতের উদ্যোক্তাদের নিরন্তর সংগ্রামের কথা তুলে ধরবেন। নবনির্বাচিত সাংসদগণ জাতীয় সংসদে পোশাক শিল্পের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
তিনি আরো আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সাংসদগণ রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, এবং ব্যবসা সহজীকরণ ও ব্যবসার পরিচালনা ব্যয় কমানো এবং সর্বোপরি অর্থনীতির স্বার্থে ন্যায়সঙ্গত সমাধান দেবেন।
অনুষ্ঠানে সাংসদদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন বিজিএমইএ’র সাবেক সহ-সভাপতি মো. লুৎফর রহমান, এমপি। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় পোশাক শিল্পের বিকাশ শুরু হয়। পোশাক শিল্প যেন আরো এগিয়ে যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতি যেন আরো শক্তিশালী হয়। সেজন্য পোশাকখাত থেকে নির্বাচিত সাংসদগণ সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবেন বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজিএমইএ’র ১ম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নবনির্বাচিত এমপিদের অভিজ্ঞতা জাতীয় সংসদে শিল্প ও বাণিজ্যবান্ধব নীতি প্রণয়নে সহায়ক হবে।
উল্লেখ্য, পোশাক শিল্প পরিবার থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত ১৬ জন সংসদ সদস্য হলেন— আহম্মদ সোহেল মনজুর (পিরোজপুর- ২), মো. লুৎফর রহমান (টাঙ্গাইল-৪), মোহাম্মদ জাকির হোসেন (ময়মনসিংহ-৫), মো, শরীফুল আলম (কিশোরগঞ্জ-৬), আফরোজা খানম (মানিকগঞ্জ-৩), মো. আব্দুল্লাহ (মুন্সীগঞ্জ-১), শামা ওবায়েদ ইসলাম (ফরিদপুর-২), খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর (সিলেট-১), এস. এম. ফয়সল (হবিগঞ্জ-৪), মো. খালেদ হোসেন মাহবুব (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), জাকারিয়া তাহের (কুমিল্লা-৮), মো. আবুল কালাম (কুমিল্লা - ৯), মো. আবদুল হান্নান (চাঁদপুর-৪), জয়নুল আবদিন ফারুক (নোয়াখালী-২), মো. শাহাদাত হোসেন (লক্ষ্মীপুর-১), এবং এরশাদ উল্লাহ (চট্টগ্রাম-৮)।