শিরোনাম

\ মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন \
ফেনী, ৭ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : ফেনী শহরের শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়কে স্থাপিত জহিরিয়া মসজিদ নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী আর প্রশান্তিময় পরিবেশ মুসল্লিদের মন কাড়ে। শহর ছাড়াও জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মুসল্লিরা ছুটে আসেন এই মসজিদে। এই মসজিদে একসঙ্গে অন্তত ৬ হাজারের বেশি মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। জুমার দিনে মসজিদ সংলগ্ন সড়কেও নামাজ আদায় করেন শত শত মুসল্লি।
১৯৪০ সালে জহির উদ্দিন নামে একজন সরকারি কর্মকর্তার দানকৃত জায়গায় মসজিদটি স্থাপিত হয়। তার নাম অনুসারেই মসজিদটির নামকরণ হয় বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে। মসজিদের পাশে দুই স্ত্রীসহ তাঁর কবর রয়েছে।
বর্তমান আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয় ২০০৬ সালে। ৫ তলা বিশিষ্ট ভবনটিতে নামাজ ও ইবাদত বন্দেগির পাশাপাশি নূরাণী মাদরাসা ও হিফজ্ বিভাগ চালু রয়েছে। ফলে প্রতি ওয়াক্ত নামাজে মুসল্লিদের সমাগম ছাড়াও সকালে শিশুদের কোলাহলে মুখরিত হয় মসজিদ ছাড়িয়ে আশপাশ। এছাড়া নিয়মিত কুরআনের তাফসির, বয়ষ্কদের কুরআন শিক্ষায়ও যোগ দেন শত শত মুসল্লি।
স্থানীয় বাসিন্দা সাঈদুল মিল্লাত মুক্তা বাসস’কে জানান, জেলার দাগনভূঞা উপজেলার কৈখালীর মিঞা বাড়ির বাসিন্দা জহির উদ্দিন মসজিদ নির্মাণকল্পে ৫৭ শতক জায়গা দান করেন। এরমধ্যে মসজিদটি ৩০শতক জায়গায় এবং তৎসংলগ্ন স্থানে একটি মার্কেট রয়েছে। ট্রাংক রোডে রয়েছে আরো ৭ শতক জায়গা। সেখানে আরো দেড় শতক জায়গা ক্রয় করে সাড়ে ৮ শতকের ওপর নির্মাণ করা হয়েছে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন ‘জহিরিয়া মার্কেট’। এছাড়া মসজিদ সংলগ্ন মার্কেটটিও ভেঙ্গে ১০তলা আধুনিক ভবন করা হচ্ছে। এখানে ৬তলা পর্যন্ত বাণিজ্যিক ও উপরের ৪তলায় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের আবাসন, হিফজখানা, নূরানী মাদ্রাসা ও মক্তব স্থানান্তর করা হবে। অবশ্য উল্লেখিত স্থানে মহিলাদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করার জন্যও দাবী রয়েছে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের।
২০০৬ সালে নতুন আঙ্গিকে মসজিদ নির্মাণ উপ-কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব দেয়া হয় তৎকালীন শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক হারুনকে। এরআগে তিনি দীর্ঘ সময় ফেনী বড় জামে মসজিদের সেক্রেটারী ছিলেন। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তার তত্ত্বাবধানে অত্যাধুনিক নকশায় নির্মিত হয় মসজিদ ভবনটি।
মো. ফারুক হারুন বাসস’কে জানান, মাত্র ২লক্ষ টাকা তহবিল নিয়ে কাজ শুরু করেন। ৫তলা বিশিষ্ট ভবনটি কাজ শেষ হতে ব্যয় হয় প্রায় ১০কোটি টাকা। কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এমনকি বিদেশী অনুদান ছাড়াই শুধুমাত্র মুসল্লিদের দানেই মসজিদটি গড়ে ওঠে। প্রথম ও দ্বিতীয় তলা সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।
পর্যায়ক্রমে উপরেও এই ব্যবস্থা নেয়া হবে। তার মতে সুউচ্ছ ছাদ, পর্যাপ্ত আলো বাতাসে স্বাস্থ্যকর আবহাওয়া, ওজু ও শৌচাগারের জন্য আরামদায়ক ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া বাহিরের নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী ও ভেতরের মনোরম পরিবেশ এখানে মুসল্লিদের প্রশান্তি দেয়। ফলে শহর ছাড়াও দূর দূরান্ত থেকেও প্রতিদিন শত শত মুসল্লি এখানে নামাজ পড়তে ছুটে আসেন। প্রতিটি ফ্লোরে দেড় হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। জুমার দিনে মসজিদ চাপিয়ে সড়কেও বিপুল সংখ্যক মুসল্লিকে নামাজ আদায় করতে দেখা যায়।
অপরদিকে রমজানে তারাবির নামাজ আদায় করতেও বহু মুসল্লি শহরের বাহিরে থেকে আসেন।
পবিত্র রমজান মাসে এখানে প্রতিদিন ইফতারের আয়োজন করা হয়। মসজিদের তৃতীয় তলায় হাজারো মুসল্লির সামনে সাজানো থাকে হরেক রকম ইফতারি। সাথে রয়েছে শরবত ও পানি। কোনদিন বুট-মুড়ি-খেজুর কিংবা কোনদিন বিরিয়ানী। আসরের পর থেকে রোজাদাররা দল বেঁধে সারিবদ্ধভাবে বসে যান।
ইফতারে শামিল হন নানা শ্রেণিপেশা ও বয়সের রোজাদাররা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মসজিদের তৃতীয় তলায় ইফতারে জমায়েত হন প্রায় দেড় হাজার মুসল্লি। ইফতার কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সোহেল জানান, সুষ্ঠুভাবে ইফতার পরিবেশনের জন্য মসজিদের ৮জন খাদেম ও ১০জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। এ আয়োজনে তদারকী করেন মুসল্লী প্রতিনিধি মো. ফারুক হারুন।
এমদাদুল হক বিপ্লব জানান, জহিরিয়া মসজিদে ইফতার আয়োজন ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। সওয়াবের উদ্দেশ্যে এই আয়োজনে অনেক ধর্ণাঢ্য ব্যক্তি সহায়তা করে থাকেন। গ্রামাঞ্চল থেকে শহরে অনেক মানুষ মসজিদের ইফতারে অংশ নেন।
এয়াকুব আলী হক সাব জানান, এখানে সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তৈরি করা হয় ইফতারি। স্বাস্থ্যসম্মত ইফতারি যাতে সবাই খেতে পারেন সেই চেষ্টা করা হয়।
মসজিদের মুসল্লী প্রতিনিধি মো. ফারুক হারুন বাসস’কে জানান, ‘২০০৭সালে মক্কায় হেরেম শরীফে ইতিকাফ করার সুবাদে গণ ইফতার দেখে এই ধরনের আয়োজনের স্বপ্ন দেখি।
এরপর ২০০৮সাল থেকে জহিরিয়া মসজিদে সেই আদলে ইফতার কার্যক্রম চালু করি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান মানিক জানান, শৈশব থেকেই তিনি এই মসজিদের মুসল্লি। একসময় বাবার হাত ধরে আসতেন আর এখন তার সন্তানরাও এই মসজিদে নিয়মিত নামাজ পড়েন।
তিনি বলেন জহিরিয়া মসজিদের ভেতর বাহিরের দৃশ্য দেখলে মন জুড়িয়ে যায়। বিশেষ করে হাজার হাজার মুসল্লি নামাজ আদায়ের পরও মসজিদের পরিবেশ সর্বদা পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচালনা কমিটি তৎপর থাকেন।
এছাড়া এখানকার ইমাম-মোয়াজ্জেনের সূরেলা কন্ঠও মুসল্লিদের আকর্ষ
ফেনীর জহিরিয়া মসজিদের নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী মুসল্লিদের মন কাড়ে
\ মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন \
ফেনী, ৭ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : ফেনী শহরের শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়কে স্থাপিত জহিরিয়া মসজিদ নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী আর প্রশান্তিময় পরিবেশ মুসল্লিদের মন কাড়ে। শহর ছাড়াও জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মুসল্লিরা ছুটে আসেন এই মসজিদে। এই মসজিদে একসঙ্গে অন্তত ৬ হাজারের বেশি মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। জুমার দিনে মসজিদ সংলগ্ন সড়কেও নামাজ আদায় করেন শত শত মুসল্লি।
১৯৪০ সালে জহির উদ্দিন নামে একজন সরকারি কর্মকর্তার দানকৃত জায়গায় মসজিদটি স্থাপিত হয়। তার নাম অনুসারেই মসজিদটির নামকরণ হয় বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে। মসজিদের পাশে দুই স্ত্রীসহ তাঁর কবর রয়েছে।
বর্তমান আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয় ২০০৬ সালে। ৫ তলা বিশিষ্ট ভবনটিতে নামাজ ও ইবাদত বন্দেগির পাশাপাশি নূরাণী মাদরাসা ও হিফজ্ বিভাগ চালু রয়েছে। ফলে প্রতি ওয়াক্ত নামাজে মুসল্লিদের সমাগম ছাড়াও সকালে শিশুদের কোলাহলে মুখরিত হয় মসজিদ ছাড়িয়ে আশপাশ। এছাড়া নিয়মিত কুরআনের তাফসির, বয়ষ্কদের কুরআন শিক্ষায়ও যোগ দেন শত শত মুসল্লি।
স্থানীয় বাসিন্দা সাঈদুল মিল্লাত মুক্তা বাসস’কে জানান, জেলার দাগনভূঞা উপজেলার কৈখালীর মিঞা বাড়ির বাসিন্দা জহির উদ্দিন মসজিদ নির্মাণকল্পে ৫৭ শতক জায়গা দান করেন। এরমধ্যে মসজিদটি ৩০শতক জায়গায় এবং তৎসংলগ্ন স্থানে একটি মার্কেট রয়েছে। ট্রাংক রোডে রয়েছে আরো ৭ শতক জায়গা। সেখানে আরো দেড় শতক জায়গা ক্রয় করে সাড়ে ৮ শতকের ওপর নির্মাণ করা হয়েছে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন ‘জহিরিয়া মার্কেট’। এছাড়া মসজিদ সংলগ্ন মার্কেটটিও ভেঙ্গে ১০তলা আধুনিক ভবন করা হচ্ছে। এখানে ৬তলা পর্যন্ত বাণিজ্যিক ও উপরের ৪তলায় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের আবাসন, হিফজখানা, নূরানী মাদ্রাসা ও মক্তব স্থানান্তর করা হবে। অবশ্য উল্লেখিত স্থানে মহিলাদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করার জন্যও দাবী রয়েছে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের।
২০০৬ সালে নতুন আঙ্গিকে মসজিদ নির্মাণ উপ-কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব দেয়া হয় তৎকালীন শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক হারুনকে। এরআগে তিনি দীর্ঘ সময় ফেনী বড় জামে মসজিদের সেক্রেটারী ছিলেন। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তার তত্ত্বাবধানে অত্যাধুনিক নকশায় নির্মিত হয় মসজিদ ভবনটি।
মো. ফারুক হারুন বাসস’কে জানান, মাত্র ২লক্ষ টাকা তহবিল নিয়ে কাজ শুরু করেন। ৫তলা বিশিষ্ট ভবনটি কাজ শেষ হতে ব্যয় হয় প্রায় ১০কোটি টাকা। কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এমনকি বিদেশী অনুদান ছাড়াই শুধুমাত্র মুসল্লিদের দানেই মসজিদটি গড়ে ওঠে। প্রথম ও দ্বিতীয় তলা সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।
পর্যায়ক্রমে উপরেও এই ব্যবস্থা নেয়া হবে। তার মতে সুউচ্ছ ছাদ, পর্যাপ্ত আলো বাতাসে স্বাস্থ্যকর আবহাওয়া, ওজু ও শৌচাগারের জন্য আরামদায়ক ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া বাহিরের নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী ও ভেতরের মনোরম পরিবেশ এখানে মুসল্লিদের প্রশান্তি দেয়। ফলে শহর ছাড়াও দূর দূরান্ত থেকেও প্রতিদিন শত শত মুসল্লি এখানে নামাজ পড়তে ছুটে আসেন। প্রতিটি ফ্লোরে দেড় হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। জুমার দিনে মসজিদ চাপিয়ে সড়কেও বিপুল সংখ্যক মুসল্লিকে নামাজ আদায় করতে দেখা যায়।
অপরদিকে রমজানে তারাবির নামাজ আদায় করতেও বহু মুসল্লি শহরের বাহিরে থেকে আসেন।
পবিত্র রমজান মাসে এখানে প্রতিদিন ইফতারের আয়োজন করা হয়। মসজিদের তৃতীয় তলায় হাজারো মুসল্লির সামনে সাজানো থাকে হরেক রকম ইফতারি। সাথে রয়েছে শরবত ও পানি। কোনদিন বুট-মুড়ি-খেজুর কিংবা কোনদিন বিরিয়ানী। আসরের পর থেকে রোজাদাররা দল বেঁধে সারিবদ্ধভাবে বসে যান।
ইফতারে শামিল হন নানা শ্রেণিপেশা ও বয়সের রোজাদাররা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মসজিদের তৃতীয় তলায় ইফতারে জমায়েত হন প্রায় দেড় হাজার মুসল্লি। ইফতার কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সোহেল জানান, সুষ্ঠুভাবে ইফতার পরিবেশনের জন্য মসজিদের ৮জন খাদেম ও ১০জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। এ আয়োজনে তদারকী করেন মুসল্লী প্রতিনিধি মো. ফারুক হারুন।
এমদাদুল হক বিপ্লব জানান, জহিরিয়া মসজিদে ইফতার আয়োজন ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। সওয়াবের উদ্দেশ্যে এই আয়োজনে অনেক ধর্ণাঢ্য ব্যক্তি সহায়তা করে থাকেন। গ্রামাঞ্চল থেকে শহরে অনেক মানুষ মসজিদের ইফতারে অংশ নেন।
এয়াকুব আলী হক সাব জানান, এখানে সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তৈরি করা হয় ইফতারি। স্বাস্থ্যসম্মত ইফতারি যাতে সবাই খেতে পারেন সেই চেষ্টা করা হয়।
মসজিদের মুসল্লী প্রতিনিধি মো. ফারুক হারুন বাসস’কে জানান, ‘২০০৭সালে মক্কায় হেরেম শরীফে ইতিকাফ করার সুবাদে গণ ইফতার দেখে এই ধরনের আয়োজনের স্বপ্ন দেখি।
এরপর ২০০৮সাল থেকে জহিরিয়া মসজিদে সেই আদলে ইফতার কার্যক্রম চালু করি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান মানিক জানান, শৈশব থেকেই তিনি এই মসজিদের মুসল্লি। একসময় বাবার হাত ধরে আসতেন আর এখন তার সন্তানরাও এই মসজিদে নিয়মিত নামাজ পড়েন।
তিনি বলেন জহিরিয়া মসজিদের ভেতর বাহিরের দৃশ্য দেখলে মন জুড়িয়ে যায়। বিশেষ করে হাজার হাজার মুসল্লি নামাজ আদায়ের পরও মসজিদের পরিবেশ সর্বদা পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচালনা কমিটি তৎপর থাকেন।
এছাড়া এখানকার ইমাম-মোয়াজ্জেনের সূরেলা কন্ঠও মুসল্লিদের আকর্ষণ করে।
মোহাম্মদ হোসাইন সুজন জানান, জহিরিয়া মসজিদের সুউচ্চ মিনার থেকে আজানের ধ্বনি পূরো শহর মুখরিত করে। আজানের সূর মুসল্লিদের মসজিদে যেতে ব্যাকুল করে তোলে।
জিয়াউল হক নামে অপর মুসল্লি বলেন, অত্র মসজিদের খতিব মুফতি ইলিয়াস বিন নাজেম এর চমৎকার ও বিষয় ভিত্তিক আলোচনা মুসল্লিদের মসজিদ মুখি করে। অনেকেই এখানে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করতে ছুটে আসেন।
করে।
মোহাম্মদ হোসাইন সুজন জানান, জহিরিয়া মসজিদের সুউচ্চ মিনার থেকে আজানের ধ্বনি পূরো শহর মুখরিত করে। আজানের সূর মুসল্লিদের মসজিদে যেতে ব্যাকুল করে তোলে।
জিয়াউল হক নামে অপর মুসল্লি বলেন, অত্র মসজিদের খতিব মুফতি ইলিয়াস বিন নাজেম এর চমৎকার ও বিষয় ভিত্তিক আলোচনা মুসল্লিদের মসজিদ মুখি করে। অনেকেই এখানে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করতে ছুটে আসেন।