বাসস
  ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:১৮

২০২৭ আফ্রিকান নেশন্স কাপের আয়োজক পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোর প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি সমালোচনা

ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ (বাসস) : পরবর্তী আফ্রিকান নেশন্স কাপ (এএফসিওএন) ২০২৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। তবে এরই মধ্যে যৌথ আয়োজক দেশ কেনিয়া, তানজানিয়া ও উগান্ডাকে ঘিরে আশ্বাসমূলক মন্তব্যের পাশাপাশি সমালোচনাও শুরু হয়েছে।

সদ্যসমাপ্ত আসরে মরক্কো ছিল অত্যন্ত সফল আয়োজক। যদিও ফাইনালে সেনেগালের কাছে ১-০ গোলে হেরে মরক্কো তাদের একমাত্র নেশন্স কাপের শিরোপা জয়ের পর ৫০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে পারেনি, তবুও ২৪ দলের এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের মান নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা হয়েছে।

আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিএএফ) সভাপতি প্যাট্রিস মোটসেপে বলেন, “এটি এএফসিওএন’র ইতিহাসে সবচেয়ে সফল আসর, ফুটবলের মান ছিল বিশ্বমানের।”

দক্ষিণ আফ্রিকার এই ব্যবসায়ী আরও যোগ করেন, “স্টেডিয়াম ও অবকাঠামোর মানও ছিল অসাধারণ।”

তবে মরক্কোর স্থাপিত উচ্চ মানদন্ডে তিনটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ পৌঁছাতে পারবে কি না, সে বিষয়ে সন্দিহান অনেকেই। এর মধ্যে রয়েছেন খ্যাতনামা আইভোরিয়ান সাংবাদিক মামাদু গায়ে।

কেনিয়ার গণমাধ্যমকে গায়ে বলেন, “অবকাঠামোর ক্ষেত্রে মরক্কো মানদন্ড অনেক উঁচুতে তুলে দিয়েছে। বিশ্বমানের স্টেডিয়াম, সারা দেশে যাতায়াতের জন্য মানসম্মত মহাসড় ছিল চোখে পড়ার মত। কেনিয়া, তানজানিয়া ও উগান্ডার মধ্যে কোনো মহাসড়ক নেই। তাদের এ ধরনের অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি কেনিয়ায় ঘুরেছি, সড়কের মান দেখেছি, এমন যানজট দেখেছি যার কারণে একটি ম্যাচই মিস হয়ে যেতে পারে।”

তবে গায়ের প্রশ্নের জবাবে আত্মবিশ্বাসী সুরে কথা বলেন সিএএফ সভাপতি মোটসেপে।

তিনি বলেন, “আফ্রিকার সর্বত্র ফুটবল উন্নয়ন করা আমার দায়িত্ব। আমি শুধু সেরা অবকাঠামো থাকা দেশগুলোতেই ফুটবল সীমাবদ্ধ রাখতে পারি না। আমি নিশ্চিত,

কেনিয়া, তানজানিয়া ও উগান্ডায় নেশন্স কাপ অত্যন্ত সফল হবে। আমরা এই দেশগুলোর কাছ থেকে টুর্নামেন্ট কেড়ে নেব না।”

দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া কেনিয়া জাতীয় দলের কোচ বেনি ম্যাকার্থিও আশাবাদী কণ্ঠে সাংবাদিকদের বলেন, “কেনিয়া নিঃসন্দেহে সুন্দর এবং বড় কোনো টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য পুরোপুরি সক্ষম।”

তিনটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ গত বছর আফ্রিকান নেশনস চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করেছিল। যে প্রতিযোগিতায় নিজ নিজ দেশের ঘরোয়া লিগে খেলা ফুটবলাররাই অংশ নেন।