বাসস
  ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৩৩
আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৫২

বাধ্যতামূলক টুর্নামেন্ট কমানোর ঘোষণা এটিপির

ঢাকা, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠা প্রতিযোগিতার সূচি নিয়ে অসন্তুষ্ট খেলোয়াড়দের সঙ্গে আংশিক সমঝোতার অংশ হিসেবে প্রতি বছর খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ করতে হয়, এমন বাধ্যতামূলক টুর্নামেন্টের সংখ্যা কিছুটা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে এটিপি টেনিস।

উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন ইয়ানিক সিনার ও বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় কার্লোস আলকারাজসহ শীর্ষ পর্যায়ের অনেক পুরুষ খেলোয়াড়ই অতিরিক্ত ম্যাচের চাপ নিয়ে অভিযোগ করেছেন। বাড়তি খেলার বোঝার কারণে চোট ও মানসিক ক্লান্তিতে ভুগছেন খেলোয়াড়দের একটি বড় অংশ।

এটিপি জানিয়েছে, প্রতি বছর খেলোয়াড়দের অংশ নিতে হয়, এমন এটিপি ৫০০ টুর্নামেন্টের সংখ্যা পাঁচ থেকে কমিয়ে চার করা হয়েছে। পাশাপাশি র‌্যাঙ্কিং পয়েন্ট হিসেবের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া সর্বোচ্চ টুর্নামেন্টের সংখ্যাও ১৯ থেকে কমিয়ে ১৮ করা হয়েছে।

এটিপির ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে “সূচি নির্ধারণে আরও বেশি নমনীয়তা তৈরি করার জন্য।”

এটিপির শীর্ষ ৩০ খেলোয়াড়দের বাধ্যতামূলকভাবে চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম, নয়টি মাস্টার্স ১০০০ টুর্নামেন্ট, এটিপি ফাইনালস (যোগ্যতা অর্জন করলে) এবং চারটি এটিপি ৫০০ ইভেন্টে অংশ নিতে হয়।

২০২৫ সালে আলকারাজ ৮০টি ম্যাচ খেলেছেন, যার মধ্যে ৭১টিতেই জয় পেয়েছেন। অন্যদিকে সিনার ২০২৩ ও ২০২৪, দুই মৌসুমেই ৭৯টি করে ম্যাচ খেলেছেন এবং ওই ম্যাচগুলোর মধ্যে ৭৩টিতে জয় পান।

খেলোয়াড়দের ওপর চাপ কমাতে এটিপি আরেকটি সমঝোতার কথাও জানিয়েছে। কোনো খেলোয়াড় সন্তানের জন্ম বা দত্তক নেওয়ার কারণে চলমান টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ালে, তিনি ওই টুর্নামেন্টে ততক্ষণে অর্জিত র‌্যাঙ্কিং পয়েন্ট ধরে রাখতে পারবেন। এর ফলে এটিপি ফাইনালসে জায়গা পেতে অতিরিক্ত টুর্নামেন্ট খেলতে বাধ্য হতে হবে না।

যদিও খেলোয়াড়রা ব্যস্ত সূচি নিয়ে অভিযোগ করেছেন, তবু অনেকেই বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও লাভজনক প্রদর্শনী ম্যাচে অংশ নিচ্ছেন।

এদিকে এটিপি আরও জানিয়েছে, ২০২৬ সাল থেকে এটিপি ৫০০ টুর্নামেন্টে এবং ২০২৭ সাল থেকে এটিপি ২৫০ টুর্নামেন্টে ভিডিও রিভিউ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে।

এক বিবৃতিতে এটিপি বলেছে, “এটিপি ইভেন্টগুলোতে একটি নতুন ‘হিট রুল’ কার্যকর করা হচ্ছে, যার আওতায় চরম আবহাওয়ায় খেলা স্থগিত বা সামঞ্জস্য করার জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকবে।”