বাসস
  ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:২২

পটুয়াখালীতে রোবোটিকস বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ছবি: বাসস

পটুয়াখালী, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ (বাসস) : ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে উপকূলীয় পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় প্রথমবারের মতো বৃহৎ পরিসরে রোবোটিকস বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার সকাল ১০টায় কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল খান প্যালেস অডিটোরিয়ামে শুরু হওয়া এই কর্মশালায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২০ জন স্কুল শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

কুয়াকাটা পৌরসভার আয়োজনে এবং বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড (BDRO)-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত IROC Bangladesh Robotics Workshop-২০২৬ শীর্ষক এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কুয়াকাটা পৌর প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নিয়াজ মাহমুদ। 

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ইয়াসিন সাদেক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব প্রযুক্তিনির্ভর। উপকূলীয় অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের রোবোটিকস প্রশিক্ষণ সময়োপযোগী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, কুয়াকাটাকে শুধু পর্যটন নগরী হিসেবে নয়, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত এমন কার্যক্রমের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কর্মশালায় প্রশিক্ষককের দায়িত্ব পালন করেন মিশাল ইসলাম (চিফ রোবোটিকস কোচ, বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড), আবরার আবির (মেন্টর ও সিলভার মেডালিস্ট, আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড), রুদ্র চৌধুরী তুর্য (মেন্টর, বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড) এবং খন্দকার মুশফিকুল ইসলাম (ব্রোঞ্জ মেডালিস্ট, আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড)। তারা শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে রোবোটিকসের বেসিক ধারণা, সহজ রোবট তৈরির কৌশল এবং প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা প্রেসক্লাব সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার, সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির, কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাইউম হোসেন, কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক (রসায়ন) মো. রুহুল আমিনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ।

আয়োজক সূত্র জানায়, প্রশিক্ষণ শেষে প্রতি ব্যাচের সেরা প্রশিক্ষণার্থীকে রোবটিকস কিট উপহার দেওয়া হবে, যার মধ্যে থাকবে আরডুইনো বোর্ডসহ বেসিক রোবট তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী। 

আয়োজকরা আরও জানান, এই কর্মশালার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষায় আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার বিস্তারে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ভূমিকা রাখবে।