বাসস
  ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৩১

এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ঢাকা, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) এক নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে প্রায় ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা অবৈধভাবে বহন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ দুদক-এর প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

একই মামলায় তাকে সহায়তার অভিযোগে আরও দুই জনকে আসামি করা হয়েছে।

অপর দুই আসামি হলেন— শ্রী বাপ্পি কুমার দাস (৫০) ও তার ছেলে বিন্তু কুমার দাস (২০)। 

এই দুই আসামির বাড়িই গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার মাস্টারপাড়া এলাকায়।

দুদক জানায়, ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ রাত আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটে নাটোরের সিংড়া থানাধীন চলনবিল গেট এলাকায় নাটোর-বগুড়া মহাসড়কে পুলিশের চেকপোস্টে একটি প্রাইভেট কার তল্লাশি করা হয়। এ সময় গাড়ির ডালায় থাকা একটি ব্যাগ থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ পাওয়া যায়। পরে গণনা করে দেখা যায় যে উদ্ধারকৃত ওই ব্যাগে মোট ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩০০ টাকা ছিল। 

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গাড়িতে থাকা মো. ছাবিউল ইসলাম টাকার সুনির্দিষ্ট উৎস সম্পর্কে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন। পরে টাকা জব্দ করে সিংড়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। আদালতের নির্দেশে টাকা পুনরায় গণনা করে সোনালী ব্যাংক পিএলসি, নাটোর শাখায় জমা দেওয়া হয়।

দুদক আরো জানায়, অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থের প্রকৃতি ও উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে গাড়িযোগে তা অন্যত্র স্থানান্তর করছিলেন, যা মানি লন্ডারিং অপরাধের শামিল। 

অপর দুই আসামি এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছেন বলেও প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। 

দুদক রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।