বাসস
  ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:৪৯

গণভোটের রায় নিয়ে বণিকবার্তার বিভ্রান্তিকর বিশ্লেষণ অপপ্রচার শনাক্ত করেছে বাংলাফ্যাক্ট

ছবি : বাংলাফ্যাক্ট

ঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : গণভোটের রায় নিয়ে বণিকবার্তার বিভ্রান্তিকর বিশ্লেষণ প্রচার শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, বণিকবার্তার প্রতিবেদনে মোট নিবন্ধিত ভোটারের কত শতাংশ ‘হ্যাঁ’-তে ভোট দিয়েছে, তার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত চিত্র বোঝার জন্য দেখা উচিত, যারা ভোটে অংশ নিয়েছেন তাদের মধ্যে কত শতাংশ ‘হ্যাঁ’ এবং কত শতাংশ ‘না’ ভোট দিয়েছেন। এক্ষেত্রে হ্যাঁ ও না ভোটের অনুপাত যথাক্রমে ৬৮.৬০% এবং ৩১.৪০%। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের হার নিয়ে বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বণিকবার্তা। 

এমনভাবে পরিসংখ্যান ও ব্যাখ্যা উপস্থাপন করা হয়েছে যেন যারা ভোট দেননি, তারাও ‘হ্যাঁ’-এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ভারতীয় গণমাধ্যম, ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং দেশের কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকাল সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।

‘বাংলা ফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি'র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। 

বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।