শিরোনাম

ঢাকা, ২২ আগস্ট ২০২৬ (বাসস) : অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিন ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন বাংলাদেশের বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। ৩৫ রানে ৬ উইকেট নেন তিনি। তবে ৬ উইকেট নিয়ে খুশি নন শরিফুল। এই টেস্ট বাংলাদেশ জিতলেই খুশি হবেন তিনি।
ম্যাকাইয়ে টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের বোলিং পারফরমেন্স নিয়ে শরিফুল বলেন, ‘অনুভূতি অবশ্যই ভালো। প্রথমত ধন্যবাদ জানাই আল্লাহ তাআলাকে। বিষয়টা এমন নয় যে ৬ উইকেট পেয়েছি বলে খুব খুশি। যদি ম্যাচ জিতি তবে আমি অনেক খুশি হবো।’
শরিফুল বলেন, ‘আমরা যে পাশ থেকে বোলিং করছিলাম, সেই পাশে একটু বাতাস ছিল। এজন্য বল একটু বেশি সুইং করছিল।’
ব্যাটারদের ব্যর্থতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয় সফরকারী বাংলাদেশ। এরপর দুর্দান্ত বোলিং নৈপুন্যে প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে রাখেন শরিফুল। তার ৬ উইকেট শিকারে দিন শেষে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। ২ উইকেট হাতে নিয়ে অসিরা এগিয়ে ১০১ রানে।
প্রথম দিন বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়লেও, এখনও টেস্টের চারদিন খেলা বাকী আছে বলে জানালেন শরিফুল। তিনি বলেন, ‘এখনো তো খেলা শেষ হয়নি। মাত্র প্রথম দিন খেলা শেষ হল। ব্যাটিংয়ে আজ আমাদের একটি খারাপ দিন গেছে। তবে অস্ট্রেলিয়াও নিজেদের কন্ডিশনে লড়াই করছে। দেখা যাক কি হয়, আমরা দ্বিতীয় ইনিংসে কতটুকু ঘুরে দাঁড়াতে পারি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দলগতভাবে খেলে ম্যাচটা বের করে আনতে চাই। ড্রেসিংরুমে একটাই বার্তা ছিল- এখনও খেলা শেষ হয়নি, এখনও ম্যাচ বাকী আছে। আমাদের সময় আসবে। আশা করছি, দ্বিতীয় ইনিংসে আমরা ঘুরে দাঁড়াব। আমরা এখনও ম্যাচে ভালোভাবে টিকে আছি। ইনশাআল্লাহ, আমরা চেষ্টা করব দ্বিতীয় ইনিংস যেন আমাদের পক্ষে থাকে। সবার সঙ্গে কথা হয়েছে, বিশেষ করে ব্যাটারদের সঙ্গে।’
টেস্টের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাটারদের উপর বল হাতে তান্ডব চালিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। মাত্র ১২ রানে ৬ উইকেট শিকার করেন তিনি। স্টার্কের বোলিং নিয়ে শরিফুল বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে পেসাররা সবসময় খুব ভালো করে থাকে। তাদের ফাস্ট বোলাররা বিশেষভাবে স্টার্ক অনেক দিন ধরেই ভালো করছিল। দেখছিলাম কোন লেংথে বল করলে বোলারদের জন্য ভালো অ্যাডভান্টেজ হয়। নতুন বলে সব সময় সুইং করছিল। প্রায় ২০-২৫ ওভার পর্যন্ত। সেই সুবিধা তারা ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্টার্কের বোলিং আমার ভালো লাগে। দেশে আমার আদর্শ মুস্তাফিজ ভাই। তবে সুইংয়ের জন্য স্টার্ককে পছন্দ করি। একই ম্যাচে স্টার্কও ৬ উইকেট পেয়েছেন, আমিও পেয়েছি। এটি খুব ভালো লাগার বিষয়।’