শিরোনাম

ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস): ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, স্থানীয় নাগরিক ও জনপ্রতিনিধিদের চাহিদার সমন্বয় ঘটিয়ে সিটি কর্পোরেশনে নতুন যুক্ত হওয়া এলাকাগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে।
তিনি বলেন, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে এসব এলাকায় সড়কবাতি, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
আজ বুধবার খিলগাঁও কায়েতপাড়া এলাকার ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
এলাকাটি সরেজমিনে পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের অগ্রগতি, রাস্তাঘাট, আশপাশের পরিবেশ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি এলাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, রোপণ করা গাছের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ এবং চলমান উন্নয়নকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে এ ধরনের তদারকি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
নতুন যুক্ত হওয়া অঞ্চলের বাসিন্দাদের কর মওকুফের আবেদনের বিষয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের প্রদত্ত করের সঙ্গে সরকারি বরাদ্দ যুক্ত করেই এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
সুতরাং কর না দিলে উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত হবে। তবে যেসব নাগরিক একেবারেই নিরুপায়, তাদের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কালভার্ট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিদ্যমান সমস্যার একটি তালিকা ইতোমধ্যে ডিএসসিসি প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন দ্রুত এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।