শিরোনাম

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস): জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) অধীনে সরকারি আইনি সহায়তায় জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারে (টোল ফ্রি নম্বর) ২ লাখ ১২ হাজার ৫২০ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে।
লিগ্যাল এইডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সংস্থার অধীনে সরকারি খরচে জাতীয় হেল্পলাইন কলসেন্টারের (টোল ফ্রি-‘১৬৬৯৯’) মাধ্যমে ২ লাখ ১২ হাজার ৫২০ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যম ৩১ হাজার ৩৭ জন, ৬৪ জেলার লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ১২ লাখ ৮৯ হাজার ৩৬৪ জন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ৩০ হাজার ৪০৪ জন, সরকারি আইনি সহায়তায় জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারেরব(টোল ফ্রী-’১৬৬৯৯’) ২ লাখ ১২ হাজার ৫২০ জন এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আইনি পরামর্শ সেবা (ফেসবুক মেসেঞ্জার) পেয়েছেন ২৪১ জন।
পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সচেতন জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ২ লাখ, ৩৬ হাজার ৪৩৫ জন। সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত আইনগত সহায়তার মাধ্যমে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১৮ লাখ ১ জন।
শুরুতে জেলা পর্যায়ে অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর জন্য এ আইনি সেবা দেওয়া শুরু হয়। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট, টোল ফ্রি-'১৬৪৩০’' কল সেন্টার চালু, ঢাকা ও চট্রগ্রামে শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল ও এবং দেশের কারাগারগুলোতে এ সেবা চালু করা হয়। সম্প্রতি টোল ফ্রি নম্বর পরিবর্তন করে আরও সহজ করা হয়েছে। টোল ফ্রি নতুন নম্বর '১৬৬৯৯'।
২০১৩ সাল থেকে লিগ্যাল এইডে শ্রমিক আইন সহায়তা সেলের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ থেকে জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টার টোল ফ্রি নাম্বার চালু হয়। হট লাইনের মাধ্যমে তথ্য সেবা প্রদানে জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টার স্থাপনের আগ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৩২৮ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে 'আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের' অধীনে সরকারি খরচে এ সেবা দেওয়া হয়।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।