শিরোনাম

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস): এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সদ্য পাস করা শিক্ষার্থীদের এবারও একাদশ শ্রেণীতে বিগত বছরের মতো বিদ্যমান নিয়মেই ভর্তি করা হবে।
কোনো ধরনের পরীক্ষা বা লটারি নয়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রাপ্ত জিপিএ স্কোরের ওপর ভিত্তি করেই শিক্ষার্থীর পছন্দক্রম অনুযায়ী অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করে ক্লাস শুরু করা হবে। ক্লাস শুরুর তারিখ দ্রুতই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
আজ সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির আসন সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, ‘সারাদেশে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য আসন সংখ্যা রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। গত বছর এসব আসনের মধ্যে ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ পূরণ হয়েছিল এবং খালি ছিল প্রায় ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কিছুটা কম হওয়ায় ভর্তি যোগ্য শিক্ষার্থীর তুলনায় খালি আসনের সংখ্যা গতবারের চেয়ে আরও কিছুটা বাড়বে।’
ভর্তি পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি জানান, লটারি বা কোনো ধরণের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হবে না। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ীই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রাপ্ত জিপিএ স্কোর এবং শিক্ষার্থীদের আবেদনে পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণীতে কলেজ ও আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে।
ভর্তি কার্যক্রম ও ক্লাস শুরুর দিনক্ষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির সময়সূচি ও শিডিউল নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করা হবে এবং ভর্তি শেষ হওয়ার পরপরই নতুন বছরের ক্লাস শুরু হবে।’
শিগগিরই এ সংক্রান্ত বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি ও নীতিমালা জারি করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন। যেখানে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেকসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।
বেলা ১০টা থেকে একযোগে দেশের সকল শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।