বাসস
  ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪০

যশোর জেনারেল হাসপাতালে শিগগিরই পূর্ণমাত্রায় সিসিইউ চালু করা হবে

ছবি: বাসস

যশোর, ৮ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : যশোর আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে শিগগিরই পূর্ণমাত্রায় সিসিইউ (করোনারি কেয়ার ইউনিট) ও এনজিওগ্রাম ইউনিট চালু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এজন্য কাজ শুরু করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যশোরে পূর্ণমাত্রার একটা সিসিইউ স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এ ব্যাপারে অঙ্গীকারাবদ্ধ। 

তিনি বলেন, ‘আমি সরেজমিনে দেখতে এসেছি যে, পূর্ণমাত্রার একটি সিসিইউ স্থাপন করতে এখানে কি কি দরকার। আমার সাথে গণপূর্তের প্রকৌশলীরাও রয়েছেন। যত দ্রুত সম্ভব পূর্ণমাত্রার সিসিইউ ও এনজিওগ্রাম ইউনিট স্থাপন করে তা প্রধামন্ত্রী তারেক রহমানকে দিয়ে উদ্বোধন করানো হবে। এ বিষয়টিকেই আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।’

আজ দুপুরে যশোর আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। এসময় তার সাথে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুর রহমান, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হোসেন সাফায়েত, যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যুগ্মসচিব ড. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, যশোর আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালটিকে তিনশ শয্যা করার কথা রয়েছে। তবে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সাথে কথা বলে এটাকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার চেষ্টা চলছে। 

তিনি বলেন, যশোর মেডিকেল কলেজের সাথে ৫০০ শয্যার আরেকটি হাসপাতাল স্থাপন করা হচ্ছে। দুইটি মিলিয়ে এক হাজার বেড হলে যশোর অঞ্চলের মানুষ কিছুটা হলেও ভাল স্বাস্থ্যসেবা পাবে।’ 

যুগ্মসচিব বলেন, বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার একটা বিষয় হলো সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ। তৃণমূল পর্যন্ত স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাথে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী সবাই অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। 

তিনি বলেন, ‘শুধু জেনারেল হাসপাতাল নয়, যশোরে এসে আমি চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছি। এসব হাসপাতালে কি কি সংকট আছে, সেখানে সরকারের পক্ষ থেকে কি করার সুযোগ আছে, সেগুলো বোঝার চেষ্টা করেছি। এসবকিছুর উদ্দেশ্য চিকিৎসেবা তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।