বাসস
  ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:৪৭

ইস্তাম্বুলে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালি

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালন করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা, ৬ আগস্ট, ২০২৬(বাসস) : যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালন করেছে।  ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালায় ইস্তাম্বুলে বসবাসরত বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশাজীবী ব্যক্তিবর্গ, বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, কনস্যুলেট জেনারেলের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা হয়। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন কনস্যুলেটের কর্মকর্তাগণ। 

এরপর দিবসটিকে উপজীব্য করে নির্মিত ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরবর্তীতে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কনসাল জেনারেল মুহাম্মাদ মীযানুর রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। 

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার এবং বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের সংগ্রামে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। 

কনসাল জেনারেল এ গণঅভ্যুত্থানে তরুণ প্রজন্মের অবদান ও আত্মত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। জুলাইয়ের  গণঅভ্যুত্থানে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। 

শহীদদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা তাদের আলোচনায় গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণসহ এ সময়ের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর স্মৃতিচারণ করেন। 

তারা গণঅভ্যুত্থানের এ চেতনা ধারণ করে জাতীয় ঐক্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বক্তারা বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস এবং শহীদদের আত্মত্যাগের বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যথাযথভাবে তুলে ধরতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া এবং মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।উপস্থিত অতিথিদের আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।