বাসস
  ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০০
আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১৭:১১

কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঐতিহাসিক শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে সীমিত পরিসরে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ছবি : বাসস

কুষ্টিয়া, ৬ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : জেলায় আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে (২২ শ্রাবণ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঐতিহাসিক শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে সীমিত পরিসরে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে গীতাঞ্জলি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং রবীন্দ্রপ্রেমীরা অংশ নেন।

তবে স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমী ও রবীন্দ্রভক্তদের দাবি, বিশ্বকবির জন্মবার্ষিকীর মতো তাঁর প্রয়াণ দিবসও রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও ব্যাপক ও মর্যাদাপূর্ণভাবে পালন করা উচিত।

রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির কাস্টোডিয়ান মো. আল-আমীন বলেন, প্রতি বছরই আমরা বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবস যথাযথ শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করি। আজও তাঁর সমাধি স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

ছবি : বাসস

উল্লেখ্য,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারি তদারকির কাজে বারবার শিলাইদহে এসেছেন এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় এখানে কাটিয়েছেন। পদ্মা নদীর তীরের এই কুঠিবাড়িতেই তিনি রচনা করেছেন বাংলা সাহিত্যের অসংখ্য কালজয়ী কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটক, ভ্রমণকাহিনি, চিঠিপত্র ও শিশুসাহিত্য। সাহিত্যসৃষ্টির পাশাপাশি তিনি ছিলেন গীতিকার, সুরকার, চিত্রশিল্পী, শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক। গ্রামীণ উন্নয়ন, শিক্ষাবিস্তার এবং কৃষকদের জন্য কৃষিঋণ ব্যবস্থা চালুসহ বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।