শিরোনাম

ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস): জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উদযাপনের অংশ হিসেবে আজ (মঙ্গলবার) গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে ট্রাকযোগে ভ্রাম্যমাণ সংগীত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে।
গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের নিজস্ব সংগীত দল দুটি উপদলে বিভক্ত হয়ে ট্রাকযোগে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় সংগীত পরিবেশন করেছে।
সকালে রাজধানীর গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় প্রাঙ্গণে ট্রাকযোগে ভ্রাম্যমাণ সংগীত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিচালক (প্রচার ও সমন্বয়) ডালিয়া ইয়াসমিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সামাজিক ও নাগরিক চেতনার শক্তিশালী প্রকাশ জুলাই গণঅভ্যুত্থান। বিশ্বের যেকোনো ইতিবাচক পরিবর্তনের পেছনে তরুণ প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অন্যায়, অনিয়ম, অবিচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তরুণরাই যুগে যুগে সোচ্চার হয়ে সমাজে পরিবর্তনের পথ তৈরি করেছে এবং জনগণের ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০২৪ সালে কোটা সংস্কার-সংক্রান্ত একটি রায়কে কেন্দ্র করে যে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়, তা পরবর্তীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। অনেক প্রাণের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে রচিত হয় ইতিহাসের এই স্মরণীয় অধ্যায়, যা পরবর্তীতে জনগণের ক্ষমতায়নের আকাঙ্ক্ষাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। তরুণদের এই ঐতিহাসিক লড়াই আগামী প্রজন্মের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও মর্মবাণী ধারণ করে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের নিজস্ব শিল্পীরা জাগরণমূলক সংগীত রচনা ও পরিবেশন করেছেন। এসব গান মানুষের মধ্যে ইতিবাচক চেতনা, দেশপ্রেম ও ভালো কিছু করার আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তুলবে এবং যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করবে।
ট্রাকযোগে ভ্রাম্যমাণ সংগীত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজধানীর বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, তরুণদের সামাজিক ও নাগরিক দায়বদ্ধতা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক (কারিগরি ও প্রশিক্ষণ) মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) সৈয়দ এ মু’মেন এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।