শিরোনাম

ঢাকা, ২৭ জুলাই, ২০২৬ (বাসস): রাজধানীর কাফরুল থানা এলাকায় যুবদল কর্মী মো.ইউসুফ হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িত সাতজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা, মিরপুর বিভাগ ও কাফরুল থানা পুলিশ।
মো. নাহিদ হাসান (২১), মো. শাফিন আহমেদ (২২), মো. জিয়ারুল মোল্লা (৩৯), মো. আলী হোসেন (৪৫), মো. জিহাদ মোল্লা (৩০), মো. মাসুম বিল্লাহ (২৮) ও মো. আবির হাওলাদার (২৫) নামে সাত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১১টার দিকে কাফরুল থানার ওপেক্স গার্মেন্টসের দক্ষিণ পাশে লিংক রোডের মাথায় কয়েকজন অস্ত্রধারীর ছোড়া গুলিতে যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ, সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও মো. মনির হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. ইউসুফকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত নালাম সরদার ও মনির হোসেন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় নিহত ইউসুফের বড় ভাই বাদী হয়ে কাফরুল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই ডিএমপির গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগ ও কাফরুল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগের একটি টিম শনিবার মিরপুর এলাকা থেকে মো. নাহিদ হাসান ও মো. শাফিন আহমেদকে গ্রেফতার করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাগুরা জেলার শালিখা থানাধীন আড়পাড়া এলাকা থেকে জিয়ারুল এবং মিরপুর এলাকা থেকে মো. আলী হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
অপরদিকে, কাফরুল থানা পুলিশ শরীয়তপুর থেকে মো. জিহাদ মোল্লা এবং যশোর জেলার বাঘারপাড়া এলাকা থেকে মাসুম বিল্লাহকে গ্রেফতার করে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত মো. আবির হাওলাদারকে স্থানীয়রা কাফরুল থানায় সোপর্দ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, মূল পরিকল্পনাকারী হাফিজুর রহমান হাফিজ ওরফে সিএনজি হাফিজের প্রতিপক্ষ হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার উদ্দেশ্যে পেশাদার খুনি ভাড়া করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়।
ঘটনার দিন রাত ১১টায় হাফিজুল ইসলাম বাবু তার কার্যালয়ের সামনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অবস্থানকালে অপরিচিত কয়েকজন ব্যক্তিকে সন্দেহ হলে তাদের পরিচয় জানতে চান। একপর্যায়ে তাদের দেহ তল্লাশি করার চেষ্টা করলে অভিযুক্তদের একজন পিস্তল বের করে গুলি চালায়। এতে যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।