শিরোনাম

রাঙ্গামাটি, ১৫ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় সমউন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সকল বৈষম্য দূর করা হবে।
আজ দুপুরে রাঙ্গামাটির সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে বাঘাইছড়ি ফায়ার স্টেশনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। শিগগিরই নির্মাণকাজও শুরু হবে। এছাড়া দেশের প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক মানের ভূমি অফিস নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা সম্পন্ন করা হবে।
তিনি বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি পরিবারগুলোকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার অর্থ জনগণের প্রতি শতভাগ দায়বদ্ধ থাকা।
বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত দল হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। কোনো কিছু চাইতে হবে না, দায়বদ্ধতা থেকেই দেশের প্রতিটি উপজেলায় যা যা করা প্রয়োজন, তার সবকিছুই করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, টেকসই সমাধান ও উন্নয়নের জন্য সরকার বিশেষ গুরুত্ব দেবে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি তাদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।
এ সময় রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ইমরানুল হক ভুঁইয়া, বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান, জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, বাঘাইছড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ওমর আলীসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা বাঘাইছড়ির ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে সড়ক, কালভার্ট, কৃষিজমি, মাছের ঘের ও পুকুর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শত শত বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বাঘাইছড়ি উপজেলার সঙ্গে সড়কপথে খাগড়াছড়ির যোগাযোগ এখনো স্বাভাবিক হয়নি। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কাদা-পানির কারণে সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো ও জনজীবন স্বাভাবিক করতে প্রশাসন কাজ করছে।