বাসস
  ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪১

জনগণের বিচারে এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিএনপির হাতেই নিরাপদ : সালাহউদ্দিন আহমদ

সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: বাসস

কক্সবাজার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এদেশের মানুষ বিচার করেছে বিএনপির হাতেই এদেশ নিরাপদ। এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বসহ সবকিছুই বিএনপির হাতেই নিরাপদ। তাই তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

তিনি বলেন, ‘আমাদের যে প্রতিশ্রুতি, আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যেটা বলেছেন- ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’, সেই প্রতিশ্রুতি তো কাগজের বিষয় নয়, সেটা বাস্তবে আমরা উদাহরণসহ জনগণের সামনে দেখিয়েছি।’ 

বেসরকারিভাবে ফলাফল হাতে পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা জনগণের জন্য, দেশের জন্য, দেশের উন্নতির জন্য, তরুণ প্রজন্মের জন্য কি করতে চাই-প্রযুক্তিনির্ভর, মেধানির্ভর এবং জ্ঞাননির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য কি করতে চাই- তা তুলে ধরেছি।

সালাহউদ্দিন আহমদ  উল্লেখ করেন, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মেজরিটি (সংখ্যাগরিষ্ঠতা) নিয়ে বিএনপি জাতীয় সংসদে যাবে। তাই সরকার গঠনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো দলের বা কারো সঙ্গে জোট করার কোনো প্রশ্নই আসে না।

সংসদে বিরোধী দল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসদে ভেরি ভাইব্রেন্ট (খুব প্রাণবন্ত) বিরোধী দল থাকা দরকার। কারণ সুশাসনের জন্য যেটা বলা হয় যে দায়িত্বশীল সরকার নিশ্চিত করার জন্য একটা শক্তিশালী বিরোধী দল সবসময় জাতীয় সংসদে দরকার, যাতে চেকস অ্যান্ড ব্যালেন্স থাকে। 

তিনি বলেন, আমরা কোনো বিজয় উল্লাস করব না। আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। বিজয় উল্লাস করার মধ্য দিয়ে আমরা কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি করতে চাই না। আর এ বিজয় আমাদের কাছে প্রত্যাশিত ছিল। নির্বাচনের আগে  ও চেয়ারম্যান সাহেব স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরে আমরা জনগণের মধ্যে যে উচ্ছ্বাস দেখেছি এবং যে সমর্থন পেয়েছি তাতে আমরা অভিভূত।  সারা দেশে আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবকে দেখার জন্য, উনার কথা শোনার জন্য সারারাত ধরে মানুষ অপেক্ষা করেছে, ভোর রাত পর্যন্ত। তখনই আমরা ম্যাসেজ পেয়ে গেছি এ দেশের মানুষ আসলে কি চাচ্ছে।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের বেসরকারি ফলে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১১ ভোট।