শিরোনাম

ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : শেরপুরে জামায়াতে ইসলামী নেতা শহীদ রেজাউল করিমের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
আজ মরহুমের দুটি জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
শহীদ রেজাউল করিমের প্রথম জানাজা বিকেল ৫ টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক ড. ছামিউল হক ফারুকীর ইমামতিতে শ্রীবর্দী সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির নাজমুল হক সাঈদী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য শেরপুর জেলা আমির হাফিজুর রহমান, শেরপুর-৩ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার লিখন মিয়া, খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল হালিম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক ইউসুফ ইসলাহী, শিবিরের শেরপুর জেলা সভাপতি আশরাফুজ্জামান মাসুম প্রমুখ।
মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা শ্রীবর্দী উপজেলার গোপালখিলা খেলার মাঠে রাত সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে জানাজা নামাজে অংশগ্রহণ ও ইমামতি করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাবেক এমপি মাওলানা আ ন ম শামছুল ইসলাম।
জানাজা পূর্ব বক্তব্যে মাওলানা আ ন ম শামছুল ইসলাম বলেন, শহীদ রেজাউল করিমকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
জানাজায় আরও উপস্থিত ছিলেন- জামায়াত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জামালপুর জেলা আমির মাওলানা আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও শেরপুর জেলা আমির হাফিজুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি লস্কর মো. তসলিম, এনসিপির শেরপুর জেলা আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার লিখন মিয়া, ইদ্রিসিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা ফজলুল করিম, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও শেরপুর-১ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর-৩ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল, শহীদ রেজাউল করিমের পিতা আজিজুর রহমান এবং শহীদের ছোট ভাই মাহমুদুল হাসান ও মাসুদুর রহমান এবং স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল প্রমুখ।
শহীদ রেজাউল করিম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলা সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি বাবা, স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে এবং দুই ভাই ও দুই বোন রেখে গেছেন।