বাসস
  ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:৫৮

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন আসাদুজ্জামান

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে নেতা-কর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। ছবি: বাসস

ঢাকা, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ- ১ (শৈলকুপা) আসনের প্রার্থী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে নেতা-কর্মীদের নিয়ে তিনি এই কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

জিয়ারত শেষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা রাজনৈতিক বিতর্ক ও মামলা-সাজার নাটক সাজানো হলেও সাধারণ মানুষের বিশ্বাসে কোনো চিড় ধরেনি। জনগণ কখনোই বিশ্বাস করেনি যে তিনি এতিমের টাকা আত্মসাৎ করতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, আল্লাহ যাকে সম্মান দেন, দুনিয়ার কোনো শক্তি তার সম্মান কেড়ে নিতে পারে না। ক্ষমতার জোরে তাঁকে দমন করার চেষ্টা করা হলেও দেশবাসীর ভালোবাসা ছিল অটুট। তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার একটি কৌশল মাত্র।

সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেল দাবি করেন, ‘শেষ পর্যন্ত আল্লাহর বিচারই কার্যকর হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া তাঁর জীবদ্দশাতেই মানসিক প্রশান্তি নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। দেশপ্রেম, গণতন্ত্র রক্ষা এবং অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ না করার যে দৃঢ়তা তিনি দেখিয়ে গেছেন, তা তাঁকে জনগণের হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন করে দিয়েছে।’

বেগম জিয়ার জানাজা ও বিদায়ে মানুষের উপচে পড়া ভিড়ের কথা স্মরণ করে আসাদুজ্জামান বলেন, বিদায়ের সময় মানুষের যে ঢল ও আবেগ দেখা গেছে, তা প্রমাণ করে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও মানুষের হৃদয়ে তাঁর অবস্থান ছিল কতটা গভীর। সার্বভৌমত্ব ও ন্যায় বিচারের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধাই তাঁকে অনন্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বার্ন ইউনিটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিন, শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, বিএনপির সাবেক সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এম এ মান্নান, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহম্মেদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এস এম আল মাহমুদ দীপু এবং দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সোহেল খান, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন ধ্রুবসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।