শিরোনাম

যশোর, ৩০ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : যশোর জেলা পরিষদ প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন আজ বলেছেন, কৃষি ও খাদ্যে নকল এবং ভেজাল পণ্যের ব্যবহার দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ভেজাল পণ্য শুধু অমানবিকই নয়, এটি একটি আইনি অপরাধ।
সুস্থ জীবন ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোক্তা, গণমাধ্যম, জেলা ও পুলিশ প্রশাসন এবং কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগসহ সবাইকে যৌথভাবে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
বুধবার দুপুরে যশোর জেলা পরিষদ সভা কক্ষে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম এবং সিনজেনটা বাংলাদেশ লিমিটেড যৌথভাবে ‘নকল ও ভেজালকে না’ শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।
বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর অঞ্চলের উপপরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ মো. মুন্না বিশ্বাস।
গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু নোমান ফারুক আহম্মেদ।
এছাড়া মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন সিনজেনটা বাংলাদেশ লিমিটেডের কর্পোরেট এ্যাফেয়ার্স এন্ড সাসটেইনিবিলিটি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর যশোরের সহকারী পরিচালক (প্রশিক্ষণ) কিশোর কুমার সাহা, যশোর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম তৌহিদুর রহমান, যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির যুগ্ম সম্পাদক এজাজ উদ্দিন টিপু, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) যশোর জেলা সংবাদদাতা সাইফুল ইসলাম ও যশোর প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাদের।
এছাড়া মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন যশোর সদর উপজেলার ইছালী এলাকার কৃষক মো. রইচ উদ্দিন এবং ইমামুল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রিটেইলার ইমরান হোসেন।
বৈঠকে বক্তারা কৃষির উৎপাদনশীলতা ধরে রাখতে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেজাল সার, বীজ ও কীটনাশকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এ ব্যাপারে প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরও কঠোর হওয়ার পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও তারা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।