শিরোনাম

নাটোর, ১৪ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : জেলার ৬০টি মসজিদের ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানি ভাতা চালু করা হয়েছে। এছাড়া জেলার নির্বাচিত মন্দির এবং খ্রিস্টান চার্চও এই কর্মসুচির আওতায় এসেছে।
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার পূরণের পাইলট কর্মসুচির আওতায় প্রতি মাসে জেলার নির্বাচিত মসজিদের ইমাম পাঁচ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন তিন হাজার টাকা এবং খাদেম দুই হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। মন্দিরের পুরোহিত ও চার্চের যাজক পাঁচ হাজার টাকা করে এবং মন্দিরের সেবাইত ও চার্চের সহকারী যাজক তিন হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।
শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নাটোর থেকে নাটোর পৌরসভার অধীন আলাইপুর মারকাজ জামে মসজিদের ইমাম মো. মফিজুর রহমান এবং বাগাতিপাড়া উপজেলার গালিমপুর শিব মন্দিরের পুরোহিতসহ একজন করে মসজিদের মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং মন্দিরের একজন সেবাইত ভাতা গ্রহণ করেছেন।
ভাতা প্রাপ্তির অনুভূতি ব্যক্ত করে আলাইপুর মারকাজ জামে মসজিদের ইমাম মো. মফিজুর রহমান বলেছেন, দেশের আলেমদের প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধার প্রতিফলন ঘটেছে বর্তমান সরকারের এই কর্মসুচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে। আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করি, যেন তিনি ইসলামের প্রতি নিবেদিত প্রাণ হয়ে এই দেশকে ইসলামী আবহে সজ্জিত করতে পারেন।
গালিমপুর শিব মন্দিরের পুরোহিত সুব্রত মুখার্জী বলেছেন,সরকারের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা। এই কর্মসুচির মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি সুদৃঢ় হবে এবং কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠন সম্ভব হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাটোর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রিয়াজুল ইসলাম বাসস’কে জানান, পাইলট কর্মসুচির আওতায় দেশের সকল পৌরসভা এবং ইউনিয়ন থেকে একটি করে মসজিদ এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানি ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া এই কর্মসুচির আওতায় দু’টি ঈদে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এক হাজার টাকা করে এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতারা তাদের ধর্মীয় উৎসবে দুই হাজার টাকা করে উৎসব ভাতা পাবেন।
আগামী দুই অর্থ-বছরে পর্যায়ক্রমে দেশের সকল মসজিদ এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় মাসিক সম্মানি ভাতার আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।