বাসস
  ১০ মে ২০২৬, ১৭:৫৯

ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধদের দেখতে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আজ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধদের দেখতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে যান। ছবি : বাসস

ঢাকা, ১০ মে, ২০২৬ (বাসস) : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী ও তাদের সন্তানদের দেখতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।  

আজ দুপুরের দিকে তিনি জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে যান। 

এ সময় তিনি দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

পরিদর্শন শেষে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গৃহকর্তা গ্যাস লাইট দিয়ে আগুন জ্বালাতেই সারা ঘরে আগুন ধরে যায়। এতে পরিবারের সবাই দগ্ধ হয়। বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক, বেদনাদায়ক। 

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় শিশুসহ পাঁচ জনই দগ্ধ হয়েছে। জানতে পেরেছি যে তাদের দরজা জানালা বন্ধ ছিল। 

মন্ত্রী বলেন, সর্বাত্মক চিকিৎসা চলছে, আপ্রাণ চেষ্টা করা হবে। আর্থিক সমস্যা হলে সহযোগিতা করা হবে। 

এ সময় তিনি আরও বলেন, আমাদের সমাজে কোন এ্যাওয়ারনেস (সচেতনতা) নাই। বহুবার টিভিতে বলা হচ্ছে, আপনারা যারা সিলিন্ডার ব্যবহার করেন, তারা বাইরে সিলিন্ডার রাখবেন এবং লিকেজ আছে কি না, তা আগে থেকেই দেখে নিবেন। 

দরজা-জানালা খুলে গ্যাসের চুলা ধরানোর পরামর্শ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যারা লাইনের গ্যাস ব্যবহার করেন, তারা লাইন সংযোগের সময় ভালো ভাবে চেক করে নিবেন কোন লিকেজ আছে কি না। 

তিনি বলেন, এ্যাওয়ারনেস বৃদ্ধির জন্য দুই একদিনের মধ্যে  আমরা ইন্টার মিনিস্টিরিয়াল একটা মিটিং করবো। 

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, অনেক পরিবার চুলার নিচে সিলিন্ডার রেখে দেন। বারবার আমরা টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচার করছি, গ্যাস সিলিন্ডার বাইরে রাখুন। কোন লিকেজ আছে কি না, তা মাঝে মাঝে কোম্পানিকে দিয়ে চেক করান।