শিরোনাম

নাটোর, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত নাটোর-১ আসন। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী মো. সেন্টু আলী হ্যাকারমুক্ত জনপদ গঠন করে যুব সমাজের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থানের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এই লক্ষ্যে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন এবং চিনিকলের বৈচিত্র্যকরণের পরিকল্পনার কথা বলেছেন তিনি।
গণসংহতি আন্দোলনের লালপুর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক মো. সেন্টু আলী। মাথাল প্রতীকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রার্থী মো. সেন্টু আলী নির্বাচন নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) নাটোর জেলা সংবাদদাতা ফারাজী আহম্মদ রফিক বাবন।
বাসস : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?
সেন্টু আলী : লালপুর উপজেলা হ্যাকারদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। হ্যাকারদের এই আধিপত্য সারাদেশে আলোচিত। আমি হ্যাকারমুক্ত জনপদ গড়তে চাই। যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। এই লক্ষ্যে পদ্মার চর এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাবো। এছাড়া নর্থ বেঙ্গল চিনিকলকে দুর্নীতিমুক্ত এবং বৈষম্যমুক্ত করে চিনিকলের উন্নয়নে নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চাই। এর ফলে মৌসুমী শ্রমিকদের সারা বছরের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?
সেন্টু আলী : নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত আচরণবিধিকে আমি সম্মান করি, আচরণবিধি মেনে চলতে চাই। সেই লক্ষ্যে দলের নেতা-কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিক নিদের্শনা প্রদান করেছি।
বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?
সেন্টু আলী : গণঅভ্যুত্থানে দেশের যুব সমাজের আকাঙ্ক্ষা ছিল পরিবর্তনের। তাদের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন নিশ্চিত করতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হওয়া প্রয়োজন। তাই আমি এবং আমার দলের নেতা-কর্মী-সমর্থক ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
বাসস : আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
সেন্টু আলী : ভোটারবৃন্দ যেন অর্থের বিনিময়ে ভোট না দেন, তাঁরা যেন প্রার্থীর সততা ও নির্ভীক অবস্থান বিবেচনা করে ভোট দেন। যে প্রার্থী সব সময় জনগণের পাশে থাকে, সবাই যেন সেই প্রার্থীকেই ভোট দেন।
আসনটি দুইটি উপজেলার দুইটি পৌরসভা এবং ১৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। মোট ১২৫টি ভোট কেন্দ্র।
ভোটারের সংখ্যা তিন লাখ ৬৮ হাজার ২৭৬ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৮৩ হাজার ৫৯৪ জন পুরুষ, এক লাখ ৮৪ হাজার ৬৮০ জন নারী এবং দুইজন তৃতীয় লিঙ্গের।
আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অন্য প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মো. আবুল কালাম আজাদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুল্লাহিল বাকী (হাতপাখা), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির মো. আনছার আলী (কোদাল), গণঅধিকার পরিষদের মো. মেহেদী হাসান (ট্রাক), স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে মো. তাইফুল ইসলাম টিপু (কলস), মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদ (ঘোড়া) এবং মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (হরিণ)।