বাসস
  ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:৩৯

এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধানের পরিকল্পনা রয়েছে : ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী

ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল। ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী হয়েছেন শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক। তিনি তার নির্বাচনী এলাকাকে একটি মডেল হিসেবে তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

নির্বাচন ঘিরে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা আনিচুর রহমান।

বাসস : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?
শহিদুল ইসলাম বাবুল :
আমাদের এলাকাটি নদী ভাঙ্গন এলাকা। এই এলাকার মানুষের দুঃখ দুর্দশা এবং নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী একটি সমাধান করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রসনে অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন বলতে তেমন কিছুই হয়নি। রাস্তাঘাট জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যোগাযোগ অবকাঠামোর খুব নাজুক অবস্থা। নির্বাচিত হলে বিষয়গুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। 

বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?
শহিদুল ইসলাম বাবুল :
হ্যাঁ অবশ্যই আইন মেনে চলতে হবে। নির্বাচন কমিশনের যে বিধি-বিধান বা আইন রয়েছে সেগুলো মেনে চলতে হবে। আমরা আইনের প্রতি সব সময় শ্রদ্ধাশীল। আমি নিজে আমার ব্যানার ফেস্টুন অপসারণ করেছি, নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছি এবং তারা সেই ভাবেই মেনে চলছে।

বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?
শহিদুল ইসলাম বাবুল :
গণভোটের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো আলাপ আলোচনা করে ঐক্যমতে পৌঁছে ছিল। তবে তার মধ্য আমাদের কিছু কিছু বিষয় ব্যত্যয় ছিল বা নোট অফ ডিসেন্ট ছিল। তার সত্বেও যেটা দেয়া হয়েছে সেইবিষয়ে নেতাকর্মীরা আমরা হ্যাঁ ভোট বা গণভোটের পক্ষে আছি।

বাসস : আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
শহিদুল ইসলাম বাবুল :
দীর্ঘদিন এখানকার মানুষ বঞ্চনার শিকার হয়েছে, বৈষম্যের শিকার হয়েছে। আমার প্রত্যাশা মানুষ তার নিজের মতামতের মধ্য দিয়ে,নিজের ভোটের মধ্যে দিয়ে তাদের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। যাকে আমরা গণতন্ত্র বলি। সেই গণতান্ত্রিক শাসন, সুশাসন এবং কল্যাণ রাষ্ট্র এটাই আমার প্রত্যাশা।

ফরিদপুর-৪ আসনটি ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন এ তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত। একটি পৌরসভা এবং ২৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। তিনটি উপজেলার মোট ১৮৯ টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। আসনটিতে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখ, ৯৬ হাজার ৭০৬ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬১ জন পুরুষ, ২ লাখ ৪২ হাজার ৫৪ জন নারী এবং ১ জন তৃতীয় লিঙ্গের।

আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে দলের জেলা শাখার সূরা সদস্য এবং ভাঙ্গা উপজেলার আমির মাওলানা মো: সরোয়ার হোসেন কে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হয়েছেন ফরিদপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা। এছাড়া রয়েছেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আতাউর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মো. ইসহাক চোকদার, জাতীয় পার্টির রায়হান জামিল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এ এম মুজাহিদ বেগ ও মোহাম্মদ মজিবুর হোসাইন।