বাসস
  ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:১৯
আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৩৯

উন্নত জয়পুরহাট গড়ে তোলার চেষ্টা করবো : ১ আসনে জামায়াত প্রার্থী সাঈদ

ফজলুর রহমান সাঈদ। ফাইল ছবি

জয়পুরহাট, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ফজলুর রহমান সাঈদ জেলার উন্নয়নের ব্যাপারে আশাবাদী।

নির্বাচনে জিতলে জেলা আমীর ফজলুর রহমান সাঈদ উন্নত জয়পুরহাট গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) জয়পুরহাট জেলা সংবাদদাতা মাসুদ রানা।  

বাসস : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী ?

ফজলুর রহমান সাঈদ : নির্বাচিত হলে আমরা প্রথমেই দেশকে দুর্নীতি মুক্ত করবো। জয়পুরহাট শিক্ষা, স্বাস্ব্য ও চিকিৎসায় অবহেলিত। ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণ করবো। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুরোনো ভবন আছে সেগুলোতে নতুন ভবন নির্মাণ করবো। যুবা ও নারীদের উন্নয়নে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবো। জয়পুরহাটকে উন্নত জয়পুরহাট হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবো।

বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?

ফজলুর রহমান সাঈদ : আচরণবিধি মেনে চলা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সরকারের যে কোনো নির্দেশনা আমরা মেনে চলবো। আমি ও আমার দলের নেতা-কর্মীরা নির্বাচনে আচচরণবিধি মেনে চলবো।

বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?

ফজলুর রহমান সাঈদ : ২৪ এর আন্দোলনের ফসল জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধ পরিকর। এ কারণে আমরা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে কাজ করছি এবং প্রচারণা চালাচ্ছি। আমরা আগামী নির্বাচনে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে আছি।

বাসস : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?

ফজলুর রহমান সাঈদ : আমরা চাই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। জনগণ অবাধে ভোট দিতে পারবে এ ধরনের পরিবেশ সরকার নিশ্চিত করবে বলে আশা করছি। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হলে আমরা জয়ী হবো ইনশাআল্লাহ।

উত্তরাঞ্চলের সীমান্তঘেঁসা জেলা জয়পুরহাট ৫টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ জেলায় ২টি সংসদীয় আসন আছে। সদর উপজেলা ও পাঁচবিবি নিয়ে গঠিত জয়পুরহাট-১ আসন। অপরদিকে কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত জয়পুরহাট-২ আসন।

জয়পুরহাট-১ আসন ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে ১৫১ টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৯৮৩ জন। নারী ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ২৮৩ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৭৪ জন।

নির্বাচনে আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক এমপি মরহুম মোজাহার আলী প্রধানের ছেলে মাসুদ রানা প্রধান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আমীর ফজলুর রহমান সাঈদ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ওয়াজেদ পারভেজ। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন তৌফিকা দেওয়ান। আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সুলতান মো. সামসুজ্জামান। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আনোয়ার হোসেন। 

এছাড়া স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাবেকুন নাহার শিখা।