শিরোনাম

ঢাকা, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): যশোরে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে রানা প্রতাপ বৈরাগীর হত্যাকাণ্ডকে ভারতীয় গণমাধ্যম সাম্প্রদায়িক বলে অপপ্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা করছে।
বিষয়টি শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, যশোরের মনিরামপুরে সোমবার (৫ জানুয়ারি) রানা প্রতাপ বৈরাগী নামে এক বরফকল ব্যবসায়ী ও সাংবাদিককে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে গুলি করে ও গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভারতীয় গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান আজতাক বাংলা একটি সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সংবাদ প্রতিবেদনের ভেতরের অংশে দাবি করা হয়েছে, রানা প্রতাপ বৈরাগী হিন্দু ধর্মের অনুসারী হওয়ার কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্টের যাচাইয়ে দেখা গিয়েছে, যশোরের মনিরামপুরে বৈরাগীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ধর্মীয় কোনো বিষয় বা সাম্প্রদায়িক কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। বরং, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বাংলা ফ্যাক্টকে জানান, রানা প্রতাপ পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি নামক চরমপন্থী দলের সাথে যুক্ত ছিলেন। রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এটি সাম্প্রদায়িক ঘটনা নয়।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, গত বছর থেকে ভারতীয় গণমাধ্যম, ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং দেশের কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হচ্ছে।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।