শিরোনাম

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস): টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ব্যাটিং লাইনআপে অভিজ্ঞতা ও স্থিতিশীলতা আনার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এক বছরেরও বেশি সময় পর বাংলাদেশ দলে নাজমুল হোসেন শান্তকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এশিয়ান গেমস ক্রিকেট ইভেন্টে বাংলাদেশের কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
সর্বশেষ ২০২৫ সালের মে মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেন শান্ত। দীর্ঘ দিন দলের বাইরে থাকার পর এশিয়ান গেমসের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দলে রাখা হয় তাকে। যদিও তার অন্তর্ভুক্তি অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হয়েছে।
তবে সালাহউদ্দিন জানান, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটারদের তালিকায় শান্তর অবস্থান এবং ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণে তার অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ অলিম্পিক ভবনে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের সাথে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সালাহউদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের সেরা ১৫ জন খেলোয়াড়ই খেলবে। কে দলে এল বা কে বাদ পড়ল, সেটা বড় কথা নয়। মূল বিষয় হলো আমাদের সেরা ১৫ জন খেলোয়াড় খেলছে। শান্ত সেরা ১৫ খেলোয়াড়ের একজন। আমরা সেভাবেই তাকে দলে নিয়েছি।’
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থেকে শান্তর দীর্ঘ বিরতিতে উদ্বেগ নেই বলে জানিয়েছেন কোচ সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে সে নতুন কোনো খেলোয়াড় নয়। সর্বশেষ যখন সে টি-টোয়েন্টি খেলেছে তখনও সে খারাপ খেলেনি। বিপিএলসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে তার অনেক সেঞ্চুরি রয়েছে। আমার মনে হয়, এই ফরম্যাটের সাথে মানিয়ে নিতে তার কোনো সমস্যা হবে না।’
সালাহউদ্দিন আরও বলেন, শান্তর এই ফেরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশকে অভিজ্ঞতার দিক থেকে একটি বাড়তি সুবিধাও দিতে পারে।
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমরা একজন অভিজ্ঞ ব্যাটারকে খেলাব।’
শুরুতে এশিয়ান গেমসের জন্য ‘এইচপি’ দল পাঠানোর কথা ভাবলেও, শেষ পর্যন্ত পূর্ণ শক্তির দল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ।
ভারত, পাকিস্তানসহ বেশ কিছু শক্তিশালী দল পাঠানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাদের পরিকল্পনা পরিবর্তন করে।
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘শুরুতে এইচপি দলেরই যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যখন দেখলাম অন্য দেশগুলোও তাদের মূল জাতীয় দল পাঠাচ্ছে, তখন ভাবলাম আমরা কেন তাদের পাঠাব না?’