বাসস
  ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫০
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:১৮

এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে স্বর্ণপদক জয়ের লক্ষ্য বাংলাদেশের

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : আসন্ন এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে স্বর্ণপদক জয়ের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে বলে মনে করছেন দলের কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।

আজ সংবাদমাধ্যমকে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘এশিয়ান গেমসে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা ভাবা ছাড়া আমরা আর কিছু ভাবছি না। আশা করছি ছেলে ও মেয়ে উভয় দলই ভালো খেলবে এবং আমরা ভালো ফলাফল বয়ে আনব।’

২০১০ সালে গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে প্রথমবারের মতো ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গেমসে পুরুষ ইভেন্টে বাংলাদেশ স্বর্ণপদক জিতেছিল। 

পরবর্তীতে ২০১৪ ও ২০২৩ সালে ব্রোঞ্জপদক জয় করে পুরুষ দল। অন্যদিকে, নারী দল ২০১০ ও ২০১৪ সালে রৌপ্যপদক এবং ২০২৩ সালে ব্রোঞ্জপদক জিতেছিল।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সাথে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমরা বেশ কিছুদিন ধরে টি-টোয়েন্টি খেলছি না। বড় চ্যালেঞ্জ হলো আমরা কত দ্রুত টি-টোয়েন্টির সাথে মানিয়ে নিতে পারি এবং কত দ্রুত খেলার ছন্দ ফিরে পেতে পারি।’

পুরুষ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে মোট ১০টি দল অংশ নেবে। র‌্যাংকিংয়ের ভালো অবস্থায় থাকার সুবাদে সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে বাংলাদেশ। ২৮ সেপ্টেম্বর শেষ আটের ম্যাচ খেলতে নামবে তারা। প্রথম পর্বের খেলা শেষে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে। 

শেষ আটে জয় পেলে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে বাংলাদেশ। ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে সেমিফাইনাল 
জাপানের উইকেট সম্পর্কে কতটা জানেন-প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘উইকেট সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই, তবে এটি কে তৈরি করেছে সেটি আমি জানি।’

এশিয়ান গেমস ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ভেন্যু ‘কো রোগি স্পোর্টস পার্ক’-এর অস্থায়ী ক্রিকেট পিচটি তৈরি করেছেন বাংলাদেশের সাবেক কিউরেটর গামিনি ডি সিলভা। প্রায় ১৫ বছর মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন শ্রীলংকায় জন্ম নেওয়া গামিনি ডি সিলভা।

আইচি-নাগোয়া ভেন্যুতে কৃত্রিম ও প্রাকৃতিক ঘাসের সংমিশ্রণে তৈরি একটি ‘হাইব্রিড’ পিচ ব্যবহার করা হবে।

পরিচিত কিউরেটর উইকেট তৈরি করায় বাংলাদেশ কি ঘরের মাঠের মতো সুবিধা পাবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন বলেন, এ ক্ষেত্রে আবহাওয়া ও পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি দেশের আবহাওয়া ভিন্ন। উইকেটের প্রকৃত অবস্থা আবহাওয়ার ওপরই নির্ভর করবে।’