বাসস
  ২৯ আগস্ট ২০২৬, ২১:০৩

‘প্লে অ্যান্ড স্টাডি, উইন দ্য রেস’ নাফিসের চার বছরের গবেষণার ফসল

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : খেলাধুলার পাশাপাশি শিক্ষার গুরুত্ব এবং ক্রীড়াবিদদের জীবনের ভূমিকা তুলে ধরে ‘প্লে অ্যান্ড স্টাডি, উইন দ্য রেস’ শিরোনামে একটি বই লিখেছেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস।

আজ শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মিডিয়া সেন্টারে এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

এ সময় নাফিস বইটির মূল ভাবনা এবং এর পেছনের গবেষণার বিষয় তুলে ধরেন। 

বইটিতে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ, ফুটবলার, ক্রিকেটার ও কোচদের পাশাপাশি সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের গল্পও স্থান পেয়েছে। যারা হয়তো নিজ নিজ খেলায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেননি, কিন্তু পরবর্তী জীবনে শিক্ষার সুফল পেয়েছেন।

নাফিস বলেন, ‘এই বইয়ে আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়, ফুটবলার, ক্রিকেটার ও কোচদের কথা রয়েছে। একই সঙ্গে এমন সব মানুষের গল্পও আছে যারা সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার বা ক্রীড়াবিদ ছিলেন, কিন্তু খেলাধুলায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষা কীভাবে তাদের জীবনে সহায়তা করেছে, তা তারা অত্যন্ত সুন্দর ও ভিন্নধর্মীভাবে তুলে ধরেছেন।’

নাফিস জানান, শিক্ষা ও খেলাধুলার মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে শিক্ষাবিদ ও অধ্যাপকদের মতামতও বইটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বখ্যাত অধ্যাপকরা মানুষের জীবনে খেলাধুলার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। বিশেষ করে পড়াশোনা ও শিক্ষাজীবনে ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রে খেলাধুলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়ে আলোকপাত করেছেন তারা।’

নাফিসের মতে, বইটিতে ব্যবহৃত তথ্য সংগ্রহ ও বিন্যাস করতে তিন থেকে সাড়ে তিন বছর সময় লেগেছে। যত্রতত্র বা এলোমেলোভাবে উৎস নির্বাচনের পরিবর্তে, তিনি ও তার দল বিভিন্ন ক্ষেত্রের ক্রীড়াবিদ ও শিক্ষাবিদদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা গত তিন থেকে সাড়ে তিন বছর ধরে এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছি। এটি কোনো এলোমেলো বা অনিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়া ছিল না। বইটিতে ৩৫ জন ক্রীড়াবিদের তথ্য রয়েছে এবং আমরা তাদের সেই তথ্যগুলো গল্পের আকারে উপস্থাপন করেছি।’

নাফিস প্রকাশক ও তার সহকর্মীদেরও ধন্যবাদ জানান। পেশাগত ব্যস্ততার কারণে বইটির জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া কঠিন হলেও, দীর্ঘদিনের এই প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত প্রকাশিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

বইটি তৈরির সময় তথ্য ও সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিসিবিকে ধন্যবাদ জানান নাফিস। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন স্তরের ক্রীড়াবিদদের অবদানের কথাও কৃতজ্ঞতার সাথে স্বীকার করেন তিনি।