শিরোনাম

ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর সময়ে গড়ে ওঠা কাঠামো ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগগুলোর সুফল এখনও বাংলাদেশের ক্রিকেট পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মিডিয়া ও কমিউনিকেশনস কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ রব্বানি।
২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা কোকোকে দেশের আধুনিক খেলোয়াড় তৈরি ব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে দেওয়ার কৃতিত্ব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের ক্রিকেটের খেলোয়াড় তৈরির ধারাকে শক্তিশালী করে চলা হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিট ছিল কোকোর নেওয়া উদ্যোগগুলোর অন্যতম। অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯-এর মতো বয়সভিত্তিক পর্যায়ের মধ্য দিয়ে তরুণ ক্রিকেটারদের এগিয়ে নেওয়ার একটি কাঠামোবদ্ধ পথও তিনি তৈরি করেছিলেন। পাশাপাশি বিকল্প খেলোয়াড়ের শক্তিশালী বেঞ্চ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উন্নয়ন এবং ঢাকার বাইরে ক্রিকেট অবকাঠামো ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও কোকোর ভূমিকা ছিল।
আজ সন্ধ্যায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে বিসিবি। অনুষ্ঠানে বিসিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রয়াতের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
রব্বানি বলেন, কোকোর সময়ে গড়ে তোলা কাঠামোর সুফল পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পেয়েছে, বিশেষ করে তরুণ খেলোয়াড় তৈরির ক্ষেত্রে।
আঞ্চলিক ও জেলা পর্যায়ের ক্রিকেট এবং বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামসহ বিভিন্ন ক্রিকেট অবকাঠামো প্রকল্পেও কোকোর অবদানের কথা তুলে ধরেন রব্বানি।
বগুড়ার এই ভেন্যু সংস্কারের কাজ ইতোমধ্যে শুরু করেছে বিসিবি। আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে সেখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনার আশা করছে বোর্ড।
রব্বানি বলেন, ‘আমরা মাঠ সংস্কারের পরিকল্পনা নিয়েছি এবং কিছু কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এক বছরের মধ্যে হয়তো সম্ভব হবে না, তবে ইনশাআল্লাহ দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে সেখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনতে পারব।’
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছোট ভাই কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।