শিরোনাম

ঢাকা, ১ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের নিয়ম একাধিকবার লঙ্ঘনের দায়ে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল শুনানির পর শুক্রবার চেলসিকে ১ কোটি পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দুটি ট্রান্সফার উইন্ডোর জন্য স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটিকে প্রাথমিকভাবে জরিমানার পাশাপাশি ছয় পয়েন্ট কেটে নেওয়ার স্থগিত শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। তবে এখন সেই পয়েন্ট কাটার শাস্তির পরিবর্তে স্থগিত নিবন্ধন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এজেন্ট, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কাজ এবং খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের বিনিয়োগসংক্রান্ত এফএর নিয়মের ৭৪টি লঙ্ঘনের কথা চেলসি স্বীকার করেছে।
ক্লাবটির মালিক টড বোহলি ও ক্লিয়ারলেক ক্যাপিটাল ২০২২ সালে ফুটবল কর্তৃপক্ষকে নিজেরাই এসব অনিয়মের কথা জানিয়েছিলেন। সে সময় তারা রুশ ধনকুবের রোমান আব্রামোভিচের কাছ থেকে ক্লাবটি কিনছিলেন।
প্রাথমিকভাবে মামলাটি শুনানি করা স্বাধীন কমিশন ছয় পয়েন্ট কেটে নেওয়ার শাস্তি দিয়েছিল। এই শাস্তি ২০২৭ সালের জুনের শেষ পর্যন্ত স্থগিত থাকার কথা ছিল। তবে চেলসি ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে।
আপিল বোর্ড পয়েন্ট কাটার শাস্তি বাতিল করে তার পরিবর্তে দুই ট্রান্সফার উইন্ডোর স্থগিত নিবন্ধন নিষেধাজ্ঞা দেয়। এই নিষেধাজ্ঞাও একই সময় পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
এ বিষয়ে চেলসি এরই মধ্যে প্রিমিয়ার লিগ এবং ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার সঙ্গে শাস্তি নিষ্পত্তির চুক্তিতে পৌঁছেছিল।
নিয়ন্ত্রক কমিশনের আরোপ করা ১ কোটি পাউন্ড জরিমানার বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ ছিল না এবং পুরো অর্থ তৃণমূল পর্যায়ের ফুটবলে বিনিয়োগ করা হবে।
এফএ জানিয়েছে, এই মামলার সূত্র ধরে ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত তারা অব্যাহত রেখেছে।
চেলসি এক বিবৃতিতে এই বিষয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।
বিবৃতিতে ক্লাবটি বলেছে, “২০২২ সালে ক্লাবটি সম্ভাব্য অতীতের নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়গুলো সব সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে নিজেরাই জানিয়েছিল। ওই প্রতিবেদন দেওয়ার পর ক্লাবটি সব নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে খোলামেলা ও স্বচ্ছভাবে কাজ করেছে এবং স্বেচ্ছায় ও সক্রিয়ভাবে হাজার হাজার নথি প্রকাশ করেছে।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এখন এফএর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় ক্লাবটি আনন্দের সঙ্গে নিশ্চিত করছে যে, এর মাধ্যমে ক্লাবের বিরুদ্ধে চলমান সব নিয়ন্ত্রক কার্যক্রমেরও সমাপ্তি ঘটল।”