শিরোনাম

ঢাকা, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : পর্তুগাল জাতীয় দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ বর্তমান দলে ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোর ভূমিকা ও প্রভাব নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন।
৪০ বছর বয়সে সৌদি পেশাদার লিগে খেলা রোনাল্ডো ৯৫০-এর বেশি গোল করেছেন এবং ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে পর্তুগালকে নেতৃত্ব দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্বকাপে নেতৃত্বেও বিষয়টি রোনাল্ডো নিজেই নিশ্চিত করেছেন। একইসাথে জানিয়েছেন এটাই হবে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ।
২০০৩ সালে ১৮ বছর বয়সে পর্তুগালের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা এই কিংবদন্তি তখন থেকেই দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছেন। গত জুনে রোনাল্ডোর সহায়তায় পর্তুগাল তাদের দ্বিতীয় উয়েফা নেশন্স লিগ শিরোপা জয় করে। এর মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ শিরোপাধারী দেশ হয় পর্তুগাল।
মার্টিনেজ বলেন, বয়সের কারণে রোনাল্ডোর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তিনি এখন মূলত পজিশনাল খেলোয়াড়, একজন স্ট্রাইকার যিনি ফিনিশারের ভূমিকা পালন করেন।
ইএসপিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্টিনেজ বলেন, “আমি মনে করি আমাদের মেনে নিতে হবে- বিশ্বের সবাই ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোকে চেনে এবং তাঁকে নিয়ে সবারই একটি মতামত আছে। কিন্তু ২১ বছর আগে যে ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো জাতীয় দলে এসেছিলেন, এখনকার রোনাল্ডো তিনি নন। এখন তিনি অনেক বেশি পজিশনাল খেলোয়াড়, একজন স্ট্রাইকার। আমাদের জন্য তিনি একজন ফিনিশার।”
তিনি আরও বলেন, “তিনি সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। জাতীয় দলের হয়ে শেষ ৩০ ম্যাচে ২৫ গোল করা একজন খেলোয়াড় পাওয়া আমাদের জন্য উপহারস্বরূপ।”
মার্টিনেজ যোগ করেন, অভিজ্ঞতা ও প্রতিশ্রুতির কারণে রোনাল্ডো এখন এমন একজন খেলোয়াড়, যিনি ড্রেসিংরুমে অনুপ্রেরণা জোগান। এ প্রসঙ্গে পর্তুগীজ কোচ বলেন, “এটা বর্তমানের বিষয়- ১০ বছর আগে তিনি কী করেছেন, সেটা নিয়ে আমরা কথা বলছি না। তাই আমার কাছে তাঁর প্রতিশ্রুতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড়, যার ২২০’র বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ রয়েছে। ক্রিস্টিয়ানো রোল্ডোর অভিজ্ঞতা ও তাঁর এই প্রতিশ্রুতি একটি উদাহরণ। তিনি ড্রেসিংরুমে অনুপ্রেরণা জোগান।’’
রোনালদোর মাঠের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পর্তুগাল কোচ বলেন, তিনি এমন একজন ফরোয়ার্ড যিনি ম্যাচ চলাকালে ডিফেন্ডারদের নিজের দিকে টানেন এবং জায়গা তৈরি করেন।
মার্টিনেজ বলেন, “মাঠে তিনি একজন ফিনিশার, যিনি খেলায় ডিফেন্ডারদের আকর্ষণ করেন এবং জায়গা তৈরি করেন। আমাদের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক, পাশাপাশি তাঁর অভিজ্ঞতাও তিনি সতীর্থদের মধ্যে ছড়িয়ে দেন।”