শিরোনাম

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬(বাসস) : দেশ ও জাতির কল্যাণে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার গুরুত্ব অপরিসীম বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাফিজ মাহবুব।
দৈনিক নুরজাহান সংবাদ পত্রিকার পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তন আয়োজিত আলোচনা সভায় আজ তিনি একথা বলেন।
দৈনিক নুরজাহান সংবাদ-এর পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পত্রিকার সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শুভানুধ্যায়ী ও পাঠকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে নাফিজ মাহবুব বলেন, একটি ঐক্যবদ্ধ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সত্য, ন্যায় এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
নাফিজ মাহবুব বলেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার গণমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে নানামুখী পদক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।
নাফিজ মাহবুব বলেন, বিগত সরকার গত ১৭ বছর গণমাধ্যমকে এক প্রকার দলদাসে পরিণত করার চেষ্টা করেছিল। তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তি বিশ্ব দরবারে উজ্জ্বল করতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নাফিজ মাহবুব বলেন, বিএনপি সরকারের ছয় মাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, সফলতার পাল্লাই অনেকাংশে ভারী। একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, অর্থনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা সমস্যার মধ্যে দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরে আমরা এমন অনেক সরকার দেখেছি, তবে বর্তমান সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে উদ্যোগ ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছেন, তার প্রতিটি কার্যক্রমই নতুন প্রজন্মের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কখনো পড়ে থাকা পানির বোতল উঠিয়ে রাখছেন, আবার কখনো গাড়ি চালিয়ে একাই অফিস যাচ্ছেন, আবার কখনো বৃহৎ আকারের প্রটোকল বাদ দিয়ে স্বল্প প্রটোকলের মাধ্যমে জনগণের সামনে উপস্থিত হচ্ছেন। এছাড়া চলন্ত পথে গাড়ি থামিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে হাত মিলাচ্ছেন। এসব কর্মকাণ্ড আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বার্তা।