শিরোনাম

ঢাকা, ২৭ মে, ২০২৬ (বাসস) : পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশের সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ জনগণসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।
আজ এক শুভেচ্ছাবাণীতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঈদুল আজহা ধর্ম, বর্ণ ও জাতিনির্বিশেষে সবার মধ্যে ত্যাগ, সহমর্মিতা, মানবিকতা এবং সুদৃঢ় সম্প্রীতির শিক্ষা দেয়। আত্মত্যাগের এই মহিমান্বিত আদর্শ মানুষের হৃদয়ে সাম্য, সৌহার্দ্য, দায়িত্ববোধ এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগের প্রেরণা জোগায়।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেতা তারেক রহমান মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন, সব ধর্মের ঐক্যবদ্ধ সুরই হলো দেশপ্রেম, শান্তি এবং মানবকল্যাণ। দেশপ্রেম ও মানবকল্যাণে নিবেদিত হয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করেন প্রতিমন্ত্রী। উদ্ধৃতিতে বলা হয়, “ত্যাগ আর সততা ছাড়া প্রকৃত নেতৃত্ব কখনো গড়ে ওঠে না। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য সেবা আর আত্মত্যাগ অপরিহার্য। শক্তি বা ভয় দেখিয়ে নয়, বরং ন্যায়ের পক্ষে থেকে মানুষের হক ও ইনসাফকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং উদারতা দিয়ে মানুষের মন জয় করতে হবে।”
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ‘সবার উপরে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে একটি বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।
দেশের প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং দারিদ্র্যমুক্ত স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণই সরকারের মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, ঈদের এই পবিত্র ক্ষণে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করার অঙ্গীকার নিতে হবে।
ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন বলেন, কোরবানির প্রকৃত তাৎপর্য কেবল পশু জবাইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং নিজের ভেতরের পশুত্ব ও অহংকার বিসর্জন দিয়ে মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য ও ত্যাগ স্বীকার করাই কোরবানির মূল শিক্ষা। ঈদের আনন্দ সমাজের সব স্তরের মানুষের মধ্যে সমানভাবে ভাগাভাগি করে নেওয়া এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করাই হোক এবারের ঈদের মূল ব্রত।
প্রতিমন্ত্রী দেশবাসীকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে, পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে কোরবানি সম্পন্ন করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি সবার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ কামনা করেন।