বাসস
  ০৭ মে ২০২৬, ১৬:২০

ইউনিপে টুইউ’র পরিচালক এম এ তাহেরের আয়কর নথি জব্দ

ঢাকা, ৭ মে, ২০২৬ (বাসস) : ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎প্রতারণার মাধ্যমে ৪০ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তের স্বার্থে ইউনিপে টুইউ বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালক এম এ তাহেরের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে বলা হয়, আসামি এম এ তাহেরের বিরুদ্ধে প্রতারণাপূর্বক অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে ৪০ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে, তা নিজরে ভোগ দখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে। 

এ ঘটনায় দুদক  মামলা দায়ের করেছেন।

আসামি এম এ তাহের তার স্ত্রীর নামে রাজধানীর গুলশান ও বনানীতে দুটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন। প্রতিটি ফ্ল্যাটের মূল্য ২০ লাখ টাকা। অথচ তার স্ত্রীর নামে কোনো বৈধ আয়ের উৎস বা আয়কর নথি পাওয়া যায়নি। 

এম এ তাহের ইউনিপে টুইউ বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে এমএলএম ব্যবসার নামে কথিত স্বর্ণ ক্রয়ে বিনিয়োগ ও উচ্চ হারে মুনাফা দেওয়ার কথা বলে সাধারণ জনগণকে প্রলুব্ধ করতেন। 

প্রতারণাপূর্বক কোম্পানির নামে সংগৃহীত অর্থ দ্বারাই তিনি ৪০ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন, যা তার বৈধ আয়ের সাথে সংগতিপূর্ণ নয় বলে দুদক-এর প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে। 

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং আয়-ব্যয়, সঞ্চয় নির্ধারণের নিমিত্তে আসামির আয়কর নথি খোলার শুরু থেকে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।