বাসস
  ০১ মে ২০২৬, ২১:৩৯

গত ১৭ বছর বাংলাদেশের শ্রমিকরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল : মীর হেলাল 

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন আজ শুক্রবার মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। ছবি: বাসস

চট্টগ্রাম, ১ মে, ২০২৬ (বাসস) : ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, বিগত ১৭ বছর দেশের শ্রমিক সমাজ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে চরমভাবে বঞ্চিত ছিল। 

তিনি বলেন, শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়নি, এমনকি অতিরিক্ত কাজের যথাযথ মজুরি থেকেও তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। কারখানা দুর্ঘটনায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় পরিবারগুলো সঠিক বিচার বা ক্ষতিপূরণ পায়নি, যা কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।

আজ শুক্রবার মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রসমূহ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, গণতান্ত্রিক এই সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। আমরা শ্রম আইন বাস্তবায়নে একটি স্বাধীন তদারকি ব্যবস্থা গড়ে তুলব। ট্রেড ইউনিয়নের স্বাধীনতা ও শ্রমিকের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য, বাসস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, সংগ্রাম ছাড়া মুক্তি নেই এবং ঐক্য ছাড়া শক্তি নেই। শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র ও জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ব, যেখানে ন্যায় ও সমতা প্রতিষ্ঠিত হবে। এটিই আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রত্যয় এবং সমৃদ্ধির মূলমন্ত্র।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। 

এছাড়া অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শওকত আলী, চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।