বাসস
  ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:১৯

ঝালকাঠিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা

ছবি : বাসস

ঝালকাঠি, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : ঝালকাঠি পৌরসভার শ্মশানঘাট এলাকায় ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে আজ খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। 

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি এ সহায়তা দেন। সামাজিক সংগঠন হিউম্যান অ্যাকর্ড ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (হ্যাডস)-এর সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৭টি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু ও ভোজ্য তেলসহ জরুরি খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হ্যাডসের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান তাওহিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি প্রেসক্লাব সভাপতি অ্যাডভোকেট আককাস সিকদার। 

আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিকদল সভাপতি টিপু সুলতান, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল হোসেন তুহিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এরআগে ড. হায়দার আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরগুলো ঘুরে দেখে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ড. জিয়াউদ্দিন বলেন, ‘অগ্নিকা-ের এই স্থানটি অত্যন্ত সরু এবং ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় হয়তো আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এখানে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষই নিম্নআয়ের। এমন দুর্যোগে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের এগিয়ে আসা জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি সবসময় অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকে। এই ঘটনার পর আমাদের দলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা দ্রুত এগিয়ে আসে। পাশাপাশি প্রশাসন ও অন্যান্য সংগঠনও সহযোগিতা করেছে, যা ইতিবাচক।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতীতের রাষ্ট্রপ্রধানদের মতো অপচয় করে বড় বড় ভবন নির্মাণে বিশ্বাসী নন। এতে জনগণের ওপর অপ্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক চাপ পড়ে। আমরা চাই, সেই অর্থ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, নিরাপদ আবাসন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যয় করা হোক।’

ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ সংযোগ ও অবকাঠামোগত ঝুঁকি চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আর না ঘটে।’