বাসস
  ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:৫৮

ডেটাভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা জোরদারে সমন্বিত ডেটা ওয়্যারহাউজের মহাপরিকল্পনা উন্মোচন

প্রতীকী ছবি

ঢাকা, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস): দেশের পরিসংখ্যান ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং ডেটাভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা জোরদারে সমন্বিত ডেটা ওয়্যারহাউজ (ইন্টিগ্রেটেড ডেটা ওয়্যারহাউজ-আইডিডব্লিউ) প্রতিষ্ঠার মহাপরিকল্পনা উন্মোচন করা হয়েছে। কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) যৌথভাবে এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।

সোমবার ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়। “ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অব স্ট্যাটিসটিকস সার্ভিস বেইজড অন প্ল্যাটর্ফম (২০২৩-২০২৬)” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এটি বাস্তবায়িত হচ্ছে, যার মোট ব্যয় প্রায় ৯ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অনুষ্ঠানে কোইকার বাংলাদেশ কার্যালয়ের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব আলেয়া আক্তার এবং বিবিএসের মহাপরিচালক মো. ফরহাদ সিদ্দিক, বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এই মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয়, নিরাপদ ও আন্তঃসংযোগ যোগ্য পরিসংখ্যান ডেটা প্ল্যাটর্ফম গড়ে তোলার রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ডেটা বিনিময়, বিশ্লেষণ ও প্রকাশনা কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

অনুষ্ঠানে জিহুন কিম বলেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি রূপান্তরমূলক পদক্ষেপ। কোইকা বিবিএসকে একটি আধুনিক, নির্ভরযোগ্য এবং প্রযুক্তিনির্ভর ডেটা প্ল্যাটর্ফম গড়ে তুলতে সহায়তা করতে পেরে গর্বিত। তিনি বলেন, প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এর সফল বাস্তবায়নে কোইকা সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

বিবিএসের মহাপরিচালক বলেন, এই মহাপরিকল্পনা একটি সমন্বিত ও কার্যকর জাতীয় ডেটা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ভিত্তি তৈরি করবে। কোইকার সহযোগিতায় বিবিএস সরকারি পরিসংখ্যানের মান, প্রাপ্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা আরও বাড়াতে সক্ষম হবে, যা উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, সমন্বিত ডেটা ওয়্যারহাউজ চালু হলে ডেটা ব্যবস্থাপনা, আন্তঃসংযোগ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়বে। এতে সরকারি প্রশাসন আরও কার্যকর হবে এবং নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়াও হবে তথ্যনির্ভর।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন পক্ষ এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।