শিরোনাম

ঢাকা, ৯ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশা এবং শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনে একই দলের মাহমুদুল হক রুবেল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
এই দুই আসনে তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন যথাক্রমে— বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল ও মাসুদুর রহমান।
বগুড়া ও শেরপুর জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আজ রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটসহ মোট ১৫১টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে রেজাউল করিম বাদশা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৫৭ হাজার ১৫৯ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী মো. আল-আমিন তালুকদার পেয়েছেন ৪৯৯ ভোট।
উপ-নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটসহ মোট ৪২.৫৭ শতাংশ ভোট জমা হয়েছে জানিয়েছেন বগুড়ার সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মো. ফজলুল করিম।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৫০টি এবং বুথের সংখ্যা ৮৩৫টি।
বগুড়া জেলা নির্বাচন কমিশন অফিস সূত্রে জানা গেছে, আজ প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার ভোটার ভোট দিয়েছেন।
সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
অন্যদিকে, শেরপুর-৩ আসনের ১২৮টি কেন্দ্র এবং পোস্টাল ব্যালটসহ প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে মাহমুদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদুর রহমান পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
এছাড়া, এ আসনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে অংশগ্রহণকারী মো. মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৪৮০ ভোট।
শেরপুর জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বাসস-কে জানান, পোস্টাল ব্যালট ছাড়া এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৫২.১৯ শতাংশ।
এ আসনে মোট ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৪ জন।
তিনি আরো বলেন, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই এলাকায় কোনো ভোটকেন্দ্র স্থগিত বা বন্ধ হিসেবে ঘোষিত হয়নি বলে জানান তিনি।
এর আগে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ এ দু’টি আসনে নির্বাচিত হন। পরে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দিলে সেখানে উপ-নির্বাচনের প্রয়োজন হয়।
অন্যদিকে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর ৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
পরে নির্বাচন কমিশন আসন দু’টির জন্য উপ-নির্বাচন ও সাধারণ নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘোষণা করে।