বাসস
  ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩:৩৪
আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৫৫

নাটোরকে নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: নাটোর-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী দুলু

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু । ফাইল ছবি

নাটোর, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা উপজেলা নিয়ে গঠিত নাটোর-২ নম্বর সংসদীয় আসন। 

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী এডভোকেট এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু জনগণের নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন। এছাড়া তিনি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং নান্দনিক নাটোর গড়ার কথা উল্লেখ করেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী এডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নির্বাচন নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) নাটোর জেলা সংবাদদাতা ফারাজী আহম্মদ রফিক বাবন।

বাসস : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু: নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের জন্য নির্বাচনী প্রতিশ্রতির প্রদানের ক্ষেত্রে প্রথমেই চলে আসে নিরাপত্তার বিষয়টি। নিরাপদ জনপদ গড়ে তোলার পাশাপাশি উন্নয়ন চিন্তার কথা ভাবতে হবে। নির্বাচনে জিতলে শিক্ষায় অনগ্রসর ও অবহেলিত নাটোরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করতে চাই। এছাড়া শিল্প স্থাপনের সম্ভাবনাকে ব্যবহার করে ঐ শিল্পে কর্মসংস্থান তৈরি করতে চাই। নাটোরকে নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?

দুলু : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে দলের নেতা-কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের আইন যথাযথভাবে অনুসরণ করছি, ভবিষ্যতেও আইন অনুসরণ করে যেতে চাই। তফসিল ঘোষণার পরে পুরোনো সব নির্বাচনী প্রচারণার সামগ্রী অপসারণ করা হয়েছে।

বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?

দুলু : ফ্যাসিষ্টের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের জন্য ভোট চাচ্ছি, পাশাপাশি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট চাচ্ছি আমরা। তবে গণভোটের ভোটদানে জনগনকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচারণার দায়িত্ব সরকারের বেশী।

বাসস : আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?

দুলু : পরপর তিনটি নির্বাচনে নাটোরের জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছিল। সর্বশেষ ২০০১ সালে আমি নির্বাচিত হই। ২০০১ সালের নির্বাচনের পরে অনুষ্ঠিত কোনো নির্বাচনেই আমাকে অংশগ্রহণের  সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমাকে সব সময় কারাবন্দী করে রাখা হয়েছিল। এবার জনগণ তাদের ভোট প্রদানের স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। তারা মুখিয়ে আছেন আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য। এবারের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো বলে আশা রাখি।

আসনটি দুইটি পৌরসভা এবং ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। আসনটিতে ১৫৬টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। মোট ভোটারের সংখ্যা চার লাখ ছয় হাজার ৮৮৬ জন। এর মধ্যে দুই লাখ এক হাজার ৬৫৪ জন পুরুষ, দুই লাখ পাঁচ হাজার ২৩ জন নারী এবং ৯ জন তৃতীয় লিঙ্গের।

এ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অন্য পাঁচ প্রার্থী হলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা কমিটির নায়েবে আমীর ও কেন্দ্রীয় কমিটির মজলিশে সুরা’র সদস্য অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রকিব উদ্দিন কমল (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মো. নুরন্নবী মৃধা (ফুটবল) ও গণসংহতি আন্দোলনের তাহামিদা ইসলাম তানিয়া (মাথাল)।