বাসস
  ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:২৪

হুমকি ও ভয়ভীতির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন ও তার ভাই

মেহজাবীন চৌধুরী। ফাইল ছবি

ঢাকা, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন  মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী।

আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকারের আদালতে মামলার জবাব দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল।

মেহজাবীনের আইনজীবী মামলার দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন।

মামলার বাদী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই কিন্তু  তার ভাই আলিশান চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে বলে আদালতে জানান। পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুজনকেই মামলার দায় হতে অব্যাহতি প্রদান করেন।

মেহজাবীনের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বাসস'কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আমিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে গত বছরের ২৪ মার্চ ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীকে আসামি করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আসামি মেহজাবীন চৌধুরী তাকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার কথা বলে নগদ অর্থ এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা নেন। 

এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় বাদী বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দেব, কালকে দেব বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপণ করা হয়। 

পরবর্তী সময়ে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জন অকথ্য ভাষায় বাদীকে গালিগালাজ করেন। এসময় তারা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতিও প্রদর্শন করেন।

মামলার পর মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়। সমনের জবাব দিতে আদালতে হাজির না হওয়ায় গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

গত ১৬ নভেম্বর মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এর বিচারক আফরোজা তানিয়া তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।