শিরোনাম

পটুয়াখালী, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস): সাগরকন্যা কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি ও সৈকতের পরিবেশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুয়াকাটা পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী।
সভায় সৈকতের পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষা, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সেবার মানোন্নয়ন, কার্যকর সৈকত ব্যবস্থাপনা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারসহ পর্যটন খাতের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্য সচিব মো. আরিফুজ্জামান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ইয়াসিন সাদেক, মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম আহমেদ, ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ নাজমুল হোসেনসহ সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, পর্যটন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন বাবলু, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার, মহিপুর ইমাম সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মন্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মহিপুর থানা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল হক খান এবং কুয়াকাটা শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নিহার রঞ্জন দাস উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সৈকতের পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী কুয়াকাটাকে আরও আকর্ষণীয়, পরিবেশবান্ধব ও পর্যটকবান্ধব করে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
এর আগে জেলা প্রশাসক কুয়াকাটার সৌন্দর্যবর্ধন ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ সম্প্রসারণে কয়েকটি উদ্যোগের উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে বিভিন্ন সড়কে কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু গাছ রোপণ, পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য একটি লাইব্রেরি চালু, ডিসি লেকের সৌন্দর্যবর্ধন এবং পচনশীল বর্জ্য থেকে জৈব সার উৎপাদনের শেড উদ্বোধন উল্লেখযোগ্য।
জেলা প্রশাসক বলেন, কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটনসেবার মান উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।