শিরোনাম

নেত্রকোণা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস): জনস্বার্থ সংরক্ষণ, অবৈধ বালু উত্তোলন রোধ, বাজার ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে জেলার ৩টি উপজেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার দিনব্যাপী মোহনগঞ্জ, নেত্রকোণা সদর ও কলমাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে ২ জনকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং আনুমানিক আড়াই লাখ টাকা মূল্যের বালু জব্দ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মোহনগঞ্জ উপজেলার টেংগাপাড়া স্লুইস গেইট এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, পরিবহন ও বিক্রয়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম. এ. কাদের।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার মো. কিবরিয়া (৪০) ও মো. সহিদ মিয়া (৩০)-কে ১ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। একই অপরাধে মোহনগঞ্জের মো. মানিক মিয়া (৪৯)-কে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অপরদিকে, নেত্রকোণা সদর উপজেলার বাসস্ট্যান্ড ও চল্লিশা এলাকায় সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে মনিটরিং কার্যক্রম চালানো হয়। এ সময় অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬ লঙ্ঘনের অপরাধে ১টি মামলায় ১০ হাজার টাকা এবং এলপিজি সিলিন্ডার মজুত গোডাউনে অনিয়ম পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ১টি মামলায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পৃথক দু’টি মামলায় সর্বমোট ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
এছাড়া কলমাকান্দা উপজেলার কালিহালা এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামছুজ্জামান আসিফের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অবৈধভাবে উত্তোলিত আনুমানিক ৫ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় অজ্ঞাত আসামীর বিরুদ্ধে ১টি মামলা দায়ের করে জব্দ বালু স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বাসস’কে জানান, জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, নিত্যপণ্যের বাজার ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও ভোক্তা অধিকার সুনিশ্চিত করতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে।