বাসস
  ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩:৫৪

নোয়াখালীতে জলবায়ু সহিষ্ণু কৃষি গবেষণা ও উদ্ভাবন বিষয়ক সেমিনার 

মঙ্গলবার সকালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন মিলনায়তনে দিনব্যাপী এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। ছবি: বাসস

নোয়াখালী, ২৮ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং নোয়াখালীসহ মেঘনা অববাহিকার ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ‘জলবায়ু সহিষ্ণু কৃষি গবেষণা ও উদ্ভাবন’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন মিলনায়তনে দিনব্যাপী এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাসান উদ্দিন।

দিনব্যাপী এই সেমিনারে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কৃষি গবেষক, উপকূলীয় বিশেষজ্ঞ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

গবেষকগণ তাদের নিজ নিজ গবেষণার বাস্তব ও বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত সেমিনারে উপস্থাপন করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং অসময়ে বন্যা বা খরা কৃষি খাতের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মেঘনা অববাহিকার উর্বর জমি ও কৃষি সম্পদ রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। তাই প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে এমন নতুন নতুন জলবায়ু সহিষ্ণু শস্যের জাত উদ্ভাবন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এখন সময়ের দাবি।

প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘উপকূলীয় এলাকার কৃষিকে টিকিয়ে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে। গবেষকদের মাঠ পর্যায়ের বাস্তব তথ্য-উপাত্তভিত্তিক উদ্ভাবনগুলো কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে।’

অনুষ্ঠানে বক্তারা আগামী দিনে কৃষি খাতে যৌথ গবেষণা জোরদার, স্থানীয় কৃষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং টেকসই কৃষি নীতি বাস্তবায়নে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।