বাসস
  ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:২৮

মৎস্য খাতে টেকসই উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি : খুবি উপাচার্য

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের(খুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণা ল্যাবরেটরির সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। ছবি: বাসস

খুলনা, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (বাসস) : দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রোগ মৎস্যচাষ খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মৎস্য খাতের এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের(খুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। 

আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণা ল্যাবরেটরির সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘এইচইএটি’ উপ-প্রকল্পের ‘দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় বাংলাদেশে মৎস্যচাষে রোগ জীবাণুর সবুজ সমাধানের জন্য মেটাজিনোমিক্স ও ইমিউনোজিনোমিক্স পদ্ধতির মাধ্যমে ফাইটোবায়োটিক্সের সম্ভাবনা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ফাইটোবায়োটিক্স, মেটাজিনোমিক্স ও ইমিউনোজিনোমিক্সের মতো আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব সমাধান গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। এ ধরনের গবেষণা সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পরিবেশগত ভারসাম্যও রক্ষা করা সম্ভব হবে। 

প্রকল্পের সদস্য অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাধুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল আহসান বলেন, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর শিক্ষকরা গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

উপকূলীয় অঞ্চলে মৎস্য চাষের উচ্চ চাহিদার প্রেক্ষাপটে এইচইএটি উপ-প্রকল্পের ফলাফল কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রকল্পের তহবিল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিয়মনীতি অনুসরণের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুন-উর-রশিদ খান বলেন, কৃষি ও মৎস্য খাতে গবেষণার সাফল্য উল্লেখযোগ্য হলেও মাছ উৎপাদনে রাসায়নিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

এফএমআরটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগের উপ-পরিচালক বিপুল কুমার বসাক।

প্রকল্পের কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সারওয়ার কারিগরি উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রকল্পের রূপরেখা ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।