শিরোনাম

নারায়ণগঞ্জ, ৩১ মার্চ ২০২৬ (বাসস): জেলায় আজ ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এসময় সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আক্তার, ফতুল্লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর, উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াসির আরাফাত রুবেল, পিআইও পবিএ চন্দ্র মন্ডল, ফতুল্লা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সেলিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এবারে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এই জনহিতকর কাজে বিডি ক্লিন, স্কাউটস, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং ইউনিয়ন পরিষদের স্বেচ্ছাসেবকরা অংশ নিচ্ছেন। অভিযানের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে উপজেলার নলখালি, বগডুমারি ও ওবদার খালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খালগুলো থেকে আবর্জনা ও কচুরিপানা অপসারণের পাশাপাশি মশা নিধনে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও লার্ভিসাইড স্প্রে করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নসহ জেলার অন্য উপজেলাতেও একই ধরনের সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, শিল্পনগরী হওয়ায় নারায়ণগঞ্জে মশার প্রাদুর্ভাব তুলনামূলক বেশি। তাই আগাম প্রস্তুতি নিয়ে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত চ্যানেল ও খালগুলো সচল রাখতে পারলে জলাবদ্ধতা যেমন কমবে, তেমনি মশার উপদ্রব থেকেও সাধারণ মানুষ মুক্তি পাবে।
খাল খনন প্রসঙ্গে তিনি জানান, কালিয়ানি খালের প্রায় ৫ কিলোমিটার অংশে পুনঃখননের জন্য ইতোমধ্যে সরকারি অনুমোদন পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে কাজ শুরু হবে। সদর উপজেলার তিনটি খালের প্রায় চারশ’ মিটার এলাকায় প্রাথমিক পর্যায়ে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তবে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই পর্যায়ক্রমে প্রায় ৮ থেকে ৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার খাল পরিষ্কার ও পুনঃখনন সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।